০৩ আগস্ট ২০২১
`

করোনায় দেশে ৮২ জনের মৃত্যু

করোনায় দেশে ৮২ জনের মৃত্যু - ছবি : নয়া দিগন্ত

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ৮২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গত ৫৫ দিনের মধ্যে প্রাণহানির হিসাবে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ৩২ জন মারা গেছে খুলনা বিভাগে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের দেয়া সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত তিন হাজার ৬৪১ জন মানুষ শনাক্ত হয়েছেন।

এ পর্যন্ত করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে মারা গেছেন মোট ১৩ হাজার ৫৪৮ জন।

এর মধ্যে বিভাগওয়ারি হিসাবে খুলনায় ৩২ জন, ঢাকায় ২১ জন, রাজশাহীতে ১২ জন, চট্টগ্রামে নয়জন এবং ময়মনসিংহে চারজন মারা গেছেন।

এছাড়া সিলেটে দুইজন এবং রংপুর ও বরিশালে একজন করে মারা গেছেন।

দেশে মোট শনাক্ত কোভিড-১৯ রোগীর সংখ্যা দাঁড়াল আট লাখ ৫১ হাজার ৬৬৮ জন।

নিয়মিত সংবাদ বুলেটিনে রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মুখপাত্র অধ্যাপক মোঃ নাজমুল ইসলাম বলেছেন, গত সাত দিনে নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৮ শতাংশে পৌঁছেছে।

তিনি বলেছেন, কেবল জুন মাসেই ৪৭ হাজার নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ এবং মৃত্যু দুইয়েরই হার গত কয়েক সপ্তাহ যাবত লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে, বিশেষ করে সীমান্ত-সংলগ্ন ১৫টি জেলায়।

জুন মাসের ৪ তারিখের পর থেকে দ্রুত সংক্রমণের হার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

সংক্রমণ বাড়ার প্রেক্ষাপটে দেশে লকডাউন বা চলাচলে বিধিনিষেধ ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষার তুলনার রোগী শনাক্তের হার ১৬ দশমিক ৩৮ শতাংশ।

এই মুহূর্তে সরকারি-বেসরকারি মিলে মোট ৫২৮টি পরীক্ষাগারে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এর মধ্যে মোট ১২৬টি পরীক্ষাগারে আরটিপিসিআর পদ্ধতিতে নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

এছাড়া ৩৫৬টি সরকারি ল্যাবে র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন এবং ৪৩টি পরীক্ষাগারে জিন এক্সপার্ট পদ্ধতিতে করোনাভাইরাসের নমুনা পরীক্ষা করা চলছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ২,৫০৯ জন, এ নিয়ে মোট সুস্থ হয়েছেন ৭ লাখ ৮২ হাজার ৬৫৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানাচ্ছে, ১৯ জুন সকাল আটটা থেকে ২০ জুন সকাল আটটা পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ২২ হাজার ২৩১ টি।

মারা যাওয়া ষাটোর্ধ আছেন ৩৮ জন, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে আছেন ২১ জন, ৪১-৫০ বছরের মধ্যে আছেন ১১ জন, ৩১-৪০ বছরের মধ্যে আছেন নয়জন।

এছাড়া ২১-৩০ বছরের মধ্যে আছেন দুজন এবং ১১-২০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন একজন।

এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন ৭১ জন, বেসরকারি হাসপাতালে মারা গেছেন আটজন এবং বাড়িতে মারা গেছেন তিনজন।

সূত্র : বিবিসি



আরো সংবাদ