০৬ জুলাই ২০২০

মহাসাগরের গভীরে রহস্যজনক পিরামিড

-

প্রথম থেকেই পিরামিডের ওপর একচ্ছত্র আধিপত্য মিসর ও দক্ষিণ আমেরিকার।মিসরের বালুরাশিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে থাকে পিরামিড। দক্ষিণ আমেরিকাতেও পিরামিডের দেখা পাওয়া গেছে। অবশ্য এগুলোর আকার আলাদা। এবার এ দুই দেশের অহঙ্কারে সম্ভবত থাবা বসাতে যাচ্ছে বাহামা। বাহামা তীরে দু’টি রহস্যজনক পিরামিডের সন্ধান পাওয়া গেছে। তবে এগুলো সত্য সত্য পিরামিড কি না, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি।
অবশ্য সন্ধান পাওয়া জিনিসটির আকার আকৃতি পিরামিডের দিকেই নিশানা করছে। ইউটিউব চ্যানেলে এই নিয়ে একটি ভিডিও পোস্ট করেছে সিকিওর টিম ১০। গুগল আর্থের সাহায্যে এ পিরামিড জাতীয় জিনিসের সন্ধান পেয়েছে তারা। তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, নিউ প্রভিন্স আইল্যান্ডের কাছে সমুদ্রে এর সন্ধান পাওয়া গেছে। জায়গাটি ফ্লোরিডা থেকে খুব বেশি দূরে নয়। পিরামিডের লাইনগুলো খুব সহজেই ধরা পড়ে।
তারা দাবি করছে, এটা প্রমাণ করে এর সবচেয়ে কাছের দ্বীপে অ্যাজটেকের মতো বা ওই ধরনের কোনো এক প্রাচীন মানুষের বাস ছিল। যে ছবিগুলো পাওয়া গিয়েছে, সেগুলো দেখতে নিঃসন্দেহে প্রাচীন পিরামিডের মতো। সমুদ্রের মধ্যে কোনো কিছুই নষ্ট হয় না। কারণ এখানে খোলা বাতাস নেই। ফলে মরচে ধরা বা ক্ষতি হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। তবে এই পিরামিড দু’টির আকৃতি একই নয়। এর মধ্যে একটি গির্জার পিরামিডের মতো, অন্যটি মায়া সভ্যতার চিচেন ইৎজার মতো।
অবশ্য এ প্রথমবার কোনো বস্তুকে পিরামিডের মতো দেখতে বলা হলো, তেমন নয়। ২০১২ সালে মেরেল ভেরলাগ নামে এক বিজ্ঞানী ক্রিস্টাল পিরামিড আবিষ্কার করেছিলেন। গির্জার পিরামিডের থেকে এটি ছিল তিন গুণ বড়। সমুদ্রতল থেকে এটি ৬ হাজার ৫০০ ফিট উঁচু। ইন্টারনেট।

 


আরো সংবাদ