২৫ জানুয়ারি ২০২১
`
এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে গৃহবধূ ধর্ষণ

ছাত্রলীগ ক্যাডার সাইফুরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

-

সিলেট সরকারি মুরারীচাঁদ কলেজ (এমসি) ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলায় চার্জশিট (অভিযোগপত্র) প্রদান করেছে পুলিশ। সারা দেশে তোলপাড় সৃষ্টিকারী এই অপকর্মের ঘটনার দুই মাসেরও বেশি সময় পর গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সিলেটের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (আমলি-৩) আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহপরাণ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী ও ছাত্রলীগ ক্যাডার সাইফুরসহ ৮ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট প্রদান করেন। পাশাপাশি গণধর্ষণের পর এমসি কলেজ ছাত্রাবাস থেকে উদ্ধার করা অস্ত্র মামলায় পৃথক অভিযোগপত্রও জমা দিয়েছেন তিনি। এতে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান ও আরেক আসামি শাহ মো: মাহবুবুর রহমান রনিকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়, আটজনের মধ্যে ছয়জন ধর্ষণে সরাসরি জড়িত ছিল, বাকিরা সহযোগিতা করেছে। সরাসরি জড়িতরা হলোÑ সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া। আর রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমের বিরুদ্ধে ধর্ষণে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। অভিযুক্ত সবাই গ্রেফতার হয়ে কারাগারে রয়েছেন। তারা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীও দিয়েছেন। এর আগে গত ৩০ নভেম্বর ধর্ষণের ডিএনএ প্রতিবেদন আদালতের মাধ্যমে তদন্ত কর্মকর্তার কাছে এসে পৌঁছে। ডিএনএ রিপোর্টে ৬ জনের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে বলে তদন্ত সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানায়। গত ১ অক্টোবর ও ৩ অক্টোবর ৮ জনের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সিলেটের এম এ জি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহের পর পাঠানো হয় ঢাকার ল্যাবে। ডিএনএ রিপোর্ট না পাওয়ার কারণে অভিযোগপত্র আটকে থাকার কথা জানিয়েছিলেন পুলিশ কর্মকর্তারা। প্রসঙ্গত, গত ২৫ সেপ্টেম্বর রাতে সিলেটের বালুচর এলাকার এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সঙ্ঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন ওই তরুণী গৃহবধূ (২৫)। করোনার কারণে বন্ধ থাকা ছাত্রাবাসে স্বামীকে বেঁধে রেখে ওই তরুণীকে ধর্ষণ করা হয়। এরপর তাদের মারধর করে টাকা-পয়সাও ছিনিয়ে নেয় ধর্ষকরা। ওই রাতেই নির্যাতিতার স্বামী বাদি হয়ে নগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা করেন। এ ঘটনার পর দেশজুড়ে ধর্ষণবিরোধী তীব্র আন্দোলন শুরু হয়। জনমতের চাপে মৃত্যুদণ্ডের বিধান রেখে ধর্ষণবিরোধী আইনও সংশোধন করে সরকার।
