৩১ মার্চ ২০২০

নারায়ণগঞ্জে তাবলীগ জামাতের দুগ্রুপের সংঘর্ষ, মসজিদে ভাঙচুর

মতবিরোধ ও নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপে সংঘর্ষ হয়েছে। তাবলীগ জামাতের সাদপন্থী সমর্থক ও মাওলানা জুবায়েরপন্থী সমর্থকদের মধ্য ঘণ্টাব্যাপী ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় স্থানীয় একটি মসজিদেও ভাঙচুর চালানো হয়। এই সংঘর্ষে উভয়পক্ষের ১০ আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার রাতে উপজেলার তারাবো এলাকার মারকাজ মসজিদে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় মসজিদের চারপাশের জানালার কাঁচসহ বিভিন্ন স্থাপনায় ভাঙচুর চালানো হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, তাবলীগ জামাতের আমির মাওলানা জুবায়েরপন্থী ও মাওলানা সাদপন্থী দুই গ্রুপের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আমির কে হবেন, কার নেতৃত্বে তাবলীগ জামাত চলবে এ নিয়ে মতবিরোধ ও দ্বন্দ্ব চলছিল। এই বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার মাগরিবের নামাজের পর জুবায়েরপন্থী স্থানীয় নেতা জাহাঙ্গীর আলমের সঙ্গে মারকাজ মসজিদ সংলগ্ন একটি মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও সাদপন্থী গ্রুপের নেতা আব্দুল কাইয়ুমের সঙ্গে মতবিরোধ নিয়ে প্রথমে তর্কাতর্কি পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

সংঘর্ষের একপর্যায়ে এক পক্ষ অপর পক্ষের উপর লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। শুরু হয় দুই পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ। এতে উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ১০ জন আহত হন। হামলায় মারকাজ মসজিদের চারপাশের জানালার কাঁচ ও মসজিদের বিভিন্ন স্থাপনা ভাঙচুর করা হয়। পরে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুল হাসান জানান, তাবলীগ জামাতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও মসজিদে ভাঙচুরের খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

ওসি আরো জানান, এ ঘটনার ব্যাপারে কোন পক্ষই থানায় অভিযোগ বা মামলা দায়ের করেনি। তবে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।


আরো সংবাদ