যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলায় শাহাদত বরণকারী ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজা ও দাফন পবিত্র মহররমের প্রথম দশ দিন পর অনুষ্ঠিত হবে।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা গুঞ্জন ও ভুয়া খবর নাকচ করে আজ মঙ্গলবার (৯ জুন) এ সিদ্ধান্ত জানিয়েছে দেশটির রাষ্ট্রীয় কমিটি।
ইরানের বার্তা সংস্থা ওয়েস্ট এশিয়া নিউজ অ্যাজেন্সি বা ওয়ানা নিউজ আরো জানিয়েছে, খামেনি ও তার সাথে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্যদের রাষ্ট্রীয় শেষ বিদায় জানানোর জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি তাদের দ্বিতীয় আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশের ভেতরে ও বাইরে দাফনের সময় নিয়ে যেসব খবর ছড়ানো হচ্ছে, তার কোনো ভিত্তি নেই। লাখ লাখ শোকার্ত মানুষের উপস্থিতিতে এই মহান নেতাকে মর্যাদাপূর্ণ বিদায় দিতে বড় ধরনের রাষ্ট্রীয় প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে।
কমিটি স্পষ্ট করেছে যে, খামেনির সারা জীবনের ইসলামপ্রিয়তা ও কারবালার শহীদদের প্রতি ভক্তিকে সম্মান জানাতেই এই বিলম্ব। পবিত্র মহররমের প্রথম দশ দিন মুসলমানরা ইমাম হোসেনের শাহাদাতের শোক পালন করেন। এই সময়ে সাধারণ মানুষের ইবাদত ও আশুরার শোক পালনে যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে, সেজন্য রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছে। এর ফলে তেহরানে জড়ো হতে যাওয়া লাখো মানুষের নিরাপত্তা ও যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীরা আরো সময় পাবেন।
সাধারণ মানুষকে কোনো ধরনের বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে ইরান সরকার। খুব শিগগিরই রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের সাহায্যে জানাজা ও দাফনের সঠিক সময় ও স্থান সবাইকে জানিয়ে দেয়া হবে।
সূত্র: ওয়ানা



