০১ অক্টোবর ২০২০

দৌলতদিয়ায় ঘরমুখো মানুষের ঢল : বাড়তি ভাড়া ও ঝুঁকি

-

প্রিয়জনের সাথে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করা এ এদেশের মানুষের ঐতিহ্য। কিছুটা কম হলেও ঈদে বাড়ি ফেরার সেই দৃশ্য করোনা ভয়কে জয় করেছে। এতে করোনা সংক্রমণ আরো বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে এবারের পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ার কথা ছিল। সরকারি নির্দেশমতে, কর্মস্থলেই ঈদ করতে বলা হয়েছে। তবে ব্যক্তিগত গাড়িতে যাতায়াতের অনুমতি রয়েছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, অতিরিক্ত ভাড়া ও করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি নিয়েই ঈদ করতে বাড়ি ফিরছে হাজার হাজার মানুষ। এ সময় সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি যাত্রীদের। দূরপাল্লার পরিবহন বন্ধ থাকলেও ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে পৌঁছাচ্ছেন মানুষ।

শনিবার সকাল ১০টার দিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের প্রবেশদ্বার রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ঘাটে ঘরমুখো হাজারো যাত্রীর উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। বেলা বাড়ার সাথে সাথে যাত্রী ও ব্যক্তিগত যানবাহনের চাপ আরো বেড়েছে। এ সময় সামাজিক দূরত্ব মানতে দেখা যায়নি যাত্রীদের। দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় নির্বিঘ্নে মানুষ ঢাকা ছেড়ে আসছে ঘাটে।

এদিকে, দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে ঢাকাগামী যানবাহন ও যাত্রীর চাপ না থাকায় দৌলতদিয়া ঘাট থেকে পাটুরিয়ার উদ্দেশে খালি ফেরিগুলো ছেড়ে যাচ্ছে। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী লঞ্চ ও স্পিডবোট বন্ধ থাকলেও ফেরিযোগে নদী পার হচ্ছেন সাধারণ যাত্রীরা।

জানা যায়, গণপরিবহন বন্ধ থাকায় ঘাটে এসে বিপাকে পড়ছেন যাত্রীরা। কেউ হেঁটে আবার কেউ ছোট যানবাহনে করে নিজ নিজ গন্তব্যে ছুটছেন। ঢাকা থেকে সড়কপথে ফেরিঘাটে এসে ফেরিতে পদ্মা নদী পার হচ্ছেন যাত্রীরা। এসব যাত্রীরা কয়েকগুণ বাড়তি ভাড়া দিয়ে মোটরসাইকেল, অটোরিকশা, ভ্যান, প্রাইভেটকার ও মাইক্রোবাসে গন্তব্য যাচ্ছেন।

তারা অভিযোগ করেন, সরকার আসার অনুমতি দিলো কিন্তু গণপরিবহন চালু করলো না। ফেরিতে যে গাদাগাদি করে যাত্রীরা পার হচ্ছে বাসে কিন্তু অতটা গাদাগাদি হয় না। সীমিত আকারে হলেও গণপরিবহন চালুর অনুরোধ জানান তারা।

বিআইডব্লিউটিসি’র দৌলতদিয়া ঘাটের ব্যবস্থাপক আবু আব্দুল্লাহ রনি জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌ রুটে বর্তমান ৯টি ছোটবড় ফেরি চলাচল করছে। এতে পণ্যবাহী ট্রাক, মাইক্রোবাস, প্রাইভেটকার, অ্যাম্বুলেন্স, মোটরসাইকেলসহ হাজার হাজার যাত্রী পার হচ্ছে। তিনি জানান, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় যাত্রীরা ফেরিতে সাধারণ যাত্রীর চাপ বেশি।


আরো সংবাদ

বাংলাদেশ কখনই জঙ্গিবাদকে প্রশ্রয় দেয়নি, দেবেও না : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী কুয়েতের আমিরের মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক অভাবের তাড়নায় সন্তান বিক্রি করে মায়ের আত্মহত্যার চেষ্টা বিএনপি নেতা লুৎফর রহমান মিন্টুর জানাজা ও দাফন সম্পন্ন করোনায় টিএমএসএসের নির্বাহী পরিচালক হোসনে আরার মায়ের মৃত্যু ইবতেদায়ি মাদরাসা জাতীয়করণের দাবিতে মানববন্ধন আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ আইসিইউতে চিকিৎসাধীন সংগ্রাম সম্পাদক আবুল আসাদকে মুক্তি দিন : অ্যামনেস্টি নারী নির্যাতনের অভিযোগে চট্টগ্রামে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি গ্রেফতার জাহালমকে ১৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে নির্দেশ আজ থেকে ও লেভেল-এ লেভেল পরীক্ষায় কোনো বাধা নেই

সকল

সুবিধাজনক অবস্থায় আজারবাইজান, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শিকার আর্মেনিয়রা (১৯২৯১)আর্মেনিয়ান রেজিমেন্ট ধ্বংস করলো আজারবাইজান, শীর্ষ কমান্ডারের মৃত্যু (১৪১০৪)আর্মেনিয়া-আজারবাইজান তুমুল যুদ্ধ, নিহত বেড়ে ৯৫ (১৩০২৮)আজারবাইজানের সাথে যুদ্ধ : ইরান দিয়ে আর্মেনিয়ার অস্ত্র বহনের অভিযোগ সম্পর্কে যা বলছে তেহরান (৭৪২৯)স্বামীকে খুঁজতে এসে সন্তানের সামনে ধর্ষণের শিকার মা (৭২৯২)আজারবাইজান-আর্মেনিয়ার যুদ্ধের মর্টার এসে পড়লো ইরানে (৭২১৭)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : স্বামীর কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করে ধর্ষকরা (৬৪১৯)এমসি কলেজে গণধর্ষণ : সাইফুরের যত অপকর্ম (৫৯৮৯)‘তুরস্ককে আবার আর্মেনীয়দের ওপর গণহত্যা চালাতে দেয়া হবে না’ (৫৬২১)আর্মেনিয়া এবং আজারবাইজান দ্বন্দ্ব: কোন দেশের সামরিক শক্তি কেমন? (৫৪৩৫)