০৯ মার্চ ২০২১
`

নতুন বছর বয়ে আনুক নিরাময়, আশার আলো : জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব

নতুন বছর বয়ে আনুক নিরাময়, আশার আলো : জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব - ছবি : সংগৃহীত

নতুন বছরের শুভেচ্ছাবার্তায় করোনা মহামারীতে নাজেহাল বিশ্বে আগামী ২০২১ সালটি নিরাময় এবং আশার আলো বয়ে আনবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন জাতিসঙ্ঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস।

শুভেচ্ছা জানানোর পাশাপাশি শতাব্দির ভয়াবহতম মহামারীতে যারা প্রাণ হারিয়েছেন এবং সীমাহীন ভোগান্তির মুখে পড়েছেন, তাদের জন্য নিজের সহনুভূতি, সহমর্মীতা এবং নিজের ব্যক্তিগত কষ্টের কথাও গোপন করেননি জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব।

২০২০ সালকে পরীক্ষা, শোক এবং কান্নার বছর হিসেবে উল্লেখ করে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, ‘এমন একটি বছর আমরা পার করলাম, যখন বিশ্বের সর্বত্র করোনাভাইরাসের বিধ্বংসী ভূমিকা দেখা গেছে। এই মহামারির কারণে বিশ্বজুড়ে এক নতুন উচ্চতায় উঠেছে দারিদ্র, অসাম্য ও ক্ষুধা।’

‘কিন্তু আমাদের ঠিক সম্মুখেই অপেক্ষা করছে নতুন বছর। মহামারীকে পেছনে ফেলে নিরাময় এবং একটি সুস্থ স্বাভাবিক পৃথিবীর দিকে এগিয়ে যাওয়ার আশায় বুক বেঁধে আছি আমরা সবাই। কিন্তু চলতি বছরের এই মহামারির সময়ও কিন্তু আমাদের অর্জন একেবারে কম নয়। প্রতিবেশী এবং বিপদগ্রস্ত মানুষদের প্রতি সহযোগিতার মনোভাব কিছুটা হলেও বৃদ্ধি পেয়েছে এ বছরে। ডাক্তার, নার্সসহ মহামারী মোকাবিলায় সম্মুখসারির সব কর্মী তাদের সাধ্যের সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করেছেন। স্বল্পতম সময়ের মধ্যে টিকা তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা। জলবায়ু বিপর্যয় রোধে করণীয় নির্ধারণেও নতুন করে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হচ্ছে দেশগুলো।’

জলবায়ু পরিবর্তন এবং মহামারী- এ দু’টি সংকট থেকে খুব দ্রুত মুক্তির উপায় নেই বলেই মনে করেন জাতিসঙ্ঘ মহাসচিব। তার মতে, এর জন্য প্রয়োজন বিপুল পরিশ্রম, প্রতিশ্রুতি এবং পৃথিবীর সব প্রান্তের মানুষদের আন্তরিক সদিচ্ছা।

শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, ‘ঐক্য ও পারস্পরিক সংহতি বজায় রেখে আমরা সবাই যদি নিজ নিজ দায়িত্ব পালন করি, নতুন বছর যে আশার আলো নিয়ে আমাদের জন্য অপেক্ষা করছে, সেই আলো পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পরবে। ২০২০ সাল থেকে আমাদের শিক্ষাগ্রহণ করা উচিত। আসুন, আমরা সবাই পরস্পরের বিরুদ্ধে হানাহানি বন্ধ করি, ঐক্যবদ্ধভাবে জলবায়ু সংকট মোকাবিলা করি, করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিই এবং আসন্ন ২০২১ সালকে নিরাময়ের বছর হিসেবে গড়ে তুলি।’

‘সবাইকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ২০২১ সাল হোক এই গ্রহের নিরাময়ের বছর।’

সূত্র: ভয়েস অব আমেরিকা

 



আরো সংবাদ