২৩ অক্টোবর ২০২০

যাত্রী পরিবহনে পরিবর্তন এনেছে সিভিল এভিয়েশন

-

উড়োজাহাজের আসনে বসার নিয়মে কিছুটা পরিবর্তন এনেছে বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি এক নির্দেশনায় এ আদেশ দেয়া হয়। এ ছাড়া আগে চার্টার্ড ফ্লাইটে চার শ’ থেকে সোয়া চার শ’ যাত্রী নিয়ে এলেও সেটি নিয়মের মধ্যে আনা হয়েছে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মফিদুর রহমান স্বাক্ষরিত জারি করা এক আদেশে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত সতর্কতার অংশ হিসেবে আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের যাত্রী সংখ্যা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। এতে বড় উড়োজাহাজের ক্ষেত্রে একটি ফ্লাইটে সর্বোচ্চ ২৬০ জন যাত্রী নেয়া যাবে। একইভাবে ছোট এয়ারক্রাফটে সর্বোচ্চ ১৪০ পর্যন্ত যাত্রী নেয়া যাবে।
এ ছাড়া আগাম সতর্কতা হিসেবে উড়োজাহাজে ইকোনমি ক্লাসের শেষের দু’টি সারি ও বিজনেস ক্লাসের কমপক্ষে একটি সিট (বিশেষ কারণ ছাড়া) কোভিড-১৯ সন্দেহজনক রোগীদের জন্য খালি রাখার জন্য ওই নির্দেশনায় বলা হয়েছে।
এর আগে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে অভ্যন্তরীণ রুটে ফ্লাইট চলাচলের ক্ষেত্রেও আরোপ করা বিধিনিষেধে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়।
গতকাল সন্ধ্যায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মফিদুর রহমান নয়া দিগন্তকে বলেন, এই নিয়মটা আমরা মূলত জুলাই মাস থেকেই চালু করেছি। ছোট এয়ারক্রাফটের (৭৩৭ বোয়িং) জন্য ১৪০ জন যাত্রী আর (বোয়িং-৭৭৭) বড় এয়ারক্রাফটের জন্য ২৬০ জনের বেশি যাত্রী নেয়া যাবে না। আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, আমরা উড়োজাহাজ চলাচলের ক্ষেত্রে যাত্রী সংখ্যা নির্ধারণ করে দিয়েছি। এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এই নিয়মটা করা হয়েছে স্বাস্থ্যবিধি যাতে উড়োজাহাজে সবাই সুন্দর করে মেনে চলেন। এরসাথে মুখে মাস্ক ও ফেসশিল্ড লাগানো বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যবিধির ক্ষেত্রে কোনো ধরনের আপস করা হবে না।
চার্টার্ড ফ্লাইটগুলোতে চার শতাধিক যাত্রী নিয়ে উড়োজাহাজ চলাচল করছে এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আগে আনতে পারত; এখন সেই নিয়মেও পরিবর্তন এনেছি। যদিও চার্টার্ড ফ্লাইটে যত যাত্রী আসছে তাদের রেসপনসিবিলিটি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর ওপর বর্তায়। নতুন নিয়মে ছোট এয়ারক্রাফটে ১৪০ আর বড় এয়ারক্রাফটে ২৬০ জনের বেশি প্যাসেঞ্জার আনার অনুমতি দিচ্ছি না।

 


আরো সংবাদ