১৪ আগস্ট ২০২০

ই-গভর্ন্যান্সে সেরা ৫০-এ থাকতে চায় বাংলাদেশ : জয়

-
24tkt

আগামী পাঁচ বছরে জাতিসঙ্ঘের ই-গভর্ন্যান্স উন্নয়নসূচকে সেরা ৫০টি দেশের তালিকায় বাংলাদেশ থাকবে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, গত কয়েক বছরে আমরা ৪০-৫০ ধাপ এগিয়েছি। আগামী পাঁচ বছরে কেন আরো ৫০ ধাপ এগোব না? আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে গভর্ন্যান্স ইনডেক্সের সেরা ৫০ এর মধ্যে আমরা আসতে চাই।
গতকাল রোববার সকালে রাজধানীর আইসিটি টাওয়ারে ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান রিপোর্ট প্রকাশ ও এটুআইয়ের তিনটি নাগরিক সেবা উদ্বোধনকালে তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন। অনুষ্ঠানে আইসিটির ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ প্রকল্পের আওতায় ১০০ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীকে ল্যাপটপ দেয়া হয়।
২০১৮ সালের জাতিসঙ্ঘের ই-গভর্ন্যান্স সার্ভে প্রতিবেদন বলছে, ই-গভর্ন্যান্স ডেভেলপমেন্ট সূচকে ১৯৩টি সদস্য দেশের মধ্যে বংলাদেশের অবস্থান ১১৫তম। এই সূচকে সর্বোচ্চ অবস্থানে আছে ডেনমার্ক ও সর্বনি¤œ অবস্থানে সোমালিয়া। দুই বছর পর পর এ জরিপ চালায় জাতিসঙ্ঘ। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার ১০ বছর পর ই-গভর্নমেন্ট মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করেছে আইসিটি বিভাগ।
এর কারণ ব্যাখ্যা করে সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, তখন কোনো কিছুই ডিজিটালাইজড হয়নি। আইসিটির ফান্ডামেন্টাল ডিজিটাল সার্ভিস, ডাটাবেজ, স্থাপনা কিছু হয়নি। ১০ বছর আগে করলে তা অফলদায়ী চর্চাই হতো।
ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের আওতায় সরকার সারা দেশে ইউনিয়ন পর্যায়ে ফাইবার অপটিক ক্যাবল দিয়ে ব্রডব্যান্ড সেবা পৌঁছে দিচ্ছে। প্রায় সবগুলো শহরেই রয়েছে ফোরজি সেবা। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি উপদেষ্টা বলেন, দেশের আইটি সিস্টেম আধুনিক। সরকার ২০২১ সালের মধ্যে ৩০০টি পৌরসভায় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে চায়। ডিজিটাল মিউনিসিপ্যালিটি সার্ভিসে আমরা আরো অনেক সেবা যোগ করতে চাই। ২০২১ সালের মধ্যে নাগরিক সেবাগুলো মোবাইল ফোনে আঙুলের ছোঁয়ায় অথবা ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের মাধ্যমে আমরা নাগরিক সেবা পৌঁছে দিতে চাই।

 


আরো সংবাদ