১১ এপ্রিল ২০২১
`

সরকারের উদাসীনতায় করোনা নিয়ন্ত্রণের বাইরে : ফখরুল

-

সরকারের উদাসীনতা ও ব্যর্থতায় বাংলাদেশে করোনাভাইরাস পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে গত বছরের তুলনায় করোনাভাইরাস মহামারী এখন আরো প্রকট আকার ধারণ করেছে। ভাইরাসটিতে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা প্রতিদিন জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিন্তু সঙ্কটময় পরিস্থিতি সামাল দিতে আগের বছরের মতোই ব্যর্থতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে সরকার। পরিস্থিতির ভয়াবহতা রোধে সরকার কোনো চিন্তাভাবনা ছাড়াই তড়িঘড়ি করে গত ৫ এপ্রিল থেকে ৭ দিনের জন্য দেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। সরকারঘোষিত লকডাউনের বিরুদ্ধে দেশের সব শ্রেণিপেশার মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছে। তিনি বলেন, প্রকৃত অর্থে লকডাউন বলতে যা বোঝায় রাস্তাঘাটে তার কোনো সামান্যতম চিত্রও পরিলক্ষিত হচ্ছে না। কেবল দেশের বড় বড় মার্কেট, শপিংমল ছাড়া সব কিছু খোলা রাখা হয়েছে। যার ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বড় বড় ব্যবসায়ীসহ ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, দোকান কর্মচারী ও নিম্নআয়ের মানুষ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে বিএনপির দফতরের চলতি দায়িত্বে থাকা দলের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে বিএনপি মহাসচিবের এসব কথা তুলে ধরা হয়।
বিবৃতিতে তিনি ফরিদপুরের সালথায় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীসহ নামে-বেনামে চার হাজার জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দায়ের ও ইতোমধ্যে ২১ জন গ্রেফতার এবং হয়রানি-নির্যাতনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
মির্জা ফখরুল বলেন, ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ হতাশাগ্রস্ত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে ফুঁসে উঠেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকারের বাস্তবভিত্তিক কোনো পদক্ষেপ নেই। সরকার লকডাউন সঠিকভাবে কার্যকর করতে ব্যর্থ হচ্ছে। জোরপূর্বক নির্যাতন-নিপীড়ন চালিয়ে লকডাউন কার্যকর করতে গিয়ে এখন জনগণের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে সরকার। জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয় বলেই জনগণের প্রতি কোনো দায়বদ্ধতাও নেই তাদের। ১২ বছরের অধিককাল ভয়াবহ দুঃশাসনের জন্য জনগণের কাছে সরকারকে জবাবদিহি করতেই হবে।
বিএনপি মহাসচিব অভিযোগ করে বলেন, ফরিদপুরের সালথায় গত ৫ এপ্রিল করোনা মোকাবেলায় সরকারের অপরিকল্পিত লকডাউনের পরিপ্রেক্ষিতে স্থানীয় একজন পদস্থ সরকারি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে তার কর্মচারী কর্তৃক একজন দোকান কর্মচারীকে নির্মমভাবে নির্যাতনের প্রতিবাদে স্থানীয় জনসাধারণ ব্যাপক বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। জনসাধারণের বিক্ষোভ দমন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বেপরোয়া গুলিবর্ষণ ও একজনকে হত্যার পর উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপাতে উল্টো বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মীসহ নামে-বেনামে চার হাজার সাধারণ মানুষকে আসামি করা হয়েছে। এই মিথ্যা মামলা দায়ের প্রমাণ করে সরকার মহামারী করোনা মোকাবেলা নয়, বরং মিথ্যা মামলা দিয়ে রাজনৈতিকভাবে বিএনপির নেতাকর্মীদের দমন করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।



আরো সংবাদ


দেশে আয়বৈষম্য এখন বিপজ্জনক পর্যায়ে বগুড়ার শেরপুরে পুলিশের কাছে অভিযোগ দেয়ায় বাদির ওপর সন্ত্রাসী হামলা ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা পরিষদের ৫ কোটি টাকার ক্ষতি করেছে হেফাজত! রেমডিসিভিরের রফতানি নিষিদ্ধ করল ভারত করোনা আক্রান্ত বেগম খালেদা জিয়ার সু-স্বাস্থ্য কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত দেশের কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলা বৃষ্টির সম্ভাবনা চীনা টিকার কার্যকারিতা কম, দেশটির কর্মকর্তাদের স্বীকারোক্তি ব্যাংক লেনদেনের সময় বাড়ল ২০০ আসন পেয়ে দিদিকে বিদায় দেব : অমিত শাহ ফুলবাড়ী সীমান্তে গুলিবিদ্ধ ভারতীয় যুবককে ২৪ ঘণ্টা পর ফেরত দিলো বিজিবি উগ্রবাদ তৈরিতে কওমী মাদরাসাগুলো দায়ী : কাদের মির্জা

সকল