২৩ অক্টোবর ২০২০

এক দিনে শনাক্ত ৩ লাখ ১৫ হাজার ৭১৭ জন

-

বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় তিন কোটি ২১ লাখ তিন হাজার। আর এ মহামারীতে আক্রান্ত হয়ে বিশ্বে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৮২ হাজারের বেশি। ২৪ ঘণ্টায় সারাবিশ্বে আক্রান্ত হয়েছেন রেকর্ড তিন লাখ ১৫ হাজার ৭১৭ জন।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৯ লাখ ৮২ হাজার ৪২ জনের এবং আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন কোটি ২১ লাখ তিন হাজার ৪৭৭ জনে। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন দুই কোটি ৩৬ লাখ ৮৫ হাজার ৩৩৭ জন।
করোনায় আক্রান্ত হয়ে দুই লাখ ছয় হাজার ৫৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে যুক্তরাষ্ট্রে। দেশটিতে ৭১ লাখ ৩৯ হাজার ৫৫৩ জন আক্রান্ত হয়েছেন। আক্রান্তের সংখ্যায় দ্বিতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে আছে ভারত। করোনা আক্রান্তের সংখ্যায় তৃতীয় এবং মৃতের সংখ্যায় দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ব্রাজিল। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৪৬ লাখ ২৭ হাজার ৭৮০ জন। আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন এক লাখ ৩৯ হাজার ৬৫ জন।
করোনায় মৃতের দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে আছে মেক্সিকো। দেশটিতে এখন পর্যন্ত এ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৭৪ হাজার ৯৪৯ জন। আর এ পর্যন্ত দেশটিতে আক্রান্ত হয়েছে সাত লাখ ১০ হাজার ৪৯ জন। আক্রান্তের দিক থেকে চতুর্থ অবস্থানে আছে রাশিয়া। দেশটিতে এখন পর্যন্ত আক্রান্ত হয়েছে ১১ লাখ ১৫ হাজার ৮১০ জন। আর মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৯৯ জন।
খবর ডিপিএ, দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া, দ্য হিন্দু, বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, রয়টার্স, এনডিটিভি, বিবিসি, গালফ নিউজ, ডয়েচে ভেলে, ওয়ার্ল্ডোমিটারস ও এএফপির।
ভারতে ২৪ ঘণ্টায় ১১২৯ জনের মৃত্যু : করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ভারতে ২৪ ঘণ্টায় এক হাজার ১২৯ জন মারা গেছেন। একই সময়ে ৮৬ হাজার ৫০৮ জন কোভিড-১৯ রোগী শনাক্ত হয়েছে। এ রোগে মারা গেছেন ৯১ হাজার ১৭৩ জন। শনাক্ত রোগী ৫৭ লাখ ৩২ হাজার ৫১৮ জন। সুস্থ হয়েছেন ৪৬ লাখ ৭৪ হাজার ৯৮৭ জন। ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৮৭ হাজার ৩৭৪ জন। করোনাভাইরাসে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত রাজ্য মহারাষ্ট্র। এরপরই রয়েছে যথাক্রমে অন্ধ্রপ্রদেশ, তামিলনাড়ু, কর্ণাটক, উত্তরপ্রদেশ, দিল্লি, পশ্চিমবঙ্গ, উড়িষ্যা, তেলেঙ্গানা, বিহার, আসাম, কেরালা ও গুজরাট। পশ্চিমবঙ্গে ২৪ ঘণ্টায় আরো ৬১ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে সংক্রমিত হয়েছেন তিন হাজার ১৮৯ জন। রাজ্যটিতে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা দুই লাখ ৩৪ হাজার ৬৭৩, মৃতের সংখ্যা চার হাজার ৫৪৪। এ দিকে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গত বুধবার দিল্লির একটি হাসপাতালে মারা গেছেন ভারতের কেন্দ্রীয় রেল প্রতিমন্ত্রী সুরেশ অঙ্গাদি (৬৫)।
