১২ জুলাই ২০২০

দেশে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৭৯ ডলার

করোনায় জিডিপি কমলো ৮০ হাজার কোটি টাকা
-

অবশেষে দেশে মাথাপিছু জাতীয় আয় (জিএনআই) দুই হাজার ডলার অতিক্রম করে যাচ্ছে। চলতি অর্থবছরে (২০১৯-২০) মাথাপিছু আয় সাময়িক হিসাবে নির্ধারণ করা হয়েছে দুই হাজার ৭৯ ডলার। গত অর্থবছরে (২০১৮-১৯) যা ছিল ১ হাজার ৯০৯ ডলার। তবে মাথাপিছু আয় বাড়লেও চলতি অর্থবছরে জিডিপির (মোট দেশজ উৎপাদন) আকার ৮০ হাজার ২০০ কোটি টাকা কমিয়ে দেয়া হয়েছে। করোনার কারণে এ হ্রাস। বাজেটে জিডিপির আকার নির্ধারিত ছিল ২৮ লাখ ৮৫ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। করোনার কারণে তা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২৮ লাখ ৫ হাজার ৭০০ কোটি টাকা। এ হিসাবে চলতি অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি নির্ধারণ করা হয়েছে ৫ দশমিক ২ শতাংশ। বাজেটে যার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৮ দশমিক ২ শতাংশ। একইভাবে আগামী অর্থবছরের জন্য জিডিপির আকার প্রাক্কলন করা হয়েছে ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা। অর্থ বিভাগের সামষ্টিক অর্থনৈতিক উইং এবং বিবিএস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। প্রসঙ্গত, বিদেশে অর্জিত আয়সহ দেশের অধিবাসীদের এবং ব্যবসায় অর্জিত সব আয়ই মাথাপিছু আয়ের অন্তর্ভুক্ত। দেশের মোট জনসংখ্যা দিয়ে ভাগ করে ব্যক্তির মাথাপিছু আয় বের করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অর্থনৈতিক উইংয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মূলত করোনার কারণে প্রবৃদ্ধির সব হিসাব এলোমেলো হয়ে গেছে। এ কারণে জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৮ দশমিক ২ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ দশমিক ২ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। তবে এরপরও আমরা চলতি অর্থবছরে সাময়িক হিসেবে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ডলারের ওপরে হিসাব করেছি। আগামী অর্থবছরের মাঝামাঝি এটি চূড়ান্ত করা হবে।
এক নজরে আগের বছরের মাথাপিছু আয়ের দিকে তাকালে দেখা যায় প্রায় প্রতি বছরই এ আয় বেড়েছে। ১০ বছরে এ আয় দ্বিগুণ হয়েছে। যেমন-২০১০-১১ অর্থবছরে মাথাপিছু আয় ছিল ৯২৮ ডলার। ২০১১-১২তে ৯৫৫ ডলার, ২০১২-১৩তে ১০৫৪ ডলার। ২০১৩-১৪তে ১১৮৪ ডলার, ২০১৪-১৫তে ১৩১৬ ডলার। ২০১৫-১৬তে ১৪৬৫ ডলার, ২০১৬-১৭তে ১৬১০ ডলার, ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ১৭৫১ ডলার এবং ২০১৮-১৯ অর্থবছরে যা ছিল ১৯০৯ ডলার।
এ দিকে, ২০৪১ সালের মধ্যে বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় দাঁড়াবে ১২ হাজার ৫০০ ডলারের বেশি। ওই সময়ে হতদরিদ্রের হার কমে শূন্যের ঘরে নেমে আসবে। সে সময় জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৯ দশমিক ৯ শতাংশ। রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে ‘বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রেক্ষিত পরিকল্পনা ২০২১-৪১’ শীর্ষক প্রতিবেদনে এ লক্ষ্য ঠিক করা হয়েছে।
অন্য দিকে, বিশ্বব্যাংকের হিসাব অনুযায়ী, মাথাপিছু আয়ের ভিত্তিতে নিম্ন আয়ের দেশে মাথাপিছু আয় হতে হয় কমপক্ষে ১০৪৫ ডলার, নিম্ন-মধ্যম আয়ের দেশে ১০৪৬ ডলার থেকে ৪১২৫ ডলার, উচ্চ-মধ্যম আয়-৪১২৬ ডলার থেকে ১২৭৪৫ ডলার, উচ্চ আয়ের দেশ হলে তাকে ১২৭৪৬ ডলারের বেশি মাথাপিছু আয় হতে হবে। প্রতি বছরের ১ জুলাই বিশ্বব্যাংক এ শ্রেণীকরণের তালিকা প্রকাশ করে থাকে। বাংলাদেশ বর্তমানে নি¤œ-মধ্যম আয়ের দেশের কাতারে উত্তীর্ণ হয়েছে।


আরো সংবাদ

বেসরকারি ব্যাংকে আতঙ্ক (২০৯৩৫)যুবলীগ নেত্রীর টর্চার সেল নিয়ে টঙ্গীতে তোলপাড় (১৩২৬১)আয়া সোফিয়া নিয়ে এবার খ্রিষ্টানদের উদ্দেশ্যে যা বলল তুরস্ক (৯০০২)স্ত্রীর সামনেই আত্মহত্যা করলেন আফগান ফেরত মার্কিন সৈন্য (৭৮৬৫)৮ হাজারের বেশি মুসলিম গণহত্যার যে বিচার ২৫ বছরেও হয়নি (৭৮৬১)যুক্তরাষ্ট্রের প্রতি চীনের হঠাৎ ‘আপস বার্তা’র নেপথ্যে (৬৯৫৮)শিক্ষকের যৌন হয়রানির ভিডিও ভাইরাল, সর্বত্র তোলপাড় (৬৩১৩)বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্নতার আশঙ্কা বাংলাদেশের সামনে? (৬০৯৬)বাংলাদেশীদের জন্য দরজা কেন বন্ধ করল ইতালি? (৫৯৯২)‘আয়া সুফিয়া’কে মসজিদ ঘোষণা এরদোগানের, আজান-তাকবিরে মুখরিত ইস্তাম্বুল (ভিডিও) (৫৯৬৪)