০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১৯ মাঘ ১৪২৯, ১০ রজব ১৪৪৪
ads
`
জলকপাট আ’লীগ নেতাদের নিয়ন্ত্রণে

আমন ও তরমুজ নিয়ে কেন আশঙ্কা?

-

একটি সহযোগী জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত খবর মোতাবেক, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে পটুয়াখালী জেলার রাঙ্গাবালীতে জলকপাট ব্যবহারের ক্ষেত্রে ব্যাপক অনিয়ম ও স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ। কপাটগুলো নির্ধারিত কাজ হিসেবে কৃষিতে ব্যবহৃত না হয়ে মাছ ধরার কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে। ক্ষেতে বঙ্গোপসাগরের লোনা বা লবণাক্ত পানি উঠিয়ে কখনো সেটিকে তলিয়ে দিয়ে, কোনো সময়ে শুকিয়ে মারা হয় গোটা এলাকার ফসলি জমিকে। ফলে এখানে আমন ধানের বিরাট ক্ষতি হয়ে গেছে। প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, প্রত্যাশিত ফসল থেকে বঞ্চিত হচ্ছে কৃষকসমাজ। লোনা পানিতে এক দিকে আমন ফসল থেকে বঞ্চিত, অন্য দিকে এখন তরমুজ চাষও বন্ধ হওয়ার দশা।
জানা গেছে, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের (বাপাউবো) আওতাধীন, উপকূলীয় এলাকায় বেড়িবাঁধের উপরে নির্মিত, এসব জলকপাট কেবল কৃষিকাজেই ব্যবহার করার কথা রয়েছে। পটুয়াখালী জেলায় রাঙ্গাবালী উপজেলার বড় বাইশদিয়া ইউনিয়নের চরগঙ্গা বাঁধঘাট ও টুঙ্গী বাড়িয়া জলকপাটের আওতায় রয়েছে কম করে হলেও দু’হাজার একর ফসলি জমি। ফসলের মৌসুমে সময়মতো দরকারি পানি তোলা নামা করাই জলকপাটের কাজ। এ জন্য নির্দিষ্ট কোনো লোক না থাকায় গত বছর ২০২১ হতে কৃষকের পক্ষে পানি সময়মাফিক ফসলের ক্ষেতে উঠানো নামানোর জন্য কর্তৃপক্ষ লোক নিয়োগ করে। ফলে তাদের দ্বারা জলকপাট পরিচালিত হওয়ায় এর আওতাভুক্ত স্থানীয় জমিগুলোতে বাম্পার ফলন হয়েছে ফসলের। কিন্তু এবার স্থানীয় কয়েকজন ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতা ও কর্মী জোরপূর্বক এসব জলকপাট দখল করে কৃষক কিংবা কৃষিকাজের কোনো প্রকার তোয়াক্কা না করেই নিজেদের খেয়াল খুশিমাফিক পানি ক্ষেতে তোলা নামা করান। তদুপরি, তারা জাল পেতে মাছও ধরেছেন। কিন্তু এসব অন্যায় দেখেও তাদের ভয়ে কেউ মুখ খুলতে পারেন না। এ জন্য কোনো চাষিই প্রতিবাদের সাহস পান না। চাষিদের অভিযোগ হচ্ছে, ধান বের হওয়ার ঠিক এ সময়ে জলকপাট দিয়ে ক্ষেতের পানি নামিয়ে দেয়ায় কাটাখালী বিলে অন্তত এক হাজার একর জমির পানি শুকিয়ে গেছে। অথচ পানি ছাড়া জমির ধান বের হতে পারছে না। চাষিদের ফসল থেকে এবার বঞ্চিত হওয়ার শঙ্কা এড়ানো হয়তো যাবে না। অপর দিকে বিশেষত, চরগঙ্গা বাঁধের ঘাটের জলকপাট দিয়ে লোনা পানি উঠানো নামানো চলছেই। ফলে তরমুজের স্থানীয় উৎপাদকরাও বিষম বিপাকে পড়েছে।
কাটাখালীর কৃষক, সাবেক ইউপি মেম্বার মো: হেলাল, কৃষক ছোবাহান ও বাবুলসমেত অর্ধশতাধিক কৃষক বলেছেন, নিষেধ বারবার করেও এসব অপশক্তি ঠেকানো যাচ্ছে না। তাই চাষিরা এখন অসহায়। ‘আমাদের গবাদিসহ এবং হাঁস-মুরগি নদীর পানি খাচ্ছে। তাহলে আমরা কোথায় যাবো, কার কাছে অভিযোগ করব?’ সরকারের কাছে জোর দাবি, ক্ষেতে লবণ পানির আগ্রাসন বন্ধ করুন। অন্যথায় ফসল ফলানো যাবে না।
সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ যথাসময়ে যথাবিহিত ব্যবস্থা নেবেন বলে আমরা আশা করছি। তা না হলে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাবে।


আরো সংবাদ


premium cement
ঢাবির শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই শর্তসাপেক্ষে ‘ফারাজ’ চলচ্চিত্র মুক্তির অনুমতি দিয়েছে দিল্লি হাইকোর্ট গাজায় ফের ইসরাইলি বিমান হামলা আশুগঞ্জে ঘরের সিঁধ কেটে মা ও ২ সন্তানকে কুপিয়ে জখম শেয়ার বাজারে শেষ ৯ দিনে একটানা দরপতন আদানি শেয়ারের ইউক্রেন পৌঁছেছেন ইইউ প্রধান এলপিজির দাম বাড়লো আরো ২৬৬ টাকা সামরিক ঘাঁটিতে আরো বেশি মার্কিন প্রবেশ দিতে সম্মত ফিলিপাইন বিভাগীয় সমাবেশ উপলক্ষে ঠাকুরগাঁওয়ে বিএনপির বর্ধিত সভা সরকার অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে গণতন্ত্রকে ধ্বংস করে দিয়েছে : মির্জা ফখরুল ৮৫০ দিন পর মুক্তি পেলেন সেই ভারতীয় মুসলিম সাংবাদিক

সকল