জার্মানির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থমন্ত্রী কোয়ারান্টিনে : করোনা সংক্রমণের সন্দেহ দূর করা পর্যন্ত জার্মানির অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী পেটার আল্টমায়ার ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস কোয়ারান্টিনে যেতে বাধ্য হয়েছেন। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এক দেহরক্ষী করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীকেও বিচ্ছিন্ন থাকতে হবে। প্রাথমিক পরীক্ষায় অবশ্য তার দেহে করোনা শনাক্ত করা যায়নি। গত বুধবার তিনি বাসা থেকেই কাজ করেছেন এবং ভিডিও কনফারেন্সে অংশ নিয়েছেন। জার্মানির অর্থনীতিবিষয়ক মন্ত্রী পেটার আল্টমায়ারও এক টুইট বার্তায় জানিয়েছেন, যে তিনি স্বেচ্ছায় বিচ্ছিন্ন থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ দিকে ইউরোপের ১১টি অঞ্চলকে জার্মানি উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে।
৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবীর দেহে জনসনের ভ্যাকসিন : যুক্তরাষ্ট্রে করোনাভাইরাসের সম্ভাব্য ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করেছে বৃহত্তম ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জনসন অ্যান্ড জনসন। মডার্না, বায়োটেক এবং ফাইজারের পর যুক্তরাষ্ট্রে বড় পরিসরে ট্রায়াল শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এই ট্রায়ালে প্রায় ৬০ হাজার স্বেচ্ছাসেবী অংশ নেবেন বলে জানিয়েছেন জনসনের ভ্যাকসিন গ্রুপের চিফ সায়েন্টিফিক অফিসার পল স্টোফেলস। তিনি জানিয়েছেন, তৃতীয় ধাপের এই পরীক্ষা থেকে এই ভ্যাকসিনটি কতটা কার্যকরী ও নিরাপদ তা জানা যাবে। চলতি বছরের শেষের দিকেই এই ফলাফল চলে আসবে এবং আগামী বছর এই ভ্যাকসিনের ১ বিলিয়ন ডোজ উৎপাদন করা যাবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
নিউজিল্যান্ডে মাস্ক পরা নিয়ে কড়াকড়ি শিথিল : মাস্ক পরার ব্যাপারে কিছু নিয়ম শিথিল করল নিউজিল্যান্ড সরকার। এখন থেকে অকল্যান্ড শহর বাদে দেশের অন্যত্র গণপরিবহনে মাস্ক পরা আর বাধ্যতামূলক থাকছে না। দেশটিতে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ কমতে থাকায় এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। গত বুধবার জারি করা সরকারি ঘোষণায় বলা হয়, শুধু অকল্যান্ড বাদে দেশের অন্যত্র মাস্ক ছাড়াই লোকজন গণপরিবহনে উঠতে পারবেন। সম্প্রতি দেশটিতে নতুন করে সংক্রমণের কেন্দ্র হয়ে ওঠে এই অকল্যান্ড। গত সোমবার থেকে অকল্যান্ড বাদে দেশটির সর্বত্র মহামারীসংক্রান্ত নানা বিধিনিষেধ তুলে নেয়া শুরু হয়। নিউজিল্যান্ডে এখন পর্যন্ত এক হাজার ৪৬৮ জন কোভিড-১৯-এ আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ২৫ জন।
