১২ জুলাই ২০২০

এপ্রিলে সরবরাহ চেইন ছিল স্থবির

করোনার কারণে লকডাউনে এপ্রিল মাসে দেশে মূল্যস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ সে সময়ে খাদ্যপণ্যের সরবরাহ চেইনে স্থবিরতা আসে। প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কারণে মে মাসে সরবরাহ চেইনে স্বাভাবিক ফিরে আসে। যার জন্য মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার কমে ৫ দশমিক ৩৫ শতাংশ হয়। সেখানে এপ্রিলে ছিল ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ বলে পরিসংখ্যান ব্যুরো জানিয়েছে।

শেরেবাংলা নগরস্থ এসইসি-সম্মেলন কক্ষে মঙ্গলবার ভার্চুয়াল একনেক সভা শেষে এক ব্রিফিংএ বিবিএস মহাপরিচালক মো. তাজুল ইসলাম এই ব্যাখ্যাসহ তথ্য প্রদান করেন। ব্রিফিংয়ে মূল্যস্ফীতির মূল তথ্য প্রদান করেন পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান। এসব পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সচিব ও কমিশনের সব সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিবিএস বলছে, খাদ্যপণ্য ছাড়াও খাদ্য বহির্ভূত পণ্যেও মে মাসে কমেছে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার। এছাড়া খাদ্যপণ্যের মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৫ দশমিক ০৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিল ৫ দশমিক ৯৬ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মে মাসে মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। গত মে মাসে গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক শূন্য ৮ শতাংশ। খাদ্য মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ৫ দশমিক ৬১ শতাংশ। যা গত মাসে ছিল ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যে মূল্যস্ফীতির হার ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। যা এপ্রিল মাসে ছিল ৫ দশমিক ৯২ শতাংশ।

অন্যদিকে, মে মাসে শহরে সার্বিক মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির হার ছিল ৪ দশমিক ৮১ শতাংশ। যা এপ্রিলে ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ ছিল। এছাড়া খাদ্য পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৩ দশমিক ৯৪ শতাংশ। যা গত মাসে ছিল ৫ দশমিক ৭৩ শতাংশ। আর খাদ্য বহির্ভূত পণ্যের মূল্যস্ফীতি ৫ দশমিক ৭৯ শতাংশ। যা এপ্রিলে ছিল ৬ দশমিক ২০ শতাংশ।

মূল্যস্ফীতি প্রসঙ্গে পরিকল্পনামন্ত্রী এমএ মান্নান বলেন, করোনাভাইরাস সংকটের মধ্যেও প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমাদের সাপ্লাই চেইন ভালো ছিল। তাছাড়া চাল, সবজিসহ সব কৃষি পণ্যের উৎপাদন ভালো হয়েছে। লকডাউনে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গসহ দেশের সবখান থেকেই পণ্য ঢাকায় এসেছে। ফলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে কম দামেই পণ্য বিক্রি হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী খাদ্যপণ্যে গাড়ি চলাচলের ক্ষেত্রে বিধি আরোপ করেননি।

এক প্রশ্নের জবাবে বিবিএস মহাপরিচালক তাজুল ইসলাম বলেন, সাধারণত প্রতি মাসের ১২ থেকে ১৮ তারিখের মধ্যেই বাজার থেকে পণ্যমূল্যের হিসাব নেয়া হয়। তাই এপ্রিল মাসে ব্যাপক মূল্যস্ফীতি হয়েছে। কেননা মার্চ থেকে থেকে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত লকডাউন কড়াকড়ি ছিল। পরবর্তীতে পণ্য সরবরাহ স্বাভাবিক হওয়ায় মূল্যস্ফীতি কমে এসেছে।


আরো সংবাদ

করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অভিবাসীদের পুনর্বাসনে ২০০কোটি টাকার ‘সমঝোতা’ ডা. সাবরিনা বরখাস্ত, স্বাস্থ্য ডিজিকে কারণ দর্শানোর নোটিশ বাবাকে ফাঁসাতে যেয়ে ফেঁসে গেল পুত্র ও পুত্রবধূ পরকীয়ার জেরে স্ত্রীর প্রেমিককে খুন, স্বামীর স্বীকারোক্তি চট্টগ্রামে পাহাড় কাটার অভিযোগে একজনের কারাদণ্ড একটার পর একটা কেলেঙ্কারি ধরা পড়ছে বাংলাদেশে নান্দাইলে দুই ভূয়া আয়ুর্বেদিক চিকিৎসকের কারাদণ্ড বরিশালে চার হাজার ছাড়ালো করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ঢেউয়ের সাথে যুদ্ধ করে দিন কাটাচ্ছে শঙ্কিত হাওরবাসী সুন্দরগঞ্জে বন্যায় ফের পানিবন্দী ১০ হাজার পরিবার ‘কোরবানীর চামড়া নিয়ে কোন চক্রান্ত মেনে নেয়া হবে না’

সকল