২২ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯
টিকিট কাটতে হবে অনলাইনে

১৬ আগস্ট থেকে আরো ১২ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন

-

আগামী ১৬ আগস্ট থেকে আরো ১২ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চলাচল শুরু হতে যাচ্ছে। আন্তঃনগর ট্রেনের সকল টিকিট একইসাথে অনলাইন এবং মোবাইল অ্যাপ এর মাধ্যমে বিক্রি করা হবে। বিক্রিত টিকিট রিফান্ড (ফেরত) হবে না। আর যাত্রীদের সামাজিক ও শারীরিক দূরত্ব নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কোচের ধারণক্ষমতার শতকরা ৫০ শতাংশ টিকিট বিক্রয় করা হবে।
গতকাল রোববার রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজনের দফতরে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এ সময় রেলপথ সচিব মো: সেলিম রেজা, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশন), অতিরিক্ত মহাপরিচালক (রোলিং স্টক) উপস্থিত ছিলেন।
সিদ্ধান্ত মোতাবেক ১৬ আগস্ট থেকে আরো ১২ জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন ও এক জোড়া কমিউটার ট্রেন পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ট্রেনগুলো হচ্ছেÑ পঞ্চগড়-ঢাকা-পঞ্চগড় রুটে একতা এক্সপ্রেস, খুলনা-ঢাকা-খুলনা রুটে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, রাজশাহী-ঢাকা রুটে পদ্মা এক্সপ্রেস, ঢাকা-সিলেট-ঢাকা রুটে পারাবত এক্সপ্রেস, ঢাকা-মোহনগঞ্জ-ঢাকা রুটে হাওর এক্সপ্রেস, ঢাকা-কারাকান্দি-ঢাকা রুটে অগ্নিবীনা এক্সপ্রেস, রাজশাহী-চিলাহাটি-রাজশাহী রুটে তিতুমীর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে মহানগর এক্সপ্রেস, চট্টগ্রাম-ময়মনসিংহ-চট্টগ্রাম রুটে বিজয় এক্সপ্রেস, ঢাকা-নোয়াখালী-ঢাকা রুটে উপকূল এক্সপ্রেস, খুলনা চিলাহাটি-খুলনা রুটে সীমান্ত এক্সপ্রেস, গোবরা-রাজশাহী-গোবরা রুটে টুঙ্গিপাড়া এক্সপ্রেস ও ঢাকা-দেওয়ানগঞ্জ বাজার-ঢাকা রুটে জামালপুর কমিউটার ট্রেন চলাচল শুরু হবে।
বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ট্রেন পরিচালনার জন্য যেসব নির্দেশনা মেনে চলতে হবে সেগুলোর মধ্যে অন্যতম হচ্ছেÑ যাত্রার দিনসহ পাঁচদিন পূর্বে আন্তঃনগর ট্রেনগুলোর আগাম টিকিট ইস্যু করা হবে। আন্তঃনগর ট্রেনে সকল প্রকার স্ট্যান্ডিং টিকিট ইস্যু সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
উল্লেখ্য, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। পরে সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক সম্প্রতি স্বাস্থ্যবিধি মেনে ১৭টি রুটে সীমিত পরিসরে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। এসব ট্রেনের টিকিট কাউন্টার থেকে বিক্রির সিদ্ধান্ত হলেও সার্বিক বিষয় চিন্তা করে অনলাইনে টিকিট বিক্রির সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। এরপর থেকেই অভিযোগ উঠছে, অনলাইনে অনেক চেষ্টা করেও টিকিট কাটতে পারছে না গন্তব্য চলাচলকারী যাত্রীরা।
গতকাল বাংলাদেশ রেলওয়ের সাথে সম্পৃক্ত একাধিক কর্মকর্তা নয়া দিগন্তকে নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, বর্তমানে অনলাইনে টিকিট কাটতে হবে। এ ছাড়া বিকল্প কোনোভাবেই টিকিট পাওয়ার সুযোগ নেই। এই সুযোগে সুযোগ সন্ধানী চক্র (কালোবাজারি) কৌশলে টিকিট কেটে পরবর্তীতে অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে। তবে রেলপথ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক্ষেত্রে তাদের কোনো হাত নেই। তবে প্রযুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে এই অনিয়ম প্রতিরোধ করা হবে। তবে সাধারণ পাবলিকদের অভিযোগ তারা তো অনলাইনে কিভাবে টিকিট কাটতে হবে সেটি বোঝেন না। তাহলে কিভাবে তারা কম টাকায় ট্রেনে চলাচল করার সুযোগ পাবেন সেটাই এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে।


আরো সংবাদ