১৮ এপ্রিল ২০২১
`

চাল আমদানির দরপত্র প্রক্রিয়ার সময় ১০ দিন

-

চাল আমদানির দরপত্র প্রক্রিয়ার সময় ১০ দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে যা ছিল ৪২দিন। অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত ‘অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’র বৈঠকে চাল আমদানির দরপত্র প্রক্রিয়ার সময় ১০দিন নির্ধারণসহ তিনটি প্রস্তাব নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে। অনুমোদন দেয়া অপর দুটি প্রস্তাব হচ্ছেÑ চট্টগ্রামের মিরসরাইয়ে ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব শিল্প নগর’-এ ‘বেপজা অর্থনৈতিক অঞ্চল’ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ‘বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেজা) ও ‘বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল কর্তৃপক্ষ’ (বেপজা)-এর মধ্যে স্বাক্ষরিতব্য ‘ডেভেলপমেন্ট এগ্রিমেন্ট’ এবং ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ’ কর্তৃক ‘পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল’-এর নির্মাণকাজ শেষে ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ’ (পিপিপি)-এর আওতায় আন্তর্জাতিক মানের বেসরকারি অপারেটর নিয়োগের লক্ষ্যে ‘ইক্যুইপ, অপারেট অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স অব পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল অন পিপিপি মডেল’।
চাল আমদানির দরপত্র প্রক্রিয়ার সময়সীমা নির্ধারণ প্রসঙ্গে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. শাহিদা আক্তার জানান, খাদ্য অধিদফতর কর্তৃক রাষ্ট্রীয় জরুরি প্রয়োজনে আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে সাড়ে ৫ লাখ টন চাল আমদানির লক্ষ্যে দরপত্র দাখিলের সময়সীমা পত্রিকায় বিজ্ঞাপন প্রকাশের তারিখ থেকে ৪২ দিনের পরিবর্তে ১০ দিন করার প্রস্তাবটি নীতিগত অনুমোদন দেয়া হয়েছে।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে ১০দিন সময় দিয়ে দরপত্র আহ্বান করা হচ্ছিল। কিন্তু এতে সরকারের ক্রয় বিধির ব্যত্যয় হওয়ায় বর্তমানে এ প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়েছে। বিধি মোতাবেক, দরপত্র আহ্বানের পর কমপক্ষে ৪২ দিন সময় দেয়া বাধ্যতামূলক। এমতাবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে খাদ্যশস্য আমদানির ক্ষেত্রে দরপত্রের সময়সীমা শিথিল করে ১০দিন নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়েছে।
এর আগে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে ‘বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক’-এর ভূমি উন্নয়নসহ দুটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়। এতে ব্যয় হবে ১৯৯ কোটি ২৬ লাখ ৭৬ হাজার টাকা।
বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব এক ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, বৈঠকে ‘বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প কর্পোরেশন’ (বিসিক) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘বিসিক কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্ক, মুন্সীগঞ্জ (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের মাটি ভরাট (ভূমি উন্নয়ন ও পুকুর খনন করে মাটি ভরাট) কাজের একটি প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এ কাজের জন্য ‘সরাসরি ক্রয় পদ্ধতিতে’ বাংলাদেশ নৌবাহিনী কর্তৃক পরিচালিত ‘ডকইয়ার্ড অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কশপ লিমিটেড’কে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এতে ব্যয় হবে ১২৩ কোটি ৬৩ লাখ ৭ হাজার টাকা।
তিনি জানান, বৈঠকের অপর প্রস্তাবটি ছিলÑ ‘বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড’ (আরইবি) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘শতভাগ পল্লী বিদ্যুতায়নের জন্য বিতরণ নেটওয়ার্ক সম্প্রসারণ (ঢাকা, ময়মনসিংহ, চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগ)’ প্রকল্পের প্যাকেজ নং-জি-৪৮-এর লট-৫-এর আওতায় ১৩০ কিলোমিটার ১১ কেভি ও ৩৩ কেভি আন্ডারগ্রাউন্ড ক্যাবল ক্রয়ের একটি প্রস্তাব। এটি সরবরাহ করবে ‘মেসার্স পলি ক্যাবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড’। এতে ব্যয় হবে ৭৫ কোটি ৬৩ লাখ ৬৯ হাজার টাকা।

 



আরো সংবাদ