১৮ জুলাই ২০২৪, ৪ শ্রাবণ ১৪৩১, ১১ মহররম ১৪৪৬
`

নাজুর দেড় যুগ পার

-

নাজু আখন্দ, শ্রোতাপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী। ১৯৯৫ সালেই শিশুশিল্পী হিসেবে জাতীয় পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন। গানের ভুবনে দেখতে দেখতে পেশাগতভাবে তিনি ১৮ বছর অর্থাৎ দেড় যুগ সময় বেশ সফলতার সাথেই পার করেছেন। নাজুর ভাষ্যমতে, এখনো প্রতিনিয়ত গানের প্রতি সেই প্রথম দিনের মতোই পরম ভালোলাগা নিয়ে গান গেয়ে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিনের সঙ্গীত জীবনের পথচলায় চলচ্চিত্রে প্লে-ব্যাক করেছেন তিনি ২২৩টি গান। একজন সঙ্গীতশিল্পীর জন্য এটা অনেক বড় প্রাপ্তি। কারণ যেখানে অনেক সঙ্গীতশিল্পী একটি সিনেমায় গান গাওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করেন, সেখানে নাজু গান করেছেন ২২৩টি। চিরসবুজ কণ্ঠশিল্পী কুমার বিশ^জিতের সঙ্গে আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুলের কথা, সুর সঙ্গীতে ‘মায়ের সম্মান’ সিনেমাতে ২০০১ সালে প্রথম প্লে-ব্যাক করার মধ্যদিয়ে সঙ্গীতাঙ্গনে পেশাগতভাবে নাজুর যাত্রা শুরু। সিনেমায় তার সবচেয়ে জনপ্রিয় গান ‘সমাজকে বদলে দাও’ সিনেমার ‘আমার মানবজমিন চিরতরে দিয়া দিলাম তোরে’। গানটি লিখেছেন এবং সুরসঙ্গীত করেছিলেন আহমেদ ইমতিয়াজ বুলবুল। মান্না শাবনূর অভিনীত সিনেমার এই গানটি সেই সময় বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। গানটি সুরসঙ্গীত করেছেন সাজিদ সরকার। সিনেমার বাইরে নাজুর সবচেয়ে জনপ্রিয় গান হচ্ছে আহসান হাবিবের লেখা ও বাপ্পা মুজমদারের সুরসঙ্গীতে ‘আমায় হাত বাড়ালেই যায় না ছোঁয়া’ গানটি। এই গানের জন্য তিনি ২০০৯ সালে সিটিসেল চ্যানেল আই মিউজিক অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছিলেন পপুলার চয়েজ ক্যাটাগরিতে। গানে নাজুর হাতেখড়ি তারই মা তাহমিনা হাবিবের কাছে। পরবর্তীতে তিনি ওস্তাদ সালাহ উদ্দিনের কাছে নজরুলসঙ্গীত, ক্ল্যাসিক্যালে হাতেখড়ি গোবিন্দ গোস্বামীর কাছে। অবশ্য ক্ল্যাসিক্যালে পরবর্তীতেও তালিম নেন সঞ্জীব দে ও লিউ এ জে বারৈর কাছে। এ দিকে নাজু আখন্দের জন্মদিন। নাজু আখন্দ বলেন, ‘গানে আমার আদর্শ আমার মা। আমার সবচেয়ে প্রিয় শিল্পী মরহুম শাহনাজ রহমতুল্লাহ ম্যাডাম।


আরো সংবাদ



premium cement