০৫ এপ্রিল ২০২০

বিসিএসে প্রবেশে বয়সসীমা নিয়ে হাইকোর্টের রুল

-

বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের (বিসিএস) পরীায় প্রবেশের সর্বোচ্চ বয়স ৩২ বছর কেন করা হবে না, এ মর্মে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। একই সাথে বিসিএসএর বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের ‘বিধিমালা ২০১৪’ এর ১৪ বিধি কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছেন আদালত। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এক রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারপতি তারিক উল হাকিম ও বিচারপতি মো: ইকবাল কবিরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল রোববার এ রুল জারি করেন।
আদালতে রিটের পে শুনানি করেন ব্যারিস্টার এ বি এম আলতাফ হোসেন। রাষ্ট্রপে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অমিত দাস গুপ্ত।
২৬ জানুয়ারি ৩০ বছর পার হয়ে যাওয়ায় বিসিএস পরীায় অংশগ্রহণের সুযোগ থেকে বঞ্চিত বিজিত শিকদারসহ পাঁচ শিার্থীর পে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন এ রিট দায়ের করেন। রিটে বাংলাদেশ পাবলিক সার্ভিস কমিশনের নির্ধারিত বয়স, যোগ্যতা ও চাকরির আবেদনের বিধিমালা ২০১৪ এর ১৪ বিধিকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। এই বিধিতে বলা আছে যারা সাধারণ বিসিএস ক্যাডারে পরীা দেবে, তারা ৩০ বছর পর্যন্ত পরীা দিতে পারবে। অথচ বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত বাংলাদেশ জুডিশিয়াল সার্ভিস (বিজিএস) পরীায় ৩২ বছর পর্যন্ত আবেদনের সুযোগ রয়েছে। এ ছাড়া ওই ১৪ উপবিধি অনুসারে শিা ক্যাডারেও ৩২ বছর পর্যন্ত পরীা দেয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে।
আইনজীবী এ বি এম আলতাফ হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, জুডিশিয়াল সার্ভিস কমিশনের পরীায় প্রার্থীরা ৩২ বছর পর্যন্ত পরীা দেয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। অথচ সাধারণ বিসিএসে অংশগ্রহণকারী ৩০ বছর পর্যন্ত সুযোগ পাবেন। এটা সংবিধানের সঙ্গে সাংর্ঘষিক। তাই চাকরিতে প্রবেশের েেত্র যেন সবার সমান অধিকার নিশ্চিত হয়, সেজন্য রিট আবেদনটি দায়ের করি।


আরো সংবাদ