যেভাবে ঘটে এই অপকর্ম : ঘটনার দিন বিকেলে নববিবাহিত স্ত্রীকে প্রাইভেট কারে করে শাহপরাণ মাজারে বেড়াতে গিয়েছিলেন নগরের দক্ষিণ সুরমার জৈনপুর এলাকার এক যুবক। ফেরার পথে সন্ধ্যার দিকে টিলাগড়ে এমসি কলেজের মূল ফটকের সামনে থামেন তারা। এ সময় কয়েকজন ছাত্রলীগ ক্যাডার এসে ওই যুবকের স্ত্রীকে ঘিরে ধরে। একপর্যায়ে প্রাইভেট কারসহ ওই যুবককে সস্ত্রীক বালুচরে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে নিয়ে যায় ক্যাডাররা। এরপর যুবককে আটকে রেখে তার স্ত্রীকে প্রাইভেট কারের মধ্যেই ধর্ষণ করে ৬ ছাত্রলীগ ক্যাডার। পরে এই দম্পতিকে মারধর করে তাদের কাছে থাকা টাকা-পয়সা, স্বর্ণালঙ্কার ছিনিয়ে নেয় ধর্ষকরা। আটকে রাখে প্রাইভেট কার। ছাত্রাবাস থেকে ছাড়া পেয়ে টিলাগড় পয়েন্টে এসে পুলিশকে ফোন করেন নির্যাতিতার স্বামী। পরে পুলিশ গিয়ে ছাত্রাবাস থেকে ওই দম্পতির প্রাইভেট কার উদ্ধার করে এবং নির্যাতিতা তরুণী গৃহবধূকে ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে। তবে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায় অভিযুক্তরা। ওই রাতেই ছাত্রলীগের ৬ ক্যাডারের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা ৩-৪ জনকে আসামি করে শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন নির্যাতিতার স্বামী। মামলা দায়েরের পর আসামিরা পালিয়ে গেলেও ঘটনার ৩ দিনের মধ্যে সিলেট বিভাগের বিভিন্ন স্থান থেকে এজাহারভুক্ত আসামি সাইফুর রহমান, তারেকুল ইসলাম তারেক, মাহবুবুর রহমান রনি, অর্জুন লস্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুম এবং সন্দেহভাজন আসামি মিসবাউর রহমান রাজন ও আইনুদ্দিনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ দিকে ধর্ষণের রাতে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে সাইফুর রহমানের দখলে থাকা কক্ষে অভিযান চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।
তদন্ত কমিটি গঠন : এ দিকে ঘটনার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ থেকে ২৬ অক্টোবর একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। পরবর্তীতে তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দিলেও কলেজের অধ্যক্ষ বিচার বিভাগীয় তদন্তের দোহাই দিয়ে কলেজ কমিটির এ প্রতিবেদনটি সিলগালা করে রাখেন।
ছাত্রত্ব বাতিল : ঘটনায় জড়িত চার আসামির ছাত্রত্ব এবং সার্টিফিকেট বাতিল করেছে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তাদের স্থায়ীভাবে এমসি কলেজ থেকে বহিষ্কারও করা হয়েছে। বহিষ্কৃতরা হলোÑ সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাসুম ও রবিউল হাসান। এর আগে ঘটনার কয়েক দিন পর শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে গঠিত একটি তদন্ত কমিটি এমসি কলেজে তদন্ত করতে আসে। তদন্ত শেষে কমিটি প্রতিবেদন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়।
সাইফুরের যত অপকর্ম : বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে ছাত্রলীগ সিলেটে বেপরোয়া হয়ে ওঠে। প্রতিপক্ষ ছাত্র সংগঠনগুলোকে ক্যাম্পাস ছাড়া করে তারা সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। বিশেষ করে ঐতিহ্যবাহী এমসি কলেজ ও সংলগ্ন টিলাগড় এবং আশপাশ এলাকা ছাত্রলীগ সন্ত্রাসীদের নিরাপদ আস্তানায় পরিণত হয়। তারা এ পর্যন্ত অসংখ্য অপকর্মের ঘটনা ঘটিয়েছে, যার শিকার বেশির ভাগই প্রাণের ভয়ে তা প্রকাশ করেনি। স্থানীয় কতিপয় আওয়ামী লীগ নেতার প্রত্যক্ষ মদদে সন্ত্রাসীদের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তারা প্রায়ই নিজেরা সশস্ত্র সঙ্ঘাতে লিপ্ত হয়। এ পর্যন্ত ১২ জনেরও বেশি নেতাকর্মী নিহত হয়েছে নিজেদের মারামারিতে।
