২৮ অক্টোবর ২০২১
`
কর্মশালায় পরিকল্পনামন্ত্রী

দুর্নীতি অপচয় হয় অস্বীকার করছি না

-

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমাদের পর্যায় থেকে আমরাও বলি। তারপরও দুর্নীতি হয়, অপচয় হয়, অস্বীকার করছি না। এটা বাস্তব দুনিয়া। আমরা হতাশ হই। আমরা আমাদের চাপ অব্যাহত রাখব। তবে ঝড় উঠিয়ে, বিপ্লব ঘটিয়ে, সামরিক কায়দায় ধরে এনে, মেরে ফেলে, এসব কাজ তো আমরা পারব না। তিনি বলেন, আমাদের আইন-কানুনের মধ্যে কাজ করতে হবে। আমরা আইনের ঊর্ধ্বে কোনো সরকার নই। আইনের ঊর্ধ্বে প্রধানমন্ত্রীও নন। আর আমরা তো প্রশ্নই ওঠে না। আইন-কানুন যেসব খাতাপত্রে আছে সে সবের সাথে সমন্বয় করেই আমাদের কাজ করতে হবে।
বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল সোমবার জলবায়ু সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ এবং এসডিজি বাস্তবায়ন শীর্ষক বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো আয়োজিত তিন দিনের এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এই মন্তব্যগুলো করেন। পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠ^ানে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মো: আতিকুল হক, মহিলা বিষয়ক অধিদফতরের মহাপরিচালক রামচন্দ্র দাস এবং ইউএন ওমেন বাংলাদেশের প্রতিনিধি গীতাঞ্জলি সিং, বিবিএসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম।
অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধে ক্লাইমেট চেঞ্জ অ্যান্ড ডিজাস্টার প্রকল্পের পরিচালক মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কাছে অনেক তথ্য আছে। সেসব তথ্য কাজে লাগাতে হবে। এ জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে কঠিন বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিবেশের নিরাপত্তা বিষয়ে প্রশ্নপত্র চূড়ান্ত করা হবে।
পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে যেসব অনুশাসন আসে তা দেই। নিজেরা কিছু করি না। আমাদের বিধিবিধান যা আছে ওখান থেকেই করতে হয়। তিনি বলেন, সকল প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই যে একই মানের লাগবে এটা ঠিক না। কিছু স্কুল করব সেখানকার সমীক্ষা এক ধরনের। কিন্তু একটি বড় বাঁধ দেবো, বড় ব্রিজ করব, বড় বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করব, সেখানে সম্ভাব্যতা যাচাইটা গভীরতায় গিয়ে করতে হবে। তিনি বলেন, আইএমইডি, পরিকল্পনা কমিশনের বিভিন্ন বিভাগ, অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের মূল উদ্দেশ্য কাজ আটকানো নয়, কাজ সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া। আমাদের মূল বার্তা হলো দ্রুত কাজ সম্পন্ন করতে হবে। মানসম্পন্ন কাজ হতে হবে। মানসম্মতভাবে কাজ না করলে প্রকল্প বাস্তবায়ন করে লাভ নেই। মানের সাথে আপস করে আমাদের দ্রুত কাজ করা যাবে না। এতে ক্ষতি হবে আমাদের, অপচয় হবে। আমাদের সরকার প্রধান প্রায়ই হুঁশিয়ারি দেন, আমাদের বলেন। সরকারী কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, জরুরি অবস্থায় আমরা সবাই এক হয়ে কাজ করি কিন্তু স্বাভাবিক সময়ে কেন সেটি করি না। একই হাত, একই মাথা, একই মানুষ। তাহলে স্বাভাবিক সময়ে কেন জরুরি অবস্থার মতো ভালো কাজ হবে না?
গীতাঞ্জলি সিং বলেন, মানসম্পন্ন ডাটা ছাড়া কোনো উন্নয়ন পরিকল্পনা করা ঠিক না। উন্নয়ন ত্বরান্বিত করতে হলে, সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করতে হলে সঠিক ও সময়োপযোগী তথ্য দরকার।
রাম চন্দ্রদাস বলেন, আমরা কাজ করতে গিয়ে দেখেছি কিছু জায়গাতে সমস্যা মানুষের তৈরি। যার কারণে উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ব্যাহত হয়। তথ্য প্রাপ্তিতে কমতি আমাদের কাজ দারুণভাবে বিঘিœত করে। ভুল ডেটার উপর যদি একটি কাজও করি সেটাও ভুল হবে।



আরো সংবাদ


সাইফউদ্দিনের বিশ্বকাপ শেষ, দলে ফিরলেন রুবেল (২৪১৭৬)প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (১৭৪০৭)কাঁচপুরের বিশাল কারখানা বন্ধের পেছনে কারণ কী? (১৪৪৮৪)কেন ওভারটোন সেতুতে আত্মহত্যা করে কুকুররা (১৩৬২১)স্ত্রীকে বিক্রি করে স্মার্টফোন কিনল নাবালক স্বামী! (১২৫৩৮)পাকিস্তান জেতায় লাভ ভারতীয়দের! (১১৩৩৩)ওয়াকার ইউনিসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার (৭৯৫৪)নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়ে ভারত আরো চাপে! (৭৬৭৪)ভারতে ফের ডুবোজাহাজের তথ্যপাচার, ৩ নৌ-কর্মকর্তা গ্রেফতার (৬৭৩৯)নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবেন : ডিকসন (৬৬৬৪)