৩১ মার্চ ২০২০

করানাভাইরাস: চিকিৎসকের কাছে যাওয়ার আগে যা করবেন

করোনাভাইরাস - ছবি : সংগৃহীত

সারাবিশ্বে মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়েছে করোনাভাইরাস। এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ১১ হাজার ৮৮৯ জন এবং আক্রান্ত হয়েছেন ২ লাখ ৮৬ হাজার ৯৫২ জন। ভাইরাসটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে হওয়ায় লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আত্রান্তের সংখ্যা। তবে আশার কথা হলো এ পর্যন্ত ৯৩ হাজার ৬০২ জন সুস্থ হয়েছেন।

করেনাভাইরাস থেকে সুস্থ হতে হলে জানতে হবে এর লক্ষণগুলো সম্পর্কে এবং কখন চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে সে বিষয়েও। করোনাকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বিশ্ব মহামারী হিসেবে ঘোষণা দিয়েছে।

করোনার লক্ষণগুলো কী কী?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে কভিড-১৯ এর সাধারণ লক্ষণগুলো হলো জ্বর, ক্লান্তিবোধ ও শুকনো কাশি। কোনো কোনো রোগীর ক্ষেত্রে সর্দি, গলাব্যাথা, নাক বন্ধ হয়ে যাওয়া, শরীরে প্রচণ্ড ব্যাথা ও ডায়রিয়াও থাকে। দেখা গেছে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এমন সামান্য সমস্যা নিয়ে রোগীরা ভর্তি হন এবং প্রায় ৮০ ভাগ মানুষ বিশেষ কোনো চিকিৎসা ছাড়াই সুস্থ হয়ে উঠেছেন।

এই ভাইরাসের চিকিৎসায় অ্যান্টিবায়োটিকের কোনো কার্যকারিতা নেই। ফ্লুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত  ওষুধও কোনো কাজে আসবে না এবং এ পর্যন্ত কোনো ভ্যাকসিনও আবিষ্কার হয়নি। সুস্থ হওয়া সম্পূর্ণভাবে নির্ভর করে ব্যক্তির রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থাপনার ওপর।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, বয়স্করা এ রোগে আক্রান্ত হওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে আছে। তাছাড়া যাদের উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, ডায়াবেবটিকস ও ফুসফুস জনিত সমস্যা রয়েছে তারা উচ্চ ঝুঁকিতে আছেন।

কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?

যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সংস্থা বলছে, যদি কারো মধ্যে করোনার লক্ষণগুলো দেখা দেয় তা হলে তিনি এক সপ্তাহ ঘর থেকে বের হবেন না। তার সাথে যারা একই ফ্লাটে বসবাস করছেন তারা ১৪ দিন ঘর থেকে বের হওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

করোনার লক্ষণগুলোর যদি এক সপ্তাহের বেশি স্থায়ী হয় এবং আরো খারাপ হতে থাকে তা হলে নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্র ফোন করবেন বা স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রদত্ত হট নাম্বারে কল করবেন।

করেনাভাইরাস কতটা ভয়াবহ রূপ নিবে তা জানা এখনো জানা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আশার কথা হলো এতে মৃত্যুর হার যুবকদের ক্ষেত্রে ১ শতাংশ এবং বয়স্কদের মধ্যে ৩ শতাংশ, যেখানে সার্স ভাইরাসে মৃত্যের হার ছিল ১০ শতাংশ।

সূত্র : দ্যা গার্ডিয়ান


আরো সংবাদ