০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ২৪ মাঘ ১৪২৯, ১৫ রজব ১৪৪৪
ads
`

তাৎক্ষণিক কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্রশিবির

রাজধানীর এক মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। - ছবি : সংগৃহীত

২০২২ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্তসহ সকল কৃতি শিক্ষার্থীদের তাৎক্ষণিক সংবর্ধনা দিয়েছে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) দুপুর ২টার দিকে রাজধানীর এক মিলনায়তনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সেক্রেটারি জেনারেল রাজিবুর রহমান। এ সময় তিনি শিক্ষার্থীদের হাতে ফুলের স্টিক তুলে দেন এবং শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।

ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখার সভাপতি আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি মু.আসাদুজ্জামানের সঞ্চালনায় এক সংক্ষিপ্ত বক্তৃতায় প্রধান অতিথি রাজিবুর রহমান বলেন, সৎ, দক্ষ, আদর্শ দেশপ্রেমিক নাগরিক তৈরির জন্য মেধাবীদের মূল্যায়নের বিকল্প নেয়। যে জাতি মেধাবীদের মূল্যায়ন করতে পারে না, সে জাতি কখনো সামনে অগ্রসর হতে পারে না। মেধাবীরাই জাতির প্রেরণার উৎস। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর অতিবাহিত হলেও এখনো আমরা রাজনৈতিক হানাহানিতে লিপ্ত। গড়ে ওঠেনি জাতীয় ঐক্য। সবচেয়ে দুঃখের বিষয় হচ্ছে, প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর হওয়ার পরও আমরা সামনের দিকে এগিয়ে যেতে পারছি না। ১৭ কোটি মানুষকে নেতৃত্ব দেয়ার মত সৎ ও যোগ্য নেতার আজো বড় অভাব। নেতৃত্বের এই সঙ্কট পূরণে মেধাবীদের সাথে নিয়ে ছাত্রশিবিরকেই সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বাংলাদেশে অনেক সমস্যা থাকলেও আমি নিশ্চিত ভাবে বিশ্বাস করি আমাদের দেশ বিশ্ব দরবারে মাথা উঁচু করে দাঁড়াবেই। ছাত্রশিবির যেভাবে ছাত্রদের সততা, নৈতিকতা ও যোগ্যতার বিকাশে সহযোগিতা করছে তা সত্যিই আমাদেরকে আশার আলো দেখায়।

সভাপতি বক্তব্যে আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, মেধাবীদের অনুপ্রাণিত করার পাশাপাশি নিজেদের দায়বদ্ধতা থেকেই ছাত্রশিবির ঢাকা মহানগর পশ্চিম শাখা অদম্য মেধাবীদের সংবর্ধনার আয়োজন করেছে। মেধাবীদের ভাল রেজাল্ট করার পেছনে তাদের অভিভাববক ও শিক্ষকরা বিশেষ অবদান রেখেছেন। অভিভাবক ও শিক্ষক সমাজকে শুধু ভাল রেজাল্ট নয়, ছাত্রদেরকে নৈতিক দিক থেকেও গড়ে তুলতে হবে।

উল্লেখ্য, ২০২২ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা ১৫ সেপ্টেম্বর তারিখ থেকে শুরু হয়ে ১ অক্টোবর শেষ হয়। চলতি বছরে এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় ৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদরাসা এবং কারিগরি শিক্ষাবোর্ডসহ ১১টি শিক্ষাবোর্ডের আওতায় মোট ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। এর মধ্যে শুধু সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর অধীন পরীক্ষার্থী ছিল ১৫ লাখ ৯৯ হাজার ৭১১ জন। সারাদেশে তিন হাজার সাত শ‘৯০টি কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।

আজ (সোমবার) এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় এসএসসিতে জিপিএ–৫ পেয়েছে দুই লাখ ৬৯ হাজার ছয় শ‘দু‘জন। এরমধ্যে সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ–৫ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩। চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের গড় পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০। আর মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ।


আরো সংবাদ


premium cement