১৭ মে ২০২২, ০৩ জৈষ্ঠ ১৪২৯, ১৫ শাওয়াল ১৪৪৩
`

বিদ্রোহী : শতবর্ষেও শ্রেষ্ঠ

বিদ্রোহী কবিতা রচনার আগের বছরে নজরুল, ১৯২০ -

সৃষ্টিজগতের রহস্য উন্মোচন করার চেষ্টা মানুষের চিরকালের। সেই সাথে মানুষ জীবনের প্রতিটি দ্বারের অব্যর্থ লক্ষ্য ভেদ করার সাধনা করে নিয়ত। সাধনা থেকেই বিশালত্বের গোপন রেখায় পথ পাড়ি দেয়া যায়। অথবা অলিক কল্পনায় ভেসেও থাকা যায়। সত্যি হলো অসম্ভবকে সম্ভব করার অভিলাস বপন করে মানুষ। অনুভবের দৌরাত্ম্য এটাই বলে। এসব ক্ষেত্রে থাকে মানুষের নানারকম শঙ্কা। ভয়। হ্যাঁ একজন মানুষ যিনি অতিক্রম করেছেন ভয়কে। আকাশকে বুকে ধারণ করার দৃঢ়তা দেখিয়েছেন তিনি। পাহাড়সম সাহসিকতা যার রন্ধ্রে রন্ধ্রে। এমনই একজন মানুষ নজরুল, কাজী নজরুল ইসলাম। যিনি সময়ের অতলান্তে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ভেতর জগতের সৌন্দর্য। মানুষের ভাবনা-কল্পনার রেখা কতদূর হতে পারে! কতটা এর ব্যাপ্তি। কতটা গভীরতায় ডুবে গেলে শব্দের মুক্তা ঝরে পড়ে। ঘূর্ণায়মান পৃথিবীর আনাচে-কানাচে ঘটে যাওয়া বিষয়াবলি কতটা চৈতন্যে ধারালো হয়ে প্রকাশ পায়। চারপাশে আপনজনের আহাজারি কেমন করে জনমানুষের রোনাজারি হয়ে ওঠে। বেঁচে থাকার রসদের প্রতিটি ধাপে অন্তর কাঁপানো শব্দে প্রতিবাদী কণ্ঠ হয়ে জানান দেয় তা। কেউ আছে কি এমন? হ্যাঁ এমনই আমাদের কবি কাজী নজরুল ইসলাম।
জগতের বিশালত্বের আনন্দ! উজ্জীবিত উচ্ছ্বাস! মহা প্রলয়ের ধ্বনি! সুরের মাদকতা! বুকের গভীরের ঢেউয়ের সাড়া জাগানো শব্দ। এমনই একটি কবিতা। নামটি বিদ্রোহী। নজরুলের এই কবিতা সাহিত্যের অনির্বাণ শিখা। এক শ’ বছর পূর্ণ হলো এই কবিতার। ভাবতেই কেমন আনন্দ স্রোতের সম্মোহিত টান অনুভব করা যায়। কী এক মাদকতাময় মন স্পর্শের ডাক। দীর্ঘ স্মৃতির ললাটচুম্বন। সত্যিই ভাবতে গেলে শেষ মেলে না কোথাও। মনে হয় এই বুঝি কিছু রয়েই গেল। একটি শব্দের ভার কেমন হতে পারে! কেমন হতে পারে তার অবয়ব। একটি একটি ফুল গেঁথে যেমন মালা হয়। একটি একটি দানা বুনে যেমনি হয় তসবি। তেমনি এই কবিতার বুনন। যার শব্দরা আজো ঢেউ তুলছে প্রাণে-মনে। ফুলের স্পর্শ পেতে তৃষ্ণাকাতর যেমন। তেমনি এই কবিতাকে গ্রহণ করতে সময় নেয়নি মানুষ। ঘরে-বাইরে পত্রিকায় ছাপানো একটি কবিতার ব্যাপকতা ছড়িয়ে পড়ে তীব্র গতিতে। নিয়মের ঘের ভেঙে নতুন আলোয় নতুন উদ্দীপনায় ছাপানোর আয়োজন চলে। আজো চলছে। চলবে আরো। উৎসবের মুখরতায় প্রাণ সঞ্চার হয়। এটি একটি গৌরবময় কবিতা। একটি অলঙ্কার সমৃদ্ধ কবিতা। যেখানে শব্দরা খেলা করে অবারিত রঙের ছোঁয়ায়; যা আজো হাজারো কণ্ঠে ধ্বনিত হচ্ছে।
