৩০ মার্চ ২০২০

মসজিদে মুসল্লি সীমিত রাখাসহ ৪ আহ্বান আলেমদের

-

করোনাভাইরাসের পরিস্থিতিতে মসজিদে জুমার নামাজ ও অন্যান্য জামাতে মুসল্লি উপস্থিতি সীমিত রাখা এবং করোনা সংক্রমণ থেকে ব্যক্তিগত সুরক্ষা ছাড়া মসজিদে না যেতে অনুরোধ জানিয়েছেন দেশের প্রখ্যাত আলেমরা।
গতকাল বুধবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক আনিস মাহমুদ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে গত মঙ্গলবার ইসলামিক ফাউন্ডেশনে আলেমদের সাথে বৈঠক এবং বৈঠকে অংশ নেয়া আলেমদের নাম উল্লেখ করে দুর্যোগকালীন সময় ইসলামের বিধিবিধান বিষয়ে তারা চারটি আহ্বান জানিয়েছেন মর্মে উল্লেখ করা হয়।
আহ্বানগুলো হলোÑ ১. করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে এবং মানুষের ব্যাপক মৃত্যুঝুঁকি থেকে সুরক্ষার জরুরি পদক্ষেপ হিসেবে সব ধরনের জনসমাগম বন্ধের পাশাপাশি মসজিদগুলোতে জুমা ও জামাতে মুসল্লিদের উপস্থিতি সীমিত রাখার আহ্বান জানানো হয়। ২. মসজিদ বন্ধ থাকবে না, তবে করোনা সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত না করে কেউ মসজিদে যাবেন না। ৩. সরকার ও বিশেষজ্ঞরা সতর্কতার জন্য যেসব নির্দেশনা দিয়েছেনÑ তা মেনে চলার জন্য জনগণকে অনুরোধ করা হলো। ৪. সবাই অপরাধমূলক কাজকর্ম থেকে বিরত হয়ে ব্যক্তিগতভাবে তওবা, ইস্তিগফার ও কুরআন তেলাওয়াত অব্যাহত রাখার আহ্বান জানানো হলো।
আল হাইআতুল উলয়া লিল জামিআতিল কওমিয়া বাংলাদেশের কো-চেয়ারম্যান আল্লামা আবদুল কুদ্দুস, মারকাযুত দাওয়ার শিক্ষা সচিব মুফতি মোহাম্মদ আবদুল মালেক, শায়খ জাকারিয়া ইসলামিক রিসার্চ সেন্টারের মহাপরিচালক মুফতি মীযানুর রহমান সাঈদ, মিরপুরের জামেয়া ইসলামিয়া দারুল উলুমের মুহতামিম মুফতি দিলাওয়ার হোসাইন, মাওলানা মাহফুজুল হক, মুফতি আব্দুল্লাহ, ঢাকা নেছারিয়া কামিল মাদরাসার প্রিন্সিপাল কাফীলুদ্দীন সরকার সালেহী প্রমুখ বৈঠকে অংশ নেন।
বৈঠকে অংশ নেয়া আলেমদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, মসজিদ বন্ধ করা হবে না। তবে মসজিদে নিয়মিত আজান হবে, জামাত হবে এবং তাতে ইমাম মোয়াজ্জিন এবং একেবারে মসজিদ সংলগ্ন যারা সম্পূর্ণ সুস্থবোধ করবেন তারা ব্যক্তিগত সুরক্ষা নিশ্চিত করে জামাতে অংশ নেবেন। বাকি সবাই নিজ নিজ ঘরে নামাজ আদায় করবেন। এর মাধ্যমেই মসজিদে মুসল্লি সীমিত করা বোঝানো হয়েছে।

 


আরো সংবাদ