বাড়ি থেকে কাজের সংস্কৃতি চালু থাকবে : হোম সংস্কৃতি থেকে কাজটি ভালোভাবে কাজ করেছে এবং বহু সংস্থা করোনাভাইরাস মহামারী শেষ হওয়ার পরেও এ ব্যবস্থা অব্যাহত রাখবে, বিলিয়নেয়ার সমাজসেবী বিল গেটস গত বুধবার এ কথা বলেছেন। বিশ্বের বিভিন্ন অংশে কোভিড-১৯ প্রাদুর্ভাবের পরে কঠোরভাবে লকডাউন চলছে, বাধ্য হয়ে সংস্থাগুলো তাদের কর্মীদের বাড়ি থেকে কাজ করতে দেয়। গেটস আর্থিক দৈনিক ইকনোমিক টাইমস আয়োজিত একটি অনলাইন ব্যবসায় সম্মেলনে বলেন, ‘বাড়ি থেকে কাজ সংস্কৃতি কতটা ভালভাবে কাজ করেছে তা অবাক করার মতো এবং মহামারীটি শেষ হওয়ার পরেও অব্যাহত থাকবে। তবে এ মহামারী শেষ হয়ে গেলে, অফিসগুলোতে কত শতাংশ সময় ব্যয় করব তা পুনর্বিবেচনা করব ... ২০, ৩০, ৫০ শতাংশ। সংস্থাগুলো সাধারণ পথে চলবে’।
কানাডায় করোনার দ্বিতীয় ঢেউ : কিছু কিছু প্রদেশে ইতোমধ্যে দ্বিতীয় পর্যায়ের করোনা সংক্রমণ শুরু হয়ে গেছে। তবে কানাডিয়ানরা সব পরিস্থিতি মোকাবেলা করার ক্ষমতা রাখেন। ব্রিটিশ কলম্বিয়া, আলবার্টা, অর্ন্টারিও এবং কিউবেকে ভাইরাসটির সেকেন্ড ওয়েভ চলছে। গত বুধবার সন্ধ্যায় কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো তার ওয়স্ট ব্লক অফিস থেকে জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে এ কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘আমরা একটি পতনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছি, যা বসন্তের চেয়ে আরো খারাপ হতে পারে। সংক্রমণের হার জাতীয় পর্যায়ে বেড়েছে। বুধবারও সংক্রমণের হার বেড়ে দাঁড়িয়েছে এক হাজার ২৪৮ জনে। কানাডিয়ানরা সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য জমায়েত হবে না। জনসাধারণকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। কোভিড সতর্কতা অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করতে হবে।’ এখন পর্যন্ত কানাডায় এক লাখ ৪৩ হাজার ৬৫৯ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। মারা গেছেন ৯ হাজার ২১৭ জন।
তিন দেশের নাগরিকদের সৌদি প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা : বৈশ্বিক মহামারী করোনাভাইরাসের হটস্পট এখন ভারত। এ কারণে ভারতসহ তিন দেশের নাগরিকদের ওপর সাময়িক ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে সৌদি আরব। সৌদি আরবের বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ গত বুধবার এ নিষেধাজ্ঞা জারি করে। অন্য দু’টি দেশ হলোÑ ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনা। দেশ তিনটির নাগরিকদের মধ্যে যারা ১৪ দিন আগে সৌদি আরব ভ্রমণ করেছেন, তারাও নতুন এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন। উল্লিখিত তিন দেশের নাগরিক ছাড়াও সৌদি আরবে আসার ১৪ দিন আগে যারা ওই দেশ তিনটির যেকোনো একটিতে ভ্রমণ করেছেন, তাদেরও সৌদি আরবে প্রবেশ করতে দেয়া হবে না। তবে সরকারি আমন্ত্রণপত্র আছে এমন কেউ এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়বেন না। সৌদি আরবে এ পর্যন্ত তিন লাখ ৩০ হাজার ৭৯৮ করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।
বিদেশিদের জন্য ওমরাহ শুরু ১ নভেম্বর : করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে সাত মাস বন্ধ থাকার পর সৌদি আরব ৪ অক্টোবর থেকে সীমিত পরিসরে ওমরাহ পালন করার অনুমতি দিতে যাচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় দেশটিতে বসবাসকারীরা ওমরাহ করতে পারবেন। এরপর ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশের মুসলিমদেরও ওমরাহ করার অনুমতি দেয়া হবে। বছরের যেকোনো সময় মুসলিমরা