২৪ অক্টোবর ২০২০
স্বাস্থ্য অধিদফতর

আরেক আতঙ্কের নাম অফিস সহকারী কল্যাণ সমিতি

-

স্বাস্থ্য অধিদফতরে আরেক আতঙ্কের নাম অফিস সহকারী কল্যাণ সমিতি। র্যাবের হাতে গ্রেফতারকৃত ড্রাইভার মালেক ও তার সহযোগীদের মতো অপ্রতিরোধ্য এই সমিতির সদস্যরাও। মহাপরিচালকের দফতর থেকে শুরু করে প্রত্যেক কর্মকর্তার দফতরেই রয়েছে অফিস সহকারী। টাকার বিনিময়ে সরকারি তথ্য পাচার, ফাইল আটকে রাখা, ফাইল দ্রুত ছাড় করা ইত্যাদি এই সমিতির সদস্যদের অন্যতম কাজ।
অধিদফতরের কর্মকর্তা জানান, অফিসের সব বিষয় এদের নখদর্পণে। সব ধরনের অনিয়মে জড়িত এই সমিতির নেতারা। চাহিদামতো টাকা না দিলে এরা কোনো ফাইল ছাড়ে না। এমনকি সম্প্রতি টাকা না দেয়ায় এই চক্রের সদস্যরা এক কর্মকর্তার পদায়ন সংক্রান্ত ফাইল গায়েব করে দিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে । সমিতির ২৩ জন সদস্যর বিরুদ্ধে ইতঃপূর্বে নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এই পরিপ্রেক্ষিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সুপারিশের ভিত্তিতে অভিযুক্ত ২৩ জনকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যণ মন্ত্রণালয়ের আদেশে দেশের বিভিন্ন জেলার স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে বদলি করা হয়। কিন্তু সমিতির নামে নানা অপকর্মে জড়িত এসব কর্মচারীদের একে একে সবাইকে আবার অধিদফতরে ফিরিয়ে আনা হয়।
কর্মকর্তারা জানান, অধিদফতরের প্রথম শ্রেণীর পদগুলোতে চিকিৎসকরা কাজ করেন। কিন্তু অফিস সহকারীদের কারণে কোনো কর্মকর্তা নিজের মতো করে কাজ করতে পারেন না। এদের দাবি-দাওয়া মানা না হলে যেকোনো পর্যায়ের কর্মকর্তাকে চরম অপমানিত হতে হয়।
জানতে চাইলে সমিতির যুগ্মসচিব মো: শাহনেওয়াজ জানান, ‘কিছু কর্মচারী এমন আছে যে, এদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, এরা অসাধু। তবে এরা ব্যক্তিগতভাবে অসাধু। এর সাথে সমিতির স্পৃক্ততা নেই।’


আরো সংবাদ