মানুষের মন সবসময়ই উড়ন্ত। আকাশ-পাতাল পেরিয়ে আবার ফিরে আসার যে আনন্দ তা ভালো করেই মনে গেঁথে নিয়েছেন নজরুল। অনুভব করেছেন দিগন্ত ছাপিয়ে নতুন কিছু সৃষ্টির ইচ্ছে। করেছেন ভাঙনের সাহস। সীমার বাইরে অসীমতাকে স্পর্শ করাই যার আনন্দ। শৃঙ্খলতার শেকল ছিঁড়ে আইনের সিঁড়ি ডিঙ্গিয়ে জয়ী হওয়ার স্বপ্ন এঁকেছেন। মহাবিশ্বের চির-বিস্ময়কে ধারণ করে সামনে এগিয়েছেন। শাসক-শোসক আর ক্ষমতাবানের বিরুদ্ধে এমন মনোভাবই তুলে ধরেছেন এই কবিতায়। একজন কবিকে প্রতিবাদী হতে হয়। জানতে হয় নিয়মের মধ্যে কেমন করে থাকতে হয়। তেমনিভাবে অনিয়মের বিরুদ্ধে কতটা দৃঢ় হতে হয় এও বলিষ্ঠ কণ্ঠে কবি উচ্চারণ করেছেন,
আমি দুর্বার,
আমি ভেঙে করি সব চুরমার!
আমি অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খল,
আমি দলে যাই যত বন্ধন, যত নিয়মকানুন শৃঙ্খল!
আমি মানি নাকো কোন আইন,
আমি ভরা-তরী করি ভরা ডুবি, আমি টর্পেডো, আমি ভীম ভাসমান মাইন!
আমি ধূর্জ্জটি, আমি এলোকেশে ঝড় অকাল-বৈশাখীর!
আমি বিদ্রোহী,আমি বিদ্রোহী-সুত বিশ্ব-বিধাত্রীর!
কবিতা অনেকেই লেখেন। প্রতিবাদও করেন। কিন্তু এমন শক্তরূপে নিজেকে কতজন পেরেছে বৈশাখী ঝড়ের সাথে তুলনা করতে। টর্নেডোর মতো শক্তিশালী হতে। মানুষ কল্পনায় সমুদ্রের তলদেশ থেকেও হীরে তুলে আনে। তাই বলে এমন সাহসী উচ্চারণের জন্য চাই ব্যক্তিজীবনে নিজস্বতায় দৃঢ়তা। পাহাড়ের মতো উঁচু ও বিশাল চরিত্রের। প্রয়োজন একটি আনন্দিত হৃদয়ের। রোমন্টিকতারও। বিদ্রোহী কবিতা শুধুই একটি সাধারণ কবিতা নয়। যদি হতো তবে এর মতো না হলেও এর কাছাকাছি কোন কবিতা দাঁড়িয়ে যেত। কিন্তু না এ কবিতার মতো আরো একটি কবিতা হয়নি লেখা কবি নজরুলের হাতেও। আসলে কবিতা একটি ধ্যান। একটি সাধনা। এ কবিতার প্রতিটি শব্দ এর সাক্ষ্য দেয়। যদি তাই না হবে তবে কেমন করেই এমন শব্দ আসে কোনো মনকাননে। কেমন করেই তার প্রকাশ মানুষকে উজ্জীবিত করে। কবির ভাষায়,
আমি ঝঞ্ঝা, আমি ঘূর্ণি,
আমি পথ সম্মুখে যাহা পাই যাই চূর্ণি।
আমি নৃত্য-পাগল ছন্দ,
আমি আপনার তালে নেচে যাই, আমি মুক্ত জীবনানন্দ।
আমি হাম্বির, আমি ছায়ানট, আমি হিন্দোল,
আমি চল-চঞ্চল, ঠমকি-ছমকি
পথে যেতে যেতে চকিতে চমকি
ফিং দিয়া দিই তিন দোল!
আমি চপলা-চপল হিন্দোল।
আহা কী উচ্চারণ। কী অবয়ব। কী তার গঠন। সাদা কথা একজন কবির কবিতা তার নিজেকেই ব্যাখ্যা করে। আয়নায় যার প্রতিবিম্ব ফুটে থাকে তা কেবলই নিজের। যার ছায়ায় দীর্ঘ রেখা দেখতে পাওয়া যায়। তার সব সত্তায় অবয়বে যেন গতির খেলা। সচকিত কবি নিজের কল্পনার বাস্তব রূপ দেয় এবং রঙধনুর মতো পৃথিবীর বুকে চিহ্ন আঁকে। উদ্ভূত প্রবল পরাক্রমশালী মানুষের শক্তিমান রূপ ও তার বীরত্বব্যঞ্জনায় কবি বলেন, আমি প্রাণ-খোলা হাসি উল্লাস,-আমি সৃষ্টি- বৈরী মহাত্রাস,
আমি মহা-প্রলয়ের দ্বাদশ রবির রাহু-গ্রাস!
আমি কভু প্রশান্ত,-কভু অশান্ত দারুণ স্বেচ্ছাচারী, আমি অরুণ খুনের তরুণ, আমি বিধির দর্পহারী! আমি প্রভঞ্জনের উচ্ছ্বাস, আমি বারিধির মহাকল্লোল,
আমি উজ্জ্বল, আমি প্রোজ্জ্বল,
