২৮ জানুয়ারি ২০২২, ১৪ মাঘ ১৪২৮, ২৪ জমাদিউস সানি ১৪৪৩
`

গাজীপুরের ঝোপে নিখোঁজ সাবেক ঢাবি শিক্ষিকার লাশ

-

নিখোঁজের তিন দিন পর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক সাইদা গাফফার (৭১) এর লাশ গাজীপুর থেকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার মহানগরীর দক্ষিণ পাইনশাইল এলাকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক আবাসন প্রকল্পের একটি ঝোপের ভেতর থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। তাকে শ্বাসরোধে খুন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এ ঘটনায় নিহতের নির্মাণাধীন বাড়ির রাজমিস্ত্রির হেলপারকে গ্রেফতার করা হয়েছে। নিহত সাইদা গাফফার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পুষ্টি ও খাদ্যবিজ্ঞান ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক মৃত কিবরিয়া উল খালেকের স্ত্রী। গ্রেফতারকৃতের নাম- আনারুল ইসলাম (২৫)। সে গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থানার বুর্জুগ জামালপুর গ্রামের আনসার আলীর ছেলে।
জিএমপির কাশিমপুর থানার ওসি মাহবুবে খোদা ও নিহতের পরিবার জানান, ২০১৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অবসর গ্রহণ করেন অধ্যাপক সাইদা গাফ্ফার। তিনি গত প্রায় ১১ মাস ধরে গাজীপুর সিটি করপোরেশনের পানিশাইল এলাকার মোশারফ হোসেন মৃধার বাড়িতে ভাড়া বাসায় থাকতেন। ভাড়া বাসায় থেকে তিনি একই এলাকাস্থিত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক আবাসন প্রকল্পের ভেতরে বাড়ি নির্মাণ করছিলেন। গত মঙ্গলবার সন্ধ্যা থেকে নিখোঁজ হন তিনি। তার বাসার দরজা খোলা ছিল। পরে নিখোঁজের বিষয়টি তার ছেলেকে মোবাইলে ফোনে জানান বাড়ির ঠিকাদার আনোয়ার হোসেন। রাত সোয়া ৯টায় অধ্যাপক সাইদার ছেলে ও মেয়ে সাহিদা আফরিন কাশিমপুরে এসে মাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। স্বজনরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এ ব্যাপারে তার মেয়ে সাহিদা আফরিন বুধবার কাশিমপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
জিএমপির কাশিমপুর থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) শেখ মিজানুর রহমান জানান, সাধারণ ডায়েরি করার পর নির্মাণাধীন বাড়ির প্লটে গিয়ে খোঁজখবর নেয়া হয়। তদন্তের নানা তথ্যের ভিত্তিতে ওই প্লটে কর্মরত রাজমিস্ত্রির জোগালি আনারুলকে গাইবান্ধার সাদুল্লাহপুর থেকে বৃহস্পতিবার রাতে আটক করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে অধ্যাপক সাইদা গাফ্ফারকে হত্যার কথা স্বীকার করে আনারুল। শুক্রবার তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে নির্মাণাধীন ওই বাড়ির পার্শ্ববর্তী (আনুমানিক ২০০ গজ দূরে) একটি ঝোপের ভেতর থেকে গলায় ওড়না পেঁচানো অবস্থায় অধ্যাপক সাইদার লাশ উদ্ধার করা হয়। ময়নাতদন্তের জন্য নিহতের লাশ শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে সাউদ ইফখার বিন জহির বাদি হয়ে অজ্ঞাত কয়েকজনসহ আনারুলকে আসামি করে শুক্রবার থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ কর্মকর্তা আরো জানান, ঘটনার সময় প্রফেসর সাইদা গাফ্ফারের হাতে থাকা টাকা ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে আনারুল। এ সময় তাকে বাধা দেয়ায় অধ্যাপক সাইদার গলায় ওড়না পেঁচিয়ে তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে লাশ ওই ঝোপের ভেতর লুকিয়ে রেখে পালিয়ে যায় বলে আনোরুল প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। এ ব্যাপারে তদন্ত চলছে।


আরো সংবাদ


premium cement
আইসিবি এএমসিএল পেনশন হোল্ডারসথ ইউনিট ফান্ডের ১০ টাকা লভ্যাংশ ঘোষণা জুমার নামাজ শেষে মসজিদে দোয়ার আহ্বান হেফাজতের সাংবাদিক এমদাদুল হক খানের ওপর সন্ত্রাসী হামলা ইউক্রেন নিয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করল রাশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্র দুবাইয়ে খেলবেন জোকোভিচ জাতীয় উশুতে এসএ গেমস স্কোয়াড বাছাই ইরাককে হারিয়ে বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে খেলার সুযোগ পেল ইরান পোশাক শিল্পে নারী শ্রমিকদের হার কমে যাওয়ার কারণ কী? কোটি ডলার ব্যয়ের উৎস বিএনপিকে ব্যাখ্যা করতে হবে : প্রধানমন্ত্রী বিটকয়েন : ক্রিপ্টোকারেন্সি তৈরিতে যেভাবে খনি হয়ে উঠেছে কাজাখস্তান দেশের অধস্তন আদালত তদারকিতে ৮ বিচারপতির মনিটরিং কমিটি

সকল