২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১
`

ভারত থেকে হিলি দিয়ে চাল আমদানি আবারো বন্ধ

-

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে ভারত থেকে চাল আমদানি হলেও তা আবারো বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে গত বুধবার থেকে দেশে কোনো চালের চালান বন্দরে আসেনি।

এর আগে গত মঙ্গলবার পর্যন্ত দুই হাজার ১৩৩ মেট্রিকটন চাল এই বন্দর দিয়ে আমদানি করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, দেশে চাল আমদানির ক্ষেত্রে চালের এইচএস কোড বিন্যাস সঠিক না হওয়ায় এই জটিলতা সৃষ্টি হয়েছে। একারণে দেশে চাল আমদানি বন্ধ হয়ে গেছে।

বন্দরের আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান জানান, কোনো দেশ থেকে বাংলাদেশে সিদ্ধ চাল (নন-বাসমতি) আমদানি করতে হলে ১০০৬.২০-০০ এই নম্বর বিশিষ্ট এইচএস কোডে (হারমোনাইসড সিস্টেম) আমদানি করতে হয়। যা পণ্য শনাক্তকরণ কোডও বলা হয়। সে অনুয়ায়ী, হিলি স্থলবন্দর দিয়ে আমদানিকারকেরা ভারত থেকে ওই এইচএস কোডে চাল আমদানি করছেন। কিন্তু গত মঙ্গলবার ভারতের চাল রফতানিকারক ব্যবসায়ীরা আমাদের জানিয়েছেন তাদের দেশের সরকার ১০০৬.৩০.৯০ এই এইচএস কোড ছাড়া চাল রফতানি করবে না। ফলে পূর্বের ১০০৬.২০-০০ এই এইচএস কোড অকার্যকর হয়ে যাওয়ায় গত বুধবার থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে দেশে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে। তবে বিষয়টি সমাধানে ভারতের ব্যবসায়ীদের সাথে আলোচনা চলছে।

বন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট সেরেগুল ইসলাম বলেন, ‘বর্তমানে যে এইচএস কোডের মাধ্যমে ভারত থেকে চাল আমদানি করা হয়েছে এবং এখন যে এইচএস কোডের মাধ্যমে আমদানির কথা বলা হচ্ছে তা প্রায় একই এইচএস কোড। এই দুই এইচএস কোডের মধ্যে তেমন কোনো পার্থক্য নেই। সবই সিদ্ধ চাল এবং একই মানের। কিন্তু ভারত সরকার চালের রফতানি মূল্য বাড়ানোর জন্য এই কৌশল করছে। কারণ এর আগেও দেশের স্থলবন্দরগুলো দিয়ে গম আমদানি করা হচ্ছিল। পরে স্থলবন্দর দিয়ে গম রফতানি বন্ধ করে দিয়ে তারা তাদের পছন্দের লোকদের দিয়ে সমুদ্রপথে রফতানি শুরু করে। যাতে অন্য কেউ ব্যবসা করতে না পারে। চালের ক্ষেত্রেও তারা এই পথে হাঁটছেন। বিষয়টি নিয়ে আমরা চিন্তিত।’

এদিকে বন্দরের বেসরকারি অপারেটর পানামা হিলি পোর্টের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন মল্লিক জানান, এই বন্দর দিয়ে গত ৯-১২ জানুয়ারি পর্যন্ত ভারত থেকে ৫৪টি ট্রাকে মোট ২,১৩৩ মেট্রিকটন সিদ্ধ চাল আমদানি করা হয়েছে। এরপর থেকে চাল আমদানি বন্ধ রয়েছে।

দীর্ঘ ১৯-২০ মাস পর গত ৯ জানুয়ারি থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু হয়। আমদানিকারকেরা প্রতি মেট্রিকটন নন-বাসমতি চাল ৩৫৬ ডলারে আমদানি করেন। এর ফলে বন্দরে ব্যবসায়ী, সিএন্ডএফ এজেন্ট ও কুলি-শ্রমিকদের মধ্যে কর্মচাঞ্চল্যতা শুরু হয়।

সম্প্রতি দেশে চালের বাজারে দামের উর্ধ্বগতি ঠেকাতে সরকার ভারত থেকে বেসরকারি খাতে চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। এর ফলে হিলিসহ দেশের বিভিন্ন এলাকার আমদানিকারকেরা ভারত থেকে চাল আমদানি শুরু করে।

সূত্র : ইউএনবি



আরো সংবাদ


চাঁদপুরে ট্রাক-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ১ কার্টুনিস্ট কিশোরের রিমান্ড নামঞ্জুর মাওলানা হাবিবুর রহমানের ইন্তেকালে জামায়াত আমীরের শোক দুই কাউন্সিলর প্রার্থীর সমর্থকদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, নিহত ১ ফতুল্লায় ৪ বাল্কহেড শ্রমিক হত্যা : ২ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৯ জনের যাবজ্জীবন তাড়াশে গ্রামের দু’পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৩৭ কোভিড-১৯ এক-দুই বছরের মধ্যে মৌসুমি রোগে পরিণত হতে পারে : বিশেষজ্ঞ সরকার দক্ষ জনশক্তি গড়ে তুলতে শিক্ষাকে বহুমাত্রিক করতে কাজ করছে : প্রধানমন্ত্রী পাঁচ বছর পর দেশে সিনেমা হলের সংখ্যা দ্বিগুণ হবে : তথ্যমন্ত্রী ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌরসভা নির্বাচন : বিএনপির এজেন্টদের বের করে দেয়ার অভিযোগ জাতিসঙ্ঘে মিয়ানমারের দূতকে বরখাস্ত সামরিক বাহিনীর, আত্মগোপনে পরিবার

সকল