১৯ অক্টোবর ২০২১, ৩ কার্তিক ১৪২৮, ১১ রবিউল আউয়াল ১৪৪৩ হিজরি
`

দেশে বিশিষ্ট চিকিৎসকের নামে ভুয়া প্রেসক্রিপশন ভাইরাল

ডা: আবদুল্লাহর নামে ভুয়া প্রেসক্রিপশন ফেসবুকে ভাইরাল, কী বলছেন তিনি? - ছবি- সংগৃহীত

বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত চিকিৎসক অধ্যাপক এ বি এম আবদুল্লাহর নাম ব্যবহার করে কোভিড-১৯ রোগীদের জন্য একটি ভুয়া প্রেসক্রিপশন ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।

অধ্যাপক আবদুল্লাহর ছবি ব্যবহার করে ভুয়া প্রেসক্রিপশনে নয়টি ওষুধের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মৃদু মাত্রার কোভিড-১৯ সংক্রমণের ক্ষেত্রে এসব ওষুধ ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফেসবুকে অনেকে ভুয়া প্রেসক্রিপশনটি শেয়ার করেছেন। এর মধ্যে অনেকে সেটি বিশ্বাস করছেন। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন, এটি সত্যিকার অর্থে অধ্যাপক আবদুল্লাহর পরামর্শ কি না? বিষয়টি নিয়ে বেশ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন অধ্যাপক আবদুল্লাহ।

ভুয়া প্রেসক্রিপশনটির বিষয়ে বিবিসি বাংলার কাছে বিস্ময় প্রকাশ করেন বাংলাদেশের সুপরিচিত এই চিকিৎসক। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে অনেকেই ফোন করেছে বিষয়টি নিয়ে। অনেকে জানতে চেয়েছে এই প্রেসক্রিপশন আমি দিয়েছি কি না। আমি বলতে চাই, এটা সম্পূর্ণ ভুয়া।’

তিনি বলেন, করোনা ভাইরাসের চিকিৎসার জন্য এসব ট্রিটমেন্ট দেয়া হয় সেটা সত্য। তবে সেটা নির্ভর করে রোগীর অবস্থার ওপর। রোগীর ক্ষেত্রে কারো মৃদু উপসর্গ থাকে, কারো মধ্যম উপসর্গ থাকে। আবার কারো জটিল উপসর্গ থাকে। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসা পদ্ধতি বদলাতে হয়। সবচেয়ে বড় কথা কোভিড-১৯-এর স্পেসিফিক (সুনির্দিষ্ট) কোনো ড্রাগ (ওষুধ) নাই।

অধ্যাপক ডা: আবদুল্লাহ আরো বলেন, রোগীদের যেসব ওষুধ দেয়া হয় সেগুলো লক্ষণ-উপসর্গ দেখে। বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা করে রোগীদের ওষুধ দেন চিকিৎসকরা।

অধ্যাপক আবদুল্লাহ সবাইকে সতর্ক করে দেন, তার নাম ব্যবহার করে ফেসবুকে যে প্রেসক্রিপশন ছড়ানো হয়েছে সেটি দেখে কেউ যাতে নিজে-নিজে চিকিৎসা শুরু না করে।

বাংলাদেশে করোনা ভারাসের সংক্রমণ শুরুর পর থেকে গত দেড় বছরে চিকিৎসা নিয়ে নানা ধরনের গুজব, অপপ্রচার ও অতি-প্রচার হয়েছে। অধ্যাপক আব্দুল্লাহ বলেন, ‘যেকোনো ওষুধ যত সিম্পলই হোক, ডাক্তারের মতামত নিয়ে খেতে হবে। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ওষুধ খাওয়া যাবে না।’

সূত্র : বিবিসি



আরো সংবাদ