এমসি কলেজকেন্দ্রিক সন্ত্রাসীদের সংখ্যা অনেক। এদের মধ্যে বেশি অপকর্মে যারা লিপ্ত ছিল তাদের অন্যতম হচ্ছে ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমান। এমসি কলেজ ও ছাত্রাবাসে সঙ্ঘটিত সব অপকর্মে তিনি জড়িত।
ছাত্রাবাসে অবৈধ সিট দখল, সিট বাণিজ্য, খাবারের টাকা না দেয়া, ক্রীড়াসামগ্রীর জিনিসপত্র বিক্রি করে দেয়া, সাধারণ ছাত্রদের হয়রানি, মারধর, গালাগালি, মিছিল-মিটিংয়ে যাওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করা এবং তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের লাঞ্ছিত করাই ছিল সাইফুর রহমানের নিত্যনৈমিত্তিক কাজ। ছাত্রাবাসের পাশের বাজার বালুচরে দোকান থেকে মালামাল নিয়ে কখনো টাকা পরিশোধ করতেন না। ছাত্রলীগের নাম ভাঙিয়ে তিনি দলবল নিয়ে রেস্টুরেন্টে ও বিভিন্ন দোকানে খাওয়া-দাওয়া করতেন। শুধু রেস্টুরেন্টে নয়; সাইফুর টিলাগড় ও বালুচরের সেলুনগুলোতে টাকা না দিয়েই চুল ও দাঁড়ি কাটতেন। টাকা চাইলে দোকান ভাঙচুরের ভয় দেখাতেন। এমসি কলেজ রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক আজহার উদ্দিন শিমুল তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে উল্লেখ করেছেন, এমসি কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রীদের ইভটিজিং করা ছিল তার নেশা। তার ভয়ে এমসি কলেজের এক ছাত্রী দেড় বছর পর্যন্ত ক্যাম্পাসে না আসার নজির রয়েছে। স্ট্যাটাসে বলা হয়, মেয়েদের ওড়নায় টান দেয়া ছিল তার খুব সাধারণ একটি কাজ। সাইফুরের বিরুদ্ধে প্যান্টের বেল্ট খুলে মারধরের অভিযোগ রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ছাত্র জানান, ২০১৮ সালে তিনিসহ তার বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিচ্ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ ভবনের সামনে। এ সময় সাইফুর এসে তাদের সাথে থাকা মেয়ে বন্ধুটিকে উত্ত্যক্ত করে। এর প্রতিবাদ করায় সাইফুর সবাইকে প্যান্টের বেল্ট দিয়ে বেধড়ক পেটাতে থাকেন। ঘটনা শুনে মেয়েটির গরিব অভিভাবক দ্রুত মেয়ের বিয়ে দিয়ে দেন। এভাবেই শত মায়ের, বাবার, ভাইয়ের, বোনের স্বপ্ন কেড়ে নিয়েছেন সাইফুর।
এক সংবাদকর্মী তার ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘২০১৪ সালের ১৬ অক্টোবর। দিনটি ছিল বৃহস্পতিবার। ঘড়িতে তখন সময় দুপুর সাড়ে ১২টা। আমার সমাজ বিজ্ঞান ডিপার্টমেন্ট ভবনের সামনের বরই তলায় বন্ধুরা আড্ডা দিচ্ছিল। ক্লাস ছিল না সে দিন, তাই আমি দেরিতে ক্যাম্পাসে যাই। মূলত ডিপার্টমেন্ট অফিসে জমা দেয়া ইন্টারমিডিয়েটের মূল টান্সক্রিপ্ট তুলতেই যাওয়া। বড়ই তলায় বন্ধুদের সাথে কিছুক্ষণ আড্ডা দেই। পরে জোহরের আজান হয়ে যাওয়াতে সবাই চলে যায়। তখনো আমার কাজিনসহ আরো তিন-চারজন মেয়ে বন্ধু কেন্দ্রীয় মিলনায়তনের সামনের সিঁড়িতে বসে গল্প করছিল। তাদের সেখানে দেখতে পেয়ে আমিও সেখানে যাই। আনুমানিক দেড়টার দিকে তাদের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে যখন ডিপার্টমেন্টে