১৫ এপ্রিল ২০২১
`

ঢাকাসহ সারাদেশের সরকারিভাবে ভ্রাম্যমাণ দুধ ডিম গোশত বিক্রয় শুরু

-

চলমান করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ পদ্ধতিতে ‘ন্যায্যমূল্যে’ দুধ, ডিম ও গোশত বিক্রয় শুরু হয়েছে।

বুধবার সারাদেশে এ কার্যক্রম শুরু হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিন রাজধানীর সচিবালয় গেট, খামাবাড়ি, মিরপুর-১০, গোল চক্কর ও ধানমন্ডি এলাকায় ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এ কার্যক্রমের প্রথম দিনে রাজধানীতে এক হাজার ২০০ লিটার দুধ বিক্রি করা হয়েছে।

করোনার এ পরিস্থিতিতে ক্রমান্বয়ে ঢাকার ১০টি স্থানে ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনসহ প্রান্তিক খামারিদের সম্পৃক্ত করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় অব্যাহত রাখার পরিকল্পনা নিয়েছে ঢাকা জেলা প্রাণিসম্পদ দফতর। পাশাপাশি দেশের সকল জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের উদ্যোগে দুধ, ডিম, ও গোশতের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চলমান থাকবে। ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের মাধ্যমে খামারিরা ন্যায্যমূল্যে সরাসরি ভোক্তাদের কাছে দুধ, ডিম ও গোশত বিক্রির সুযোগ পাবে।

গত মঙ্গলবার বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে সারাদেশের কর্মকর্তাদের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় চালুর নির্দেশ দেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এসময় তিনি বলেন, ‘আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে মানুষের মাছ, গোশত, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যারাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। গতবছর এ খাতের সঙ্কট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে।
বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এ বছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সভায় সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দিয়েছেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় জানায়, গতবছর করোনা সঙ্কটে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, গোশত, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমাণ ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।



আরো সংবাদ


কোহলিকে সরিয়ে শীর্ষে বাবর আজম খালেদা জিয়ার সুস্থতা কামনা করে জাপানের রাষ্ট্রদূত ও পাকিস্তান হাইকমিশনারের চিঠি করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে আবারো ২৫০০ টাকা করে দেয়ার উদ্যোগ আলোচনা দীর্ঘায়িত করা ক্ষতিকর হবে : খামেনি বেঙ্গালুরুর টানা দ্বিতীয় জয় বাবর ধামাকায় পাকিস্তানের রেকর্ড গড়া জয় রাহুল গান্ধীর হুঁশিয়ারি : বিজেপি এলে পশ্চিমবঙ্গ জ্বলবে করোনায় মৃত্যুতে নতুন রেকর্ডে কঠোর লকডাউন শুরু গোবিন্দগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৩ জনসহ নিহত ৪ অ্যাকাউন্ট হ্যাক করে অনৈতিক কাজের অভিযোগে কালিয়াকৈরে যুবক আটক দুর্নীতির অভিযোগে ৮ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ক্রিকেটার হিথ স্ট্রিক

সকল