ওমরাহ করতে মক্কা ও মদিনায় যেতে পারেন। আপাতত দেশটিতে বসবাসকারীদের মধ্যে থেকে দিনে ছয় হাজার জনকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ওমরাহ করার অনুমতি দেয়া হবে। এরপর কোটা বাড়িয়ে ১ নভেম্বর থেকে বিভিন্ন দেশের মুসলিমদেরও ওমরাহ করার অনুমতি দেয়া হবে। তখন দৈনিক ২০ হাজার মানুষ ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। করোনা নির্মূল হওয়ার পর শতভাগ ধারণক্ষমতায় ওমরাহ পালনের সুযোগ দেয়া হবে।
‘করোনা’ শুনলে দর্শনীয় স্থান মনে হয় ট্রাম্পের : পেনসিলভ্যানিয়া অঙ্গরাজ্যে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে মঙ্গলবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনুরোধ করেন, গোটা পৃথিবীতে সংক্রমণের আতঙ্ক ছড়িয়ে দেয়া ভাইরাসকে করোনাভাইরাস নামে না ডাকতে। কেননা নামটা শুনলে তার ইতালির কোনো দর্শনীয় স্থান বলে মনে হয়। তিনি বলেন, ‘করোনা নামটা শুনলে মনে হয় সুন্দর কোনো জায়গা। যেন ইতালির কোনো দর্শনীয় স্থান। এটি আসলে একটি চীনা ভাইরাস।’ ট্রাম্প বলেন, পুনর্নির্বাচিত হলে তার প্রশাসন আগামী চার বছরে আমেরিকাকে বিশ্বের এক শক্তিশালী উৎপাদক দেশ হিসেবে গড়ে তুলবে। চীনসহ অন্যান্য দেশের প্রতি আমেরিকার নির্ভরতা একবারে শেষ করে দেবে।
ইরাকে বাড়ছে চিকিৎসকদের ওপর সহিংসতা : মহামারী পরিস্থিতির মধ্যেই ইরাকে চিকিৎসকদের ওপর সহিংসতা বাড়ছে। করোনায় আক্রান্তরোগীর মৃত্যুর পর স্বজনরা ক্ষুব্ধ হয়ে হামলা চালাচ্ছে চিকিৎথসকদের ওপর। সহিংসতার মুখে পড়া চিকিৎসকরা পুরো শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন নিয়েই কর্তব্য চালিয়ে যাচ্ছে। নিগৃহীত চিকিত্থথসকরা চিকিৎথথসা করবেন কী, সব ডাক্তারই ভীত! ইরাকে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে। ডাক্তাররা নিজের কাজটা ঠিকমতো করতে পারছেন না। সর্বক্ষণ রোগীর পরিবারের নিগ্রহের ভয়, তাদের তাড়া করে বেড়াচ্ছে। মৃত রোগীর পরিবার বেপরোয়া হয়ে যেভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে, তাতে নিজেদের জীবন বিপন্ন করে কেউ আর চিকিৎথথসা করার সাহস দেখাতে পারছেন না। ইরাকে বর্তমানে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা তিন লাখ ছাড়িয়েছে। প্রতিদিন কয়েক হাজার করে নতুন আক্রান্ত বাড়ছে। আট হাজার আক্রান্ত এর মধ্যে মারাও গেছেন।
সবচেয়ে মোটা মানুষের করোনা জয় : মেক্সিকোর ৩৪ বছরের যুবক জোয়ান পেড্রো ২০১৭ সালে গিনিস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড বুকে স্থান করে নিয়েছেন তার দেহের ওজনের জন্য। তখন তার ওজন ছিল ৫৯৫ কিলোগ্রাম। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শে নিয়মিত ব্যায়াম করে ১০০ কেজিরও বেশি চর্বি কমিয়েছেন। বর্তমানে তার ওজন আগের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ, মাত্র ২০৮ কেজি। করোনায় তার রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও শ্বাসকষ্ট বেড়ে গিয়েছিল। করোনায় তার মাথাব্যথা, সারা শরীরে প্রচণ্ড ব্যথা ও জ্বর আসত। কিন্তু চিকিৎসকের পরামর্শে স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে মেনে চলায় এই শরীরিক অবস্থার মধ্যেও এখন তিনি করোনামুক্ত।

 


আরো সংবাদ