১৯ এপ্রিল ২০২১
`

ভৈরবে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যানসহ বিএনপির অর্ধশত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা

-

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান আল-মামুনসহ বিএনপির অর্ধশত নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে থানায় একটি মামলা করা হয়েছে। আল-আদিন নামের এক যুবলীগ নেতা শুক্রবার গভীর রাতে ১৯ জনের নাম উল্লেখসহ ৩৫ জনকে অজ্ঞাত আসামি করে এ মামলাটি করেন।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, শুক্রবার বিকেলে বাদি আল-আদিন পৌর নির্বাচনে নৌকার পক্ষে প্রচারণার সময় শহরের কালিপুর এলাকায় গেলে আসামিরা তাকে আটকিয়ে তার মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে দেয়। এসময় আসামিরা তাকে মারধর করার সময় এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে।

মামলায় আল-মামুন ছাড়া অন্য আসামিরা হলেন, দৈনিক দিনকাল পত্রিকার ভৈরব প্রতিনিধি সোহেলুর রহমান সোহেল (৫০), আঙ্গুর মিয়া (৫৮), ইমতিয়াজ আহমেদ কাজল (৩৫), মুকিত মিয়া (২৫), লোকমান মিয়া (৩২), উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক সুজন মিয়া (৪৪), তোফাজ্জল মিয়া (৩৫), যুবদল নেতা জুবায়ের আল মাহমুদ আফজাল (৪৩), আক্তার হোসেন (৪০), এনামুল (৩৫), হানিফ মিয়া (৪৮), নজরুল খাঁন (৫৭), জাকারিয়া ফারুক (৫০), নাছির মোল্লা (৫০), বাছির মোল্লা (৪৫), নবী হোসেন (৩৫), কামরুজ্জামান রকি (৪২) ও জিনাত (২৩)। মামলায় সাক্ষী করা হয় তিনজনকে।

ভৈরব উপজেলা পরিষদ ভাইস-চেয়ারম্যান ও যুবদল নেতা আল-মামুন বলেন, মামলায় অভিযোগের বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। রোববার ভৈরব পৌর নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে বিজয়ী করতে বিএনপির নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে গায়েবি মামলাটি করা হয় বলে তিনি দাবি করেন।

উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘পৌর নির্বাচনে নৌকার প্রার্থীকে বিজয়ী করতে তারা নিজেরা মোটরসাইকেলটি পুড়িয়ে গায়েবি মামলাটি করে। মামলায় যাকে বাদি ও সাক্ষী করা হয় তারা নিজেরাও মামলা সম্পর্কে অবগত নয়। মূলত নির্বাচনে বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে দূরে রাখতেই শুক্রবার রাতে ষড়যন্ত্রমূলক গায়েবি মামলাটি করে যুবলীগ নেতা।’

এ বিষয়ে মামলার বাদি আল-আদিনের সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়।

ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: শাহিন জানান, ‘কোনো ঘটনায় কেউ অভিযোগ নিয়ে এলে তার মামলা নিতে হয়। কোনো মামলা গায়েবি হয় না। দায়ের করা মামলাটি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’



আরো সংবাদ