১০ ডিসেম্বর ২০২২, ২৫ অগ্রহায়ণ ১৪২৯, ১৫ জমাদিউল আউয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

পাট ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট : সঠিক দাম পাচ্ছে না চাষীরা

পাট ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট : সঠিক দাম পাচ্ছে না চাষীরা - ছবি : নয়া দিগন্ত

কেশবপুরে পাট ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির শিকার হচ্ছে পাট চাষীরা। পাটের ৪০ কেজির মন বিক্রি হচ্ছে এক হাজার ৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা। আর বাধ্যবাধকতায় রুপ নিয়েছে ব্যবসায়ীকে প্রতিমন পাটে এক থেকে দেড় কেজি ঢল দিতে হয়। এ বছর এক মন পাট চাষের খরচ দাঁড়িয়েছে পাঁচ থেকে ছয় হাজার টাকা। সেখানে পাট চাষিকে সাড়ে তিন হাজার টাকা থেকে সাড়ে চার হাজার টাকা গচ্চা দিতে হচ্ছে। এতটা লস ইতোপূর্বে কখনো চাষীদের দিতে হয়নি বলে জানান পাট চাষী আবুল কাসেম ও তছির উদ্দীন।

কেশবপুর উপজেলায় এ বছর পাট চাষ হয়েছে পাঁচ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে। বৃষ্টি না হওয়ায় কৃষকের পাট চাষ করতে খরচ হয়েছে অন্যান্য বছরের তুলনায় তিন থেকে চারগুণ। ভূ-গর্ভের পানি সেচ দিয়ে চাষীদের পাট চাষের খরচ বেশী হয়েছে। সমস্যা হয়েছে জমিতে যখন পাট শুকিয়ে যাচ্ছে তখনও পাট পঁচানোর জন্যে পানি না পাওয়ায়।

নিজ গ্রাম থেকে পাঁচ থেকে ছয় কিলোমিটার দূরে নিয়ে উপযুক্ত পানিতে পাট পঁচাতে হয়েছে, এখনো হচ্ছে। তাছাড়া একই পানিতে তিন থেকে চারবার পাট পঁচানোর কারণে পাটের রং হয়ে গেছে কালো। আর এই কালো পাট বিক্রি হচ্ছে মাত্র এক হাজার ৫০০ থেকে ৬০০ টাকায়।

গত বছর এ সময় প্রতি মন পাট বিক্রি হয়েছে দুই হাজার ৭০০ থেকে ৮০০ টাকায়।

পাট ব্যবসায়ী মতিয়ার রহমান জানান, মিল পাট কিনছে না। কিছু মানুষ পাট কিনে রাখি করছে বলে পাট চাষীরা পাট বিক্রি করতে পারছে। অন্যথায় পাটের দাম আরো কমে বিক্রি করতে হতো।

তিনি আরো বলেন, বাইরের কোনো দেশ এখনো পাট ক্রয় করছে না। বাইরের দেশের সাথে পাটের চুক্তি হলে পাটের দাম আরো বাড়তো। এলাকার পাট ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেটের কারণে পাটের দাম নিম্মমুখী বলে জানান পাট চাষীরা।


আরো সংবাদ


premium cement