০৪ আগস্ট ২০২০

মিয়ানমারের রাখাইন পরিস্থিতি নিয়ে জাতিসঙ্ঘে আবারো উদ্বেগ প্রকাশ

মাইকেল ব্যচেলি - ছবি : সংগৃহীত
24tkt

মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশে রোহিঙ্গা মুসলিমসহ আরো বেশ কয়েকটি জাতিগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে চলা সহিংস ঘটনায় আবারো উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মাইকেল ব্যচেলি। বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর মতো পরিবেশ তৈরী হয়নি বলেও দাবি করেছেন তিনি । জেনেভায় জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার কাউন্সিলের ৪৩তম উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তিনি এ উদ্বেগের বিষয়টি সদস্যরাষ্ট্রগুলোর সামনে তুলে ধরেন। বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয়া, নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠীগুলোর বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর আক্রমণাত্মক অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও দাবি করেন ব্যাচিলি।

সাধারণ জনগোষ্ঠীকে বাধ্য করা হচ্ছে গ্রাম ছেড়ে দিতে নতুবা আরাকান আর্মিতে যোগদান করতে। গত সপ্তাহে তাদমাদো বাহিনীর তাণ্ডবে রাথেডাং এলাকায় ১০ হাজার মানুষ বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছে।

এছাড়াও রাখাইন প্রদেশের কিয়াকটান ও রাথেডাং এলাকায় সামরিক বাহিনীর তাণ্ডব অব্যাহত রয়েছে। ব্যাচেলেট অভিযোগ করে বলেন, মিয়ানমারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ব্যাপকহাওর মানবাধিকাওের লঙ্ঘন করে যাচ্ছে। বেসামরিক এলাকায় বিমান হামলা চালানো হচ্ছে, গোলা নিক্ষেপ করা হচ্ছে, জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়ে যাচ্ছে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা।

তিনি আরো বলেন, মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের জন্য মানবাধিকার পরিস্থিতির কোনোই উন্নতি হয়নি যাতে করে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশ থেকে নিরাপদ, সম্মান ও কার্যকরভাবে তাদের দেশে ফিরে যেতে পারে। বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাবার কোনো পরিস্থিতিই এখন তৈরী হয়নি বলে মনে করেন জাতিসঙ্ঘের এই হাইকমিশনার।

তিনি আরো জানান, গত মাসে রোহিঙ্গা অধ্যুষিত বুথিংডং এলাকার বাড়িঘর জ্বালিয়ে দেয় আইনশৃখলা বাহিনী। এসময় হাইকমিশনার সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে স্মরণ করিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের মাত্র পাঁচ মাস আগে দেয়া নির্দেশ অনুসারে মিয়ানমার সরকারের উচিত ছিল ধ্বংসযজ্ঞের আলামত সংরক্ষণ করা এবং সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরামহীন সহিংসতার লাগাম টেনে ধরা। কিন্তু তা সত্ত্বেও স্যাটেলাইট ছবি ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুসারে রাখাইন প্রদেশের গ্রামগুলো এখন ছাইয়ে রূপান্তরিত হয়েছে।

জাতিসঙ্ঘ মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনের বক্তব্যের উপর বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কোনো বক্তব্য না থাকলেও মিয়ানমারের পক্ষ থেকে এর জবাব দেন মিয়ানমারের স্থায়ী প্রতিনিধি কাউ ম্যু।

এসময় তিনি বলেন, মিয়ানমারের অনেকগুলো চ্যালেঞ্জের মধ্যে রাখাইন ইস্যু অন্যতম। হাইকমিশানারের বক্তব্য মেনে নিয়ে ম্যু বলেন, এটি সত্য যে রাখাইনে নিরাপত্তার ঝুঁকি বেড়েই চলেছে। তা সত্ত্বেও সরকার মিয়ানামরে টেকসই শান্তি, স্থিতিশীলতা, হৃদ্যতা ও উন্নয়ন ফিরিয়ে আনতে আপ্রাণ চেষ্টা করে যাচ্ছে। এর জন্য সময় ও সুযোগের প্রয়োজন।


আরো সংবাদ

হিজবুল্লাহর জালে আটকা পড়েছে ইসরাইল! (১৪২০০)হামলায় মার্কিন রণতরীর ডামি ধ্বংস না হওয়ার কারণ জানালো ইরান (১০৯৪৫)ভারতের যেকোনো অপকর্মের কঠিন জবাব দেয়ার হুমকি দিলো পাকিস্তান (৭৮৮৭)সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে গুলি করে হত্যা : পুলিশের ২১ সদস্য প্রত্যাহার (৬৫২১)নেপালের সমর্থনে এবার লিপুলেখ পাসে সৈন্য বৃদ্ধি চীনের (৫৮৪৫)আমিরাতের পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে কেন সন্দিহান ইরান-কাতার? (৫৪৭৪)চামড়ার দাম বিপর্যয়ের নেপথ্যে (৪৭৯৯)তল্লাশি চৌকিতে সেনা কর্মকর্তার মৃত্যু দেশবাসীকে ক্ষুব্ধ করেছে: মির্জা ফখরুল (৪৭০২)‘অন্যায় সমর্থন না করায় আমাকে দুইবার মৃত্যুদণ্ড দিয়েছিল জয়নাল হাজারী’ (৪২৪৬)বিশ্বের সর্বকনিষ্ঠ প্রধানমন্ত্রী বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলেন (৪০৮৬)