২২ অক্টোবর ২০২০, ৭ কার্তিক ১৪২৪, ১ সফর ১৪৩৯

চলতি মাসেই পোশাক শ্রমিক ছাঁটাই শুরু হবে : রুবানা হক

রুবানা হক - ছবি : সংগৃহীত

করোনা পরিস্থিতিতে সারা বিশ্বেই ভোক্তার চাহিদা কমে যাচ্ছে। সেইসাথে পোশাক কারখানার কাজও কমেছে ৫৫ শতাংশ। এমন অবস্থায় জুন থেকেই শ্রমিকদের ছাঁটাই করা হবে বলে জানিয়েছেন বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক।

বৃহস্পতিবার শ্রমিকদের করোনাভাইরাস পরীক্ষার জন্য দেশের প্রথম স্টেট অব দ্য আর্ট কভিড-১৯ ল্যাব উদ্বোধন উপলক্ষে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান তিনি। এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আব্দুস সালাম, এফবিসিসিআই ও বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি সফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন (এমপি), ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ)-এর সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী, বিজিএমইএ’র সাবেক সভাপতি আব্দুস সালাম মুর্শেদী (এমপি), ডায়াবেটিক অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (বাডাস)-এর সভাপতি প্রফেসর ডাক্তার এ কে আজাদ খান।

বিজিএমইএ সভাপতি রুবানা হক এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, এই পর্যন্ত ২৬৪ জন পোশাক শ্রমিক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এসব শ্রমিকদের সব ধরনের চিকিৎসার খরচ বহন করছেন উদ্যোক্তারা।

শ্রমিক ছাঁটাই একটি অনাকাঙ্ক্ষিত বাস্তবতা উল্লেখ করে রুবানা হক বলেন, ‘কিন্তু করার কিছু নেই। কারণ, শতকরা ৫৫ শতাংশ ক্যাপাসিটিতে ফ্যাক্টরি চলছে।’ আমাদের ছাঁটাই ছাড়া কোনো উপায় দেখছি না বলেও মন্তব্য করেন তিনি। তবে এ অবস্থা বদলেও যেতে পারে। তখন ছাঁটাই হওয়া শ্রমিকরাই কাজে যোগ দেয়ার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, ‘জুলাইতে কী হবে বলা যাচ্ছে না। সেই সময় আমাদের আরো বড় ধাক্কা খেতে হবে। এটি অপ্রত্যাশিত কিছু নয়।’

তিনি বলেন, ‘করোনার এই সময়ে প্রায় ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানির ক্রয়াদেশ বাতিল হয়েছে। এরমধ্যে ২৬ শতাংশ ফেরত এসেছে। তবে যারা ফেরত এসেছেন তারা আবার বিভিন্ন শর্ত দিচ্ছেন।’

বিশ্বে ভোক্তার চাহিদা কমে যাচ্ছে বলে বিভিন্ন সংস্থার বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘আগামীতে ৬৫ শতাংশ চাহিদা কমে যাবে।’ তাই পোশাকের চাহিদা বাড়ার তেমন সম্ভাবনা কম বলেও জানান তিনি। অর্থাৎ দেশের পোশাক কারখানাও ৫৫ শতাংশ কমে যাবে। এক সাংবাদিকের আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘করোনা মোকাবিলায় এখন মানুষ সুস্বাস্থ্যের প্রতি গুরুত্ব দিচ্ছে বেশি। ফলে শতকরা ৬৫ শতাংশ অর্ডার কমে যাচ্ছে। চীন থেকে ৫৫ ভাগ বিনিয়োগ তুলে নিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বাংলাদেশ থেকে দুই শতাংশ কমিয়েছে।’

রুবানা হক বলেন, ‘৪২ হাজার কোটি টাকা মার্চ থেকে মে পর্যন্ত ক্ষতি হবে। করোনায় দেশের ৯৯ শতাংশ পোশাক কারখানার ৫৫ শতাংশ ক্যাপাসিটি দিয়ে চালাতে হবে। জুনে কারখানাগুলোতে ৩০ শতাংশ কাজ হবে।’ তবে যাই ঘটুক, চলতি অর্থবছরে পোশাক খাতে রফতানি আয় ২৩ বিলিয়ন ডলার হবে বলে প্রত্যাশা করেন তিনি।


আরো সংবাদ

বক্তব্য প্রত্যাহার ও ক্ষমা চাইতে ঢাবির সেই অধ্যাপককে নোটিশ দাগনভূঁঞায় ইসলামী ব্যাংক এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের ২৮ লাখ টাকা ছিনতাই রুহুল আমিন গাজীকে গ্রেফতারে বিএনপির নিন্দা গাজীপুরে গার্মেন্টসকর্মী গণধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ৩ আড়াইহাজারে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে নারীর মৃত্যু হাসপাতালকে দালালমুক্ত রাখার নির্দেশ প্রতিমন্ত্রীর আগুনমুখা নদীতে স্পিডবোট ডুবি, নিখোঁজ ২ ফ্রিজে রাখা এক বছরের পুরনো নুডলস খেয়ে ৯ জনের মৃত্যু নাগর্নো-কারাবাখের বেশ কিছু অঞ্চল আজারবাইজানের দখলে খালেদা জিয়া ও রিজভীর সুস্থতা কামনায় স্বাধীনতা ফোরামের দোয়া মাহফিল বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে কটূক্তি, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

সকল