১২ আগস্ট ২০২০

২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৪৭, শনাক্ত ২৬৬৬

২৪ ঘন্টায় মৃত্যু ৪৭, শনাক্ত ২৬৬৬ - ছবি : নয়া দিগন্ত
24tkt

বাংলাদেশে এক দিনে আরো ৪৭ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। এছাড়া আরো ২,৬৬৬ জনের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়েছে।

রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক নাসিমা সুলতানা এসব তথ্য জানান।

তার দেয়া তথ্য অনুযায়ী, ৭৭টি ল্যাবে গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে ১১ হাজার ২১০টি। নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১১ হাজার ৫৯টি। মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৯ লাখ ২৪ হাজার ৫২৪টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় ২৬৬৬ জনসহ দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা এক লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৫ জন। নতুন করে আরও ৪৭ জনের মৃত্যুর মধ্যদিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩৫২ জনে।

গত ২৪ ঘণ্টায় পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৪.১১ শতাংশ। আর মোট পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৯. ৫৪ শতাংশ। আর শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১.২১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ৪৭ জনের মধ্যে পুরুষ ৩৬ এবং নারী ১১ জন। হাসপাতালে মারা গেছেন ৪৩ জন এবং বাড়িতে চারজন।

এদিকে, করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন আরও ৫৫৮০ জন। এ নিয়ে দেশে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯৩ হাজার ৬১৪ জন। সুস্থতার হার ৫০.৯৩ শতাংশ।

গত ৮ মার্চ বাংলাদেশে প্রথম করোনা রোগী শনাক্তের পর ১৮ মার্চ প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। তবে সাম্প্রতিক সময়ে দেশে নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
সূত্র : ইউএনবি

করোনার খবর লুকিয়ে ছিল চীন : বিস্ফোরক অভিযোগ পালিয়ে আসা গবেষকের

এক কাপড়ে পালিয়ে আসা। হংকংয়ের বিজ্ঞানী ড. লি মেং ইয়াং ২৮ এপ্রিলে যেভাবে রাতারাতি চীন থেকে আমেরিকা পালিয়ে এসেছিলেন, তাকে এই ভাবেই ব্যখ্যা করা যায়। শুধু পাসপোর্ট আর টাকার ব্যাগ ছাড়া কিছুই নিয়ে আসতে পারেননি এই ভাইরাস বিশেষজ্ঞ। কারণ তিনি জানতেন, ঘুণাক্ষরেও কেউ টের পেলে তাকে জেলে ভরা হবে। এমনকী গায়েব করাও হতে পারে।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম ফক্স নিউজের সামনে এতদিনে মুখ খুলে এমনই সব বিস্ফোরক দাবি জানাচ্ছেন লি মেং ইয়াং। লি বলছেন, ডিসেম্বর নয়, করোনার কথা অনেক আগে থেকেই জানত চীন। তার আরো অভিযোগ তার গুরুত্বপূর্ণ গবেষণা করোনা প্রতিরোধে ভূমিকা নিতে পারত। কিন্তু তাকে পাত্তাই দেয়নি নামজাদা বিশেষজ্ঞরা।

এখনো চীনেই রয়েছেন লি মেং-এর পরিবার। দুঃস্বপ্নের মতো এই সময়ে লি নিজেকে বিশ্বাস করাচ্ছে আর দেখা হবে না কারো সঙ্গে। কারণ তার দৃঢ় ধারণা, চিন সরকার তাকে কঠিন শাস্তি দিতে চায়।

এ দিন একটি গোপন স্থানে লি-এর ইন্টারভিউ নেয় ফক্স নিউজ। সেখানে লি স্পষ্ট বলেন, "আমার অন্যায়, আমি প্রাণ বাঁচাতে আমেরিকায় পালিয়ে এসেছি। এবং সব খুলে বলছি।"

লি-এর দাবি, অনেক আগেই তিনি এই ভাইরাসের বিষয়ে তার প্রতিষ্ঠানের শীর্ষকর্তাকে জানিয়েছিলেন। কিন্তু এর পরেই তার মতো 'বিদেশিদের' কাজ বন্ধ করে দেয় চিন। হংকংয়ের বাসিন্দা হয়েও কাজ চালিয়ে যাওয়ার অধিকার ছিল না তার।

চীনের পরিস্থিতি সম্পর্কে বিধ্বংসী তথ্য দিচ্ছেন লি। তার কথায়, "বহু রোগীই ঠিক মতো চিকিৎসা পরিষেবা পাচ্ছিল না। আমাদের চুপ করিয়ে রাখা হতো। মাস্ক পরে থাকতে হত শুধু।"

লি-এর আরো অভিযোগ, এই গোটা ঘটনাই জানতেন হু-এর অনুমোদিত গবেষণাগারের প্রধান প্রফেসর মালিক পেইরিস। পেইরিস এই বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে চাননি।
সূত্র : নিউজ ১৮


আরো সংবাদ