৩০ মে ২০২০

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া কলকারখানাগুলো সচল রাখতে বাধা নেই

করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ব্যবস্থা নেয়া কলকারখানাগুলো সচল রাখতে বাধা নেই - সংগৃহীত

যে সকল রফতানিমুখী শিল্পপ্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ক্রয় আদেশ বহাল রয়েছে এবং করোনাভাইরাস প্রতিরোধের ব্যবস্থা রয়েছে সে সকল কলকারখানা বন্ধের বিযয়ে সরকার কোনো নির্দেশনা প্রদান করেনি। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআর কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে প্রতিপালন সাপেক্ষে মালিকরা এসব (উল্লেখিত) প্রয়োজনবোধে বর্ণিত কলকারখানা সচল রাখতে পারবেন বলে জানিয়েছে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধিনস্থ কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতর। শুক্রবার কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফরের মহাপরিদর্শক স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত একটি পত্র জারি করা হয়েছে। পত্রটি সকল মালিক ও শ্রমিক সংগঠনকে প্রেরণ করা হয়েছে।

পত্রে উল্লেখ করা হয়েছে,‘শিল্প কারখানা বন্ধের বিষয়ে কিছু প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় বিভিন্নমুখী বক্তব্য প্রচারিত হচ্ছে। এতে করে কারখানা মালিকরা শিল্প কারখানা চালু রাখার বিষয়ে দ্বিধাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। যেসকল রফতানিমুখি শিল্প প্রতিষ্ঠানে আন্তর্জাতিক ক্রয় আদেশ বহাল রয়েছে এবং করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে জরুরি অপরিহার্য পণ্য পার্সোনাল প্রোটেকটিভ ইক্যুপমেন্ট, মাক্স, গ্লাভস, হ্যান্ড ওয়াস/স্যানিটাইজার, ওষুধ ইত্যাদির উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রয়েছে সেসকল কলকারখানা বন্ধের বিযয়ে সরকার কোনো নির্দেশনা প্রদান করেনি। স্বাস্থ্য অধিদফতর ও আইইডিসিআর কর্তৃক জারিকৃত স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নির্দেশিকা কঠোরভাবে প্রতিপালন সাপেক্ষে মালিকরা প্রয়োজনবোধে বর্ণিত কলকারখানা সচল রাখতে পারবেন।’

পত্রে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, ‘গত ২৫ মার্চ প্রধানমন্ত্রী জাতির উদ্দেশে ভাষণে রফতানিমুখি শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শ্রমিকদের বেতন ভাতা প্রদানের জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনাসহ তাদের স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিতকরণে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তবে প্রত্যেক কর্মীকে দেহের তাপমাত্রা পরিমাপক থার্মাল স্ক্যানার ব্যবহারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করানোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকপক্ষকে পত্রে অনুরোধ করা হয়। তাপমাত্রা স্বাভাবিকের বেশি হলে এবং সর্দি, কাশি ও শ্বাস প্রশ্বাসে সমস্যা থাকলে অর্থাৎ করোনা ভাইরাস সংক্রমণের উপসর্গ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ওই কর্মীকে বাধ্যতামূলক ছুটি প্রদান করে সংগনিরোধ বা কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা গ্রহণপূর্বক চিকিৎসার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য মালিকপক্ষকে অনুরোধ করা হয়।’


আরো সংবাদ