২৮ অক্টোবর ২০২১
`

ব্যক্তিগত অভ্যাস পরিবর্তনে ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়া সম্ভব : জ্বালানি উপদেষ্টা


প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী বলেছেন, ব্যক্তিগত অভ্যাস পরিবর্তনের মাধ্যমে ৫০ ভাগ বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী হওয়া সম্ভব। সরকারের সিদ্ধান্ত আছে এসির তাপমাত্রা ২৮ ডিগ্রি রাখার। এক্ষেত্রে আমরা মোটেই সচেতন না। অনেক সময় আমরা ঘরে কেউ না থাকলেও এসি, লাইট জ্বালিয়ে রাখি। সরকারি ভবনেই এমনটা বেশি দেখা যায়। আমাদের মিতব্যয়ি হতে হবে। এসির ক্ষেত্রে সরকারের সিদ্ধান্ত মানলে আর বের হওয়ার সময় সুইচ বন্ধ করলে এমনিতেই বিদ্যুৎ খরচ কমে যাবে।

অ্যানার্জি অ্যান্ড পাওয়ার আয়োজিত ‘অ্যানার্জি এফিসিয়েন্সি ইন পাবলিক বিল্ডিংস’ শীর্ষক ভার্চুয়াল অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্রেডা ও জিআইজেডের সহায়তায় ইপি টকসে মোল্লাহ আমজাদ হোসেনের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত সচিব এবং সাসটেনেবল অ্যান্ড রিনিয়েবল অ্যানার্জি ডেভলপমেন্ট অথরিটির (স্রেডা) চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলাউদ্দিন, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো: সাইফুল্লাহিল আজম।

আলোচ্য বিষয়ের ওপর মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সেড্রার সদস্য (অ্যানার্জি এফিসিয়েন্সি অ্যান্ড কনজারভেশন) ফারজানা মমতাজ। প্যানেলিস্ট হিসেবে কথা বলেছেন, বুয়েটের মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের প্রফেসর ড. জহরুল হক ও গণপূর্ত বিভাগের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক।

ড. তৌফিক ই এলাহী চৌধুরী আরও বলেন, এনার্জি এফিশিয়েন্সি নিয়ে কারিগরি বিষয়ে সমাধান ধাপে ধাপে করতে হবে। যেমন ২০১০ সালে আমাদের উদ্যোগে সারাদেশে প্রায় দেড় কোটি সিএফএল বাল্ব বিনামূল্যে সরবরাহ করা হয়েছিল। আসলে সচেতনতা তৈরি করতেই এমন উদ্যোগ। তিনি বলেন, আমরা প্রধানমন্ত্রীর উদাহরণ অনুসরণ করে ঘর থেকে বের হওয়ার আগে নিজ হাতে এসি লাইটের সুইচ বন্ধ করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন তৈরিতে পূর্ণ সহায়তা করবে। বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। তারাও যেন এমন ভবন তৈরিতে এগিয়ে আসে। সেখানেও সরকারি সবরকমের সহযোগিতা থাকবে।

মূল প্রবন্ধে ফারজানা মমতাজ বলেন, বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ভবন নিয়ে স্রেডা একটা নিরীক্ষা কার্যক্রম শেষ করেছে। সরকার ২০২১ সালে ১৫% আর ২০৩০ সালের মধ্যে ২০% বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী ব্যবস্থা চালুর পরিকল্পনা করেছে। শুধুমাত্র আবাসিক খাত বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী করা গেলে প্রায় ২৯% জ্বালানি সাশ্রয় করা সম্ভব। মোহাম্মদ আলাউদ্দিন বলেন, ভবনগুলোকে জ্বালানি দক্ষ করা একটি বড় কাজ। প্রাথমিক পর্যায়ে পাবলিক বিল্ডিংকে জ্বালানি দক্ষ করার উদ্যোগ হিসাবে ১২টি ভবনে সমীক্ষা করা হয়েছে।

সাইফুল্লাহিল আজম বলেন, আলোচ্য বিষয় আমার জন্য নতুন হলেও দেশের হাসপাতালগুলোকে জ্বালানি দক্ষ করার জন্য উদ্যোগ নেওয়ার চেষ্টা করবো। এটার প্রথম উদ্যোগ হিসাবে সচিবের সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ঢাকায় একটি পাবলিক হাসপাতালকে পাইলট হিসাবে জ্বালানি দক্ষ করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

প্রফেসর ড. জহুরুল হক বলেন, কনভেনশনাল ফ্যানের পরিবর্তে বিএলডিসি ফ্যান ব্যবহারের সুপারিশ করা হচ্ছে। ইঞ্জিনিয়ার আশরাফুল হক বলেন, গণপূর্ত অধিদফতর গ্রিন অ্যানার্জি সম্পর্কে যথেষ্ট সচেতন। বর্তমানে সেকথা মাথায় রেখেই ভবন তৈরি করা হচ্ছে। অ্যানার্জি ব্যবহারে কার্বন নিঃসরণ যাতে কম হয় সে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।
সূত্র : বাসস



আরো সংবাদ


সাইফউদ্দিনের বিশ্বকাপ শেষ, দলে ফিরলেন রুবেল (২৪১৭৬)প্রয়োজনে সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে প্রস্তুত থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর (১৭৪০৭)কাঁচপুরের বিশাল কারখানা বন্ধের পেছনে কারণ কী? (১৪৪৮৪)কেন ওভারটোন সেতুতে আত্মহত্যা করে কুকুররা (১৩৬২১)স্ত্রীকে বিক্রি করে স্মার্টফোন কিনল নাবালক স্বামী! (১২৫৩৮)পাকিস্তান জেতায় লাভ ভারতীয়দের! (১১৩৩৩)ওয়াকার ইউনিসের মন্তব্যে ক্ষুব্ধ ভারতীয় সাবেক ক্রিকেটার (৭৯৫৪)নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের জয়ে ভারত আরো চাপে! (৭৬৭৪)ভারতে ফের ডুবোজাহাজের তথ্যপাচার, ৩ নৌ-কর্মকর্তা গ্রেফতার (৬৭৩৯)নির্বাচনের বিষয়ে বাংলাদেশের মানুষ সিদ্ধান্ত নেবেন : ডিকসন (৬৬৬৪)