২৮ নভেম্বর ২০২১, ১৩ অগ্রহায়ন ১৪২৮, ২২ রবিউস সানি ১৪৪৩ হিজরি
`

বেড়েছে ডিম-মুরগির দাম কমেছে চাল- পেঁয়াজের

-

সপ্তাহের ব্যবধানে বেড়েছে ডাল, ডিম ও মুরগির দাম। কমেছে চাল ও পেঁয়াজের দাম। অপর দিকে, অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম। গতকাল শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুরের ১১ নম্বর বাজার, মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী এলাকা ঘুরে এসব চিত্র উঠে এসেছে।
দেখা গেছে, এসব বাজারে বেশির ভাগ সবজি আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে। প্রতি কেজি (গোল) বেগুন ৮০ টাকা, লম্বা বেগুন ৫০ থেকে ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, ইন্ডিয়ান টমেটো ১০০ টাকা, শিম ১২০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে এসব বাজারে। চাল কুমড়া প্রতি পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে ৫০-৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পটোল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৪০ টাকা, লতি ৮০ টাকা ও কাঁকরোল ৮০ থেকে ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে প্রতি কেজি আলু বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকায়। পাঁচ টাকা দাম কমে প্রতি কেজি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকায়। বাজারে আগের দামে বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকায়। কাঁচাকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ২৫ থেকে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪০ টাকা, শসা ৮০ থেকে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১০ থেকে ১৫ টাকায়। বাংলা নিউজ।
এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, আদার দাম ২০ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১০০ টাকা। প্রতি কেজি হলুদ ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডালের দাম পাঁচ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়।
এসব বাজারে প্রতি কেজি চিনির দাম দুই টাকা বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকা। গত সপ্তাহে প্রতি কেজি চিনির খুচরা মূল্য ছিল ৭৮ টাকা। এছাড়া প্যাকেট চিনি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকায়।
বাজারে পাঁচ টাকা দাম বেড়ে প্রতি ডজন লাল ডিম ডজন বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়। হাঁসের ডিমের দাম ২০ টাকা বেড়ে ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা। সোনালি (কক) মুরগির ডিমের ডজন বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকায়। দেশী মুরগির ডিম বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকায়।
মুরগির দাম কেজি প্রতি বেড়েছে ৫ থেকে ১০ টাকা।
এসব বাজারে ব্রয়লার মুরগি প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি সোনালি (কক) মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকায়। লেয়ার মুরগি কেজিতে দাম বেড়েছে ১০ টাকা। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২৫ থেকে ২৩৫ টাকা।
১১ নম্বর বাজারের মুরগি বিক্রেতা মো: রুবেল বলেন, বাজারে মুরগির চাহিদা বেড়েছে। চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে বেড়েছে মুরগির দামও। মুরগির দাম আরো বাড়তে পারে।
বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম কমেছে এক থেকে দুই টাকা। বিআর-২৮ চাল বিক্রি হচ্ছে ৪৮ থেকে ৪৯ টাকা, মিনিকেট ৫৮ থেকে ৬০ টাকা, পাইজাম চাল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪৮ টাকা, মোটা চালের প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৪৪ থেকে ৪৫ টাকা। নাজিরশাইল চাল বিক্রি হচ্ছে ৬৫ থেকে ৭০ টাকা, পোলাওয়ের চাল আগের দামেই ৯০ থেকে ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
মিরপুর ১১ নম্বর বাজারের চাল বিক্রেতা মো: কামাল বলেন, সব ধরনের চালের কেজি প্রতি পাইকারি দাম কমেছে এক থেকে দুই টাকা। চালের দাম আরো কমার সম্ভাবনা রয়েছে। ইন্ডিয়ান চাল বাজারে আসবে বলে, চালের দাম কমতে শুরু করছে।



আরো সংবাদ