০৭ মার্চ ২০২১
`

এসএসসি’র সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ওয়েবসাইটে প্রকাশ হচ্ছে সোমবার

এসএসসি’র সংক্ষিপ্ত সিলেবাস ওয়েবসাইটে প্রকাশ হচ্ছে সোমবার - ছবি - সংগৃহীত

২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে। সেই সিলেবাস শেষ করতে শিক্ষার্থীদের তিন থেকে চার মাস শ্রেণিকক্ষে আসতে হবে। এসএসসিতে সিলেবাস কতটুকু কমবে তা জানা যাবে সোমবার । এইচএসসি’র সিলেবাস জানা যাবে ২৮ জানুয়ারি (বৃহস্পতিবার)।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের তৈরি করা সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নিয়ে সোমবার (২৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিবের নেতৃত্বে সভা হবে। সেখানে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস চূড়ান্ত হবে। এরপর সেই সিলেবাস আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করা ঢাকা শিক্ষাবোর্ডে পাঠানোর পর বোর্ড সেটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে আন্তঃশিক্ষা বোর্ডের সমন্বয়ক ও ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর নেহাল আহমেদ বলেন, সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রায় চূড়ান্ত। সোমবার এটি পাব। পাওয়া মাত্রই সেটি ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে এবং এইচএসসি’র সিলেবাসও এ মাসের মধ্যে প্রকাশ করা হবে।

করোনার কারণে ২০২১ সালের এসএসসি-এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে নেয়া হবে বলে জানিয়ে রোববার শিক্ষামন্ত্রী সংসদে বলেন, এটি শিগরিগই প্রকাশ হবে এবং সেই সিলেবাসের ওপর শিক্ষার্থীদের তিন-চার মাস ক্লাসে পাঠদান করানো হবে। এর আগে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডকে (এনসিটিবি) দায়িত্ব দেয়া হয়।

এনসিটিবি এ সংক্ষিপ্ত সিলেবাস করার লক্ষ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকে বিষয়ভিত্তিক শিক্ষক-কর্মকর্তা, বিশেষজ্ঞদের মতামত নিতে মাসব্যাপী কর্মশালা করা হয়। সেখানে দেশের নামিদামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, বাচাই করা জেলা শিক্ষা, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নেওয়া হয়। তাদের মতামতের ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় অধ্যায়গুলো রেখে একটি সংক্ষিপ্ত সিলেবাস প্রণয়ন করা হয়েছে। সেটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে গত ১৭ জানুয়ারি তুলে দিয়েছে এনসিটিবি। সে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস নিয়ে কথা বলবেন শিক্ষামন্ত্রী।

জানা গেছে, মাধ্যমিকে সব বিভাগের মোট ২৬ বিষয়ের ওপর কর্মশালা হয়। সে বিষয়গুলো গড়ে ২৫ থেকে ৩০ শতাংশ নিয়ে সিলেবাস করা হয়েছে। সব বিষয়ে সমান বলা যাবে না। কারণ একেক বিষয়ে একের ধরনের পাঠ কমেছে।

এ ব্যাপারে এনসিটিবির (র্ঊধ্বতন বিশেষজ্ঞ) সৈয়দ মাহফুজ আলী বলেন, বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতে প্রতিটি বিষয়ের সিলেবাস থেকে গড়ে ২০ থেকে ৩০ শতাংশ কমিয়ে সংক্ষিপ্ত সিলেবাস তৈরি করেছি। যেসব বিষয়গুলো না শিখলেই নয় সেগুলো সিলেবাসে রাখা হয়েছে।



আরো সংবাদ