২৫ অক্টোবর ২০২০

বেনাপোল বন্দর দিয়ে অভিনব পন্থায় ডিজেল পাচারের অভিযোগ

-

বেনাপোল বন্দরে বাংলাদেশ ও ভারতের কিছু মুল্যবান পণ্য অভিনব পন্থায় চোরাচালানি হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আর এটা হচ্ছে ভারত থেকে আমাদনি পণ্যবাহি ট্রাকের এক শ্রেণীর অসাধু চালক ও হেলপারদের মাধ্যমে।

এরা কোনো পণ্যবাহী ট্রাক নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশের আগে তার ট্রাকের চাকায় পুরাতন টায়ার এর বদলে নতুন টায়ার লাগিয়ে আনে। এরপর এখানেই তারা বন্দর এলাকার কয়েকটি চিহিৃত ভলকা নাইজিং দোকানে গাড়ি মেরামত করার ছলে যেয়ে নতুন টায়ার খুলে রেখে পুরাতন টায়ার লাগিয়ে নেয়। এভাবেই তারা বাংলাদেশে ভারতীয় নতুন টায়ার চোরাচালান করছে।

এ দিকে তারা যখন বাংলাদেশ থেকে ভারতে ফিরে যায় সে সময় তারা স্থানীয় একটি চিহিৃত চোরাচলান চক্রের কাছ থেকে প্রায়শই বিপুল পরিমান কন্টিনার ড্রাম ভর্তি ডিজেল তেল তাদের ট্রাকের মধ্যে উঠিয়ে ভারতে নিয়ে যায়। এ ভাবে তারা বিপুল বৈদেশীক মুদ্রায় আনা ডিজেল তেল বাংলাদেশ থেকে পাচার করে নিয়ে যাচ্ছে।

প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, বেনাপোল বন্দরের প্রধান সড়কের ছোট আঁচড়ার মোড় ও বাইপাস সড়কের ছোট আঁচড়া মোড় সংলগ্ন এলাকায় এই ডিজেল তেল পাচার করার চক্রটি অবস্থান করে। তারা বন্দর এলাকার লতিফ ফিলিং স্টেশন, শাহজালাল ফিলিং স্টেশন, মিলন তেল পাম্প থেকে বড় বড় কন্টিনারে করে তেল এনে ওই সব জায়গায় লুকিয়ে রেখে সুযোগ বুঝে ওই সব ভারতীয় চোরাচালানি ট্রাক চালকদের গাড়িতে উঠিয়ে দেয়। এভাবে ওই এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের নাকের ডগায় ডিজেল চোরাচালানের মহোৎসব চললেও কেউ তা প্রতিরোধ করছে না।

এদিকে অনেক ভারতীয় চালক আছে যারা নতুন টায়ার পাচার করে নিয়ে আসছে সেই সব গাড়িতে ফেনসিডিলসহ নানাবিধ মাদকদ্রব্য বহন করে নিয়ে আসে। এরপর এ পাশের মাদক চক্রের হাতে তুলে দেয়। যার দুই একটি চালান সম্প্রতি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ট্রাকসহ আটক করেছে।

এই প্রসঙ্গে ট্রাফিক পুলিশের বেনাপোল ইনচার্জ সমর কুমার সমদ্দার মুঠোফোনে বলেন, এই বিষয়টি সম্পর্কে আমি তেমন কিছু জানি না।


আরো সংবাদ