৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০

সোমবার দুই দফা করোনা টেস্ট ফুটবলারদের

-

করোনা এতোটা বিপদে ফেলবে জাতীয় ফুটবল দলকে তা কল্পনাতেই ছিল না বাফুফের। গত পরশু পর্যন্ত করোনা পরীক্ষা করা ২৪ ফুটবলারের মধ্যে ১৮ জনেরই করোনা পজিটিভ। অথচ এদের অধিকাংশেরই প্রাথমিক রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল। একেকবার একেক রিপোর্ট পুরো প্রক্রিয়ার নির্ভরযোগ্যতাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলেছ। কারো আগের দিন পজিটিভ তো পরের দিন নেগেটিভ।

এই ফুটবলারদের মধ্যে টুটুল হোসেন বাদশা, রহমত মিয়া, রিয়াদুল হাসান রাফি, মনজুরুর রহমান মানিক এবং রবিউল হাসান নিজ উদ্যোগে টেস্ট করাতে পারেননি হাসপাতালে সিরিয়াল না পাওয়ায়। পরে ঢাকায় বাফুফের উদ্যোগে করানো টেস্টে এদের মধ্যে করোনা ধরা পড়ে বাদশা, রবিউল এবং মানিকের। মোট কথা এরই সূত্র ধরে এই মুহূর্তে দেড় ডজন ফুটবলার মরন ব্যাধিতে আক্রান্ত। ফলে বাফুফে এখন ফের করোনা টেস্ট করাবে জাতীয় দলের ৩৪ ফুটবলারসহ সকল কোচিং স্টাফ এবং বয়দের। আগামী সোমবার ঢাকার দুই নামীদামী হাসপাতালে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে করোনা টেস্ট করানো হবে তাদের। শনিবার অনলাইন সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান বাফুফের সহ সভাপতি এবং ন্যাশনাল টিমস কমিটির চেয়ারম্যান কাজী নাবিল আহমেদ। ৩৬ ফুটবলারের মধ্যে জামাল ভুইয়া এবং তারিক কাজী যথাক্রমে ডেনমার্ক এবং ফিনল্যান্ডে অবস্থান করছেন।

করোনা আক্রান্ত জাতীয় দলের সব ফুটবলার অন্য সুস্থদের সাথে অবস্থান করছেন গাজীপুরের সারাহ রিসোর্টে। সোমবার দুই হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সারাহ রিসোর্টে গিয়েই ফুটবলারদের নমুনা সংগ্রহ করবেন। ঝুঁকি এড়ানোর জন্যই আক্রান্ত ফুটবলারদের আর এই আইসোলেশন ক্যাম্পের বাইরে আনা হচ্ছে না, জানান ম্যানেজার সত্যজিৎ দাশ রুপু। শনিবার সকালে বাফুফে ভবনে অবস্থান করা করোনা আক্রান্ত ফুটবলাররা চলে গেছেন সারাহ রিসোর্টে। সেখানেই তাদের সুস্থ করার চেষ্টা চালাচ্ছেন রিসোর্ট কর্তৃপক্ষের ডাক্তার এবং জাতীয় দলের ফিজিও।
কাজী নাবিল জানান, সোমবার দুই দফা করোনা টেস্টে যাদের রিপোর্ট নেগেটিভ আসবে ধরেই নেয়া হবে তারা কারোনা মুক্ত। অবশ্য গত কয়দিনে ফুটবলারদের এই করোনা রিপোর্টের বিভ্রান্তিকর তথ্যকে নিজেদের ব্যর্থতা বলছেন না তিনি।

বাংলাদেশ দলের এতো ফুটবলার করোনা আক্রান্ত। ফলে ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া বিশ্বকাপ বাছাই পর্বে বাংলাদেশের হোমের খেলা না হওয়ার আশংকা আছে। অতিথি দলগুলো আসার ব্যাপারে বেঁকে বসতে পারে। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশ কি খেলা পেছানোর আবেদন করবে। সে ইংগিত অবশ্য দিলেন না কাজী নাবিল। তারা আরো কিছু দিন সময় নেবেন। এএফসি- ফিফাও বলেনি কিছু। এদিকে আক্রান্ত ফুটবলারদের ১৪ দিনের আইসোলেশন ক্যাম্প শেষ হলেও তাতে জাতীয় দলের ছয় সপ্তাহ ক্যাম্পের কোনো বিঘ্ন হবে না।

কাজী নাবিলের মতে, আমরা সেই মোতাবেকই আগে ভাগে ফুটবলারদের ক্যাম্পে ডেকেছি। যাতে আইসোলেশন ক্যাম্প শেষে কোচের চাহিদা মতো ৬ সপ্তাহের ট্রেনিং করানো যায় ফুটবলারদের।
তার দেয়া তথ্য মতে, জামাল ভুইয়া ৩১ আগস্টের পর বাংলাদেশে আসবেন। তারিক কাজী আসবেন ১৯ আগস্ট। আর কোচ জেমি ডেসহ অন্যরা আসবেন ১৮ আগস্ট।


আরো সংবাদ

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে নতুন সিদ্ধান্ত মন্ত্রণালয়ের (১২৯৪২)ড. কামাল ও আসিফ নজরুল ঢাবি এলাকায় অবা‌ঞ্ছিত : সন‌জিত (১১৭২৬)‘সনজিতকে ক্যাম্পাসে দেখতে চায় না ঢাবি শিক্ষার্থীরা’ (১০৩২০)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : সাইফুরের যত অপকর্ম (৯০২০)আজারবাইজান ৬টি গ্রাম আর্মেনিয়ার দখল মুক্ত করেছে (৮৩৪১)নতুন বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র সামনে আনলো ইরান (৫৭১১)যে কারণে এই শীতেই ভারত-চীন মারাত্মক যুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে (৫৬৫০)অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমের জানাজা অনুষ্ঠিত (৫২২৯)আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার মধ্যে সংঘর্ষে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৩৯ (৫১৬৭)ছাত্রলীগের ঢাবি সভাপতি বক্তব্য স্পষ্টত সন্ত্রাসবাদের বহিঃপ্রকাশ (৫১৫০)