আমি উচ্ছল জল-ছল-ছল, চল- উর্ম্মির হিন্দোল্-দোল্!
বাংলা কবিতায় এমন শব্দ নতুন। পাঠকমহল কালের এ স্পন্দনকে ধারণ করেছে অন্তর দিয়ে। নতুন কিছু তৈরি করতে কখনো কখনো পুরনোকে ভেঙে ফেলতে হয়। সমাজ-রাষ্ট্র সবসময়ই অনুকূলে অবস্থান করে না। সময় যারই হোক সময়ের হয়ে উঠতে সময়কেই কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়। বুঝে নিতে হয় করণীয়। মজবুত সিদ্ধান্তের প্রয়োজন পড়ে। উজ্জ্বল-প্রোজ্জ্বল দীপ্ত পদক্ষেপে এগিয়ে আসার যে সাহস তা নজরুল দেখিয়েছেন। শুধু যে এ কবিতায় তা নয়, কিন্তু এমন আরো বহু কবিতা তিনি লিখেছেন যেখানে তার দৃঢ় সাহসিকতা চোখ কাড়ে।
মৃত্যুকেও সাথে নিয়ে চলার যে দৃঢ়তা তা কেবল নজরুলই দেখাতে পারেন। পারেন বলেই সব শাসনের বিরুদ্ধে কলম চালানোয় তাঁর কখনো ক্লান্তি আসেনি। তাঁর শব্দের মাদকতা বেজে ওঠে রক্তের শিরায় ধমনীতে। তিনি বলেন,
আমি তাই করি ভাই যখন চাহে এ মন যা,
করি শত্রুর সাথে গলাগলি, ধরি মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা,
আমি উন্মাদ আমি ঝঞ্ঝা!
আমি মহামারী আমি ভীতি এ ধরিত্রীর!
আমি শাসন-ত্রাসন, সংহার, আমি উষ্ণ চির-অধীর
বল বীর
আমি চির-উন্নত শির!
‘বিদ্রোহী’ কবিতাটি বাংলা কবিতায় শতবর্ষ ধরে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। আজো এতটুকু ম্লান হয়নি তার আবেদন। এক শ’ বছর পরও ঠিক একই রকম আছে শুধু নয় বরং এর ব্যাপ্তি বিশ্বসাহিত্যে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। বিশ্ব কবিতা সমুদ্রে ‘বিদ্রোহী’ এক বিরল দৃষ্টান্ত। এ কবিতার আরম্ভ থেকে শেষাবধি এমন মাত্রায় যুক্ত যেখানে মনেই হয় না অতিপর্ব বা অতিরিক্ত কিছু। বরং আনন্দ এখানেই ‘আমি’ শব্দের এমন ব্যবহার বুঝি এমনই হয়। প্রতিটি বাঁকে নতুন বিষয় বৈচিত্র্যের মধ্যেও কোথাও বাধাগ্রস্ততা আসে না। নির্দ্বিধায় সাবলীল কণ্ঠে পড়তে গতিশ্লথ হয় না এতটুকুও। বরং কবিতার এ ধারাবাহিকতাই যেন গতিবৃদ্ধির সহায়ক-ছন্দোগতি। প্রতিটি শব্দের ভিন্নতা যেন শব্দকেই প্রভাবক করে তোলে।
আমি সন্ন্যাসী, সুর-সৈনিক,
আমি যুবরাজ, মম রাজবেশ স্নান গৈরিক!
আমি বেদুঈন, আমি চেঙ্গিস,
আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্ণিশ!
আমি বজ্র, আমি ঈশান-বিষাণে ওঙ্কার,
আমি ইস্রাফিলের শিঙ্গার মহা-হুঙ্কার
আমি পিনাকপাণির ডমরু ত্রিশূল, ধর্মরাজের দণ্ড,
আমি চক্র ও মহাশঙ্খ, আমি প্রণব-নাদ প্রচণ্ড!
একই অঙ্গে শতরূপ। প্রেম সর্বদাই মানবাত্মা ও পরমাত্মার সাথে জড়িয়ে। প্রেম অবিনশ্বর। আমরা অনেক কিছুই জানি কিন্তু আদতে মানতে চাই না। সৌন্দর্যে ডুবতে মন চায় না এমন কেউ কী আছে? সবাই চায় সুখী হতে। আনন্দিত পথের অংশ হতে। তবুও সমাজে বিধবাদের দুর্দশা আজো আছে। বঞ্চিত আর্তনাদ মনকে ব্যথিত করে তোলে। গৃহহীন মানুষের হাহাকার ঘুম কেড়ে নেয়। পরিবর্তনের প্রয়োজন। নজরুল সেই এক শ’ বছর আগে সমাজকে সুন্দরের আনন্দে সাজাতে, অনিয়ম উচ্ছৃঙ্খলতার বিরুদ্ধে সজাগ হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন এই কবিতার শব্দে শব্দে। একসময় বাংলাদেশের স্বাধীনতার যুদ্ধে মুক্তির লড়াইয়ে এই কবিতা হয়ে ওঠে বীজমন্ত্র। সহজেই কণ্ঠে কণ্ঠে ধ্বনিত হয় বল বীর-চির উন্নত মম শির!
