২৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১৪ আশ্বিন ১৪২৯, ২ রবিউল আওয়াল ১৪৪৪ হিজরি
`

মাইলফলকের ম্যাচে টাইগাররা এড়ালো হোয়াইটওয়াশ

জয়ের পর প্রতিপক্ষের সাথে করমর্দন করে মাঠ ছাড়ছেন বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা : এএফপি -

বাংলাদেশ দলের গতকাল ছিল ৪০০তম ওয়ানডে। প্রথমেই ২-০তে সিরিজ পরাজয় নিশ্চিত হয়েছিল। বাংলাদেশের সামনে প্রথমে মাইলফলক ও পরে হোয়াইটওয়াশ লজ্জা। টাইগার বাহিনী প্রথমে ব্যাট করে ২৫৬ রান সংগ্রহ করে। জবাবে জিম্বাবুয়ে ১৫১ রানে অলআউট হয়। শেষ পর্যন্ত মাইফলকের ম্যাচে ১০৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে তামিম ইকবালের দল। সেই সাথে ২১ বছর আগের হোয়াটওয়াশের লজ্জা থেকে রক্ষা পায় টাইগাররা।
ওয়ানডে ক্রিকেটের শুরু ১৯৭১ সাল থেকে। প্রথম মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশ দলের ১৫ বছর পর ১৯৮৬ সালে ওয়ানডে শুরু। ওই বছর ৩১ মার্চ এশিয়া কাপে পাকিস্তানের বিপক্ষে মাঠে নামে লাল-সবুজ জার্সিধারীরা। বাংলাদেশ শততম ম্যাচে শক্তিশালী ভারতের বিপক্ষে জয় পেয়েছিল। ২০০তম ম্যাচের ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে জয়। ৩০০তম ম্যাচে হেরেছিল টাইগাররা। ৪০০তম ম্যাচে এসে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে ১০৫ রানের বড় জয় তুলে নেয়।
জিম্বাবুয়ে ২৫৭ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে। হাসান মাহমুদ জিম্বাবুয়ের ইনিংসে প্রথম উইকেটের পতন ঘটান কাইতানুকে আউটের মধ্য দিয়ে। দলীয় সাত রানে মরুমনিকে সরাসরি বোল্ড করে সাজঘরে ফেরান মেহেদী হাসান মিরাজ। অভিষিক্ত এবাদত হোসেনের শিকার মাধভেরে দলীয় ১৮ রানে। পরের বলেই জিম্বাবুয়ের প্রথম দুই ম্যাচে জয়ের নায়ক সিকান্দার রাজাকে সরাসরি বোল্ড করেন এবাদত হোসেন। জিম্বাবুয়ের প্রথম ম্যাচের জয়ের নায়ক ইনোসেন্ট কাইয়াকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তাইজুল ইসলাম। ১৩ রান করা মুনিয়ঙ্গা তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার। এরপর শুরু হয় মোস্তাফিজ ঝড়। তিনি একে একে জংওয়ে (১৫), মদণ্ডে (২৪), ইভান্স (২) নিয়াউচি (২৬) আউট করেন। এনগ্রভা ২৭ বলে ৩৪ রান করে অপরাজিত থাকেন। জিম্বাবুয়ে ৩২.২ ওভারে ১৫১ রানে অলআউট। ফলে বাংলাদেশ ১০৫ রানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে। বাংলাদেশের বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে সফল ছিলেন মোস্তাফিজুর রহমান। তিনি ১৭ রানে চারটি উইকেট নেন। এ ছাড়া এবাদত হোসাইন ৩৮ রানে দু’টি ও তাইজুল ইসলাম ৩৪ রানে দু’টি উইকেট নেন।
এর আগে টসে হেরে প্রথম ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ ২৫৬ রান করে ৯ উইকেট হারিয়ে। এনামুল হক বিজয় ৭১ বলে ৭৬ রান করে আউট হন। আফিফ হোসেন ৮১ বলে ৮৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। এ ছাড়া মাহমুদুল্লাহ ৩৯ ও মিরাজ ১৪ রান করেন। জিম্বাবুয়ের ইভান্স ও জংওয়ে দু’টি করে উইকেট নেন। ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচিত হন আফিফ হাসান। ম্যান অব দ্য টুর্নামেন্ট হন সিকান্দার রাজা। সিরিজে ২-১-এ পরাজিত বাংলাদেশ।

 


আরো সংবাদ


premium cement