ফিরছিলাম তখনই পেছন থেকে এই সাইফুরের ডাক। এই দাঁড়া। আমি ফিরতে না ফিরতেই সাইফুর, অভিসহ ৬-৭ জন ছাত্রলীগ ক্যাডার হামলা করে আমার ওপর। কোনো কিছু বুঝার আগেই তারা আহত করে আমাকে। এমনকি এই সাইফুর আমার গলায় পা দিয়ে পাড়া দেয়। আমার মাস্টার্স শেষ হয়েছে ২০১৮ তে। এ ঘটনার পেরিয়েছে ৬ বছর। সময়ের পরিবর্তনে ক্যাম্পাস আর হোস্টেলে বড় নেতা হয়ে গেছেন সাইফুর। এই সাইফুররা একদিনে তৈরি হয়নি। তাদের তৈরি করা হয়েছে। শুধু আমি নই; তার বিরুদ্ধে ক্যাম্পাসে তারই দলের কর্মীকে ছুরিকাঘাত করে মৃত ভেবে ফেলে রাখার অভিযোগ আছে। আছে ক্যাম্পাসে আগত দর্শনার্থীদের হয়রানি, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগও। এমন সাইফুর তৈরির পেছনের কারিগরদেরও মুখোশ উন্মোচন করে শাস্তির আওতায় আনা প্রয়োজন।’
জানা যায়, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসকে কেন্দ্র করে সাইফুর একটি টর্চার সেল গড়ে তোলেন। হোস্টেল সুপারের বাংলো দখল করে থাকতেন সাইফুর। ভয়ে অন্যত্র থাকতেন হোস্টেল সুপার জামাল উদ্দিন। হোস্টেলের নতুন ভবনের ২০৫ নম্বর কক্ষ ও বাংলোতে সাইফুরের নেতৃত্বে বসানো হয় ‘শিলং তীর জুয়া’র আসর। এ ছাড়া প্রতিদিন রাতে বসত মাদকের আসর। করোনা পরিস্থিতির কারণে হোস্টেল বন্ধ থাকায় নিজের দখলে থাকা হোস্টেলের রুমকে মাদক সেবন ও ইয়াবা ব্যবসার আখড়ায় পরিণত করেন সাইফুর।
সাইফুর চক্রের শিকার হয়েছেন বণ্ড তরুণী : এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে তরুণী গৃহবধূকে দলবদ্ধভাবে ধর্ষণের ঘটনার পর বেরিয়ে আসে সাইফুর চক্রের অনেক অপকর্মের কাহিনী। গত প্রায় এক যুগ সময়ে তাদের দ্বারা অসংখ্য তরুণী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন। ছিনিয়ে নেয়া হয়েছে তাদের স্বর্ণালঙ্কার, মোবাইল ফোন সেট ও টাকা-পয়সা। মানসম্মান ও প্রাণের ভয়ে এত দিন কেউ মুখ খুলতে সাহস পাননি। ক্ষমতাসীন দলের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকায় তারা অবাধে চালিয়ে আসছিল তাদের দুর্বৃত্তপনা ও লাম্পট্য। ২৫ সেপ্টেম্বর গণধর্ষণের ঘটনার পর জড়িত সব অপরাধীকে গ্রেফতারের পর তাদের আরো অপকর্মের কাহিনী এখন সিলেটবাসীর মুখে মুখে। যাদের পৃষ্ঠপোষকতায় এই ধর্ষকচক্র দুর্বৃত্তপনায় এত দূর এগিয়ে ছিল, সেই গডফাদারদেরও গ্রেফতার করে কঠোর শাস্তি দেয়ার দাবি উঠেছে সব মহল থেকে।



আরো সংবাদ


আসন্ন বাজেটের জন্য একগুচ্ছ প্রস্তাব আইবিএফবির বিশ্বে শান্তি ফিরিয়ে আনতে মাইজভাণ্ডারীর দর্শনই হতে পারে নিয়ামক শক্তি : সাইফুদ্দীন আহমদ আল-হাসানী সাবেক শিক্ষক নুরুলের মৃত্যুতে রাজশাহী মহানগর জামায়াতের শোক গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় ৬৯’র মতো গণ-অভ্যুত্থান প্রয়োজন : জাগপা তিন বিষয়ে প্রমোশনের দাবিতে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের অনশন পি কে হালদারের আরো দুই সহযোগী গ্রেফতার সরকারের দুর্নীতি-লুটপাট থেকে জনদৃষ্টি ভিন্ন দিকে নিতে অপপ্রচার : জামায়াত প্রতিরক্ষা খাতের পেনশন সহজীকরণে নতুন কার্যালয় উদ্বোধন বাবুল চিশতী ও ছেলে রাশেদুল চিশতী গ্রেফতার গাজীপুরে কর্মচারীকে ধর্ষণের অভিযোগে কারখানার মালিক গ্রেফতার কমলাপুরে পোশাক কারখানায় আগুন

সকল