কবি মানবজাতির জন্য প্রেরণার উৎস হয়ে উচ্চারণ করেন,
আমি বন্ধন-হারা কুমারীর বেণী, তন্বী-নয়নে বহ্নি
আমি ষোড়শীর হৃদি-সড়সিজ প্রেম উদ্দাম, আমি ধন্যি!
আমি উন্মন-মন উদাসীর,
আমি বিধবার বুকে ক্রন্ধন-শ্বাস, হা-হুতাশ আমি হুতাশীর।
আমি বঞ্চিত ব্যথা পথবাসী চির-গৃহহারা যত পথিকের,
আমি অবমানিতের মরম-বেদনা, বিষ-জ্বালা, প্রিয়-লাঞ্ছিত বুকে গতি ফের।
প্রতিটি সৃষ্টির আনন্দই নিজেকে মেলে ধরাতে। কবিতায় এটি অধিক গুরুত্বের দাবিদার। চাইলেও সবাই কবি হতে পারে না। পারে না সৃষ্টির রহস্যকে ধারণ করে সেখান থেকে মধু সঞ্চার করতে। যারা পারেন তারাই স্বাক্ষর রাখেন সাহিত্যে তথা পৃথিবীর বুকে। আমাদের কবি নজরুল সর্বদা সব দিক থেকেই ছিলেন স্বাধীনচেতনার। কোনো ভয়, শঙ্কা, বাধা তাকে লক্ষ্যচ্যুত করতে পারেনি কখনো। দুর্নিবার গতিপথেই ছিল তাঁর পদচিহ্ন। কবি দৃঢ়কণ্ঠে ঘোষণা করেছেন তিনি বলবেন, বলে চলবেন। কখনো দেখবেন। ভাববেন। কিন্তু থেমে থাকবেন না। যতক্ষণ না মহাশূন্যকে আলোকিত পথের কিনারায় নিয়ে যেতে পারছেন। কান্নার আহাজারির শব্দে আকাশ-বাতাস কেঁপে উঠবে না। অত্যাচারীর নির্মম আঘাতে ঝরে পড়বে না স্বপ্নময় পথচলা। সেই দিনের অপেক্ষায় তিনি বিদ্রোহীর কবিতায় যুগপ্রবাহে মানুষকে মানুষ হয়ে ওঠার উদাত্ত আহ্বান জানিয়ে বলেন,
মহা বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত
আমি সেই দিন হব শান্ত,
যবে উৎপীড়িতের ক্রন্দন-রোল আকাশে বাতাসে ধ্বনিবে না, অত্যাচারের খড়্গ কৃপাণ ভীম রণ-ভূমে রণিবে না
বিদ্রোহী রণ-ক্লান্ত।
আমি সেই দিন হব শান্ত।

 


আরো সংবাদ


premium cement
রাশিয়ার সাথে উত্তেজনার মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের হাইপারসনিক অস্ত্রের পরীক্ষা রাম মন্দির মামলায় হিন্দুদের পক্ষের সেই নরসিমা জ্ঞানবাপী মামলার বিচারপতি ন্যাটো জোটের সদস্য হওয়ার পক্ষে ভোট দিল ফিনল্যান্ড গাছের ডাল মাথায় পড়ে স্কুলছাত্রের মৃত্যু বিরামপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে নারী নিহত পদ্মা সেতুতে ফেরির তুলনায় টোল দেড়গুণ ফরিদপুরে উদ্ধার হওয়া বস্তাবন্দী যুবতির লাশের পরিচয় মিলেছে শ্রীলঙ্কায় ২২ এমপি ও সাবেক মন্ত্রীকে গ্রেফতারের নির্দেশ কাশ্মীর নিয়ে ভারত-ওআইসি তীব্র বিরোধ ‘ইসলামপ্রিয় নেতৃত্বের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানকে ভয় পায় সরকার’ অজ্ঞান পার্টির খপ্পরে পড়ে যেভাবে সব হারালো যুবকটি

সকল