০৫ জুলাই ২০২০

পাকুন্দিয়া থেকে অপহৃত ৫ম শ্রেণীর ছাত্রী ঢাকায় উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া থেকে গত শুক্রবার এক স্কুল ছাত্রীকে অপহরণ করা হয়। এ ঘটনার দুইদিন পর পুলিশ ঢাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে। এর সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

উদ্ধার হওয়া ওই ছাত্রীর নাম নাহিদা আক্তার (১১)। তিনি উপজেলার কোদালিয়া পূর্বপাড়া গ্রামের গিয়াস উদ্দিনের মেয়ে এবং কোদালিয়া দুই নম্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী। রোববার বিকেলে ঢাকার তুরাগ এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ। অপহরণের ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ পার্শবর্তী কটিয়াদী উপজেলার পাঁচলীপাড়া গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে রাজন মিয়াকে (২৭) গ্রেফতার করে। তাকে আজ সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কোদালিয়া পূর্বপাড়া নতুন বাজারে রাজন মিয়ার একটি সেলুনের দোকান রয়েছে। ওই দোকানের সামনে দিয়ে নাহিদা প্রতিদিন স্কুলে আসা-যাওয়া করে থাকে। এসময় রাজন মিয়া নাহিদাকে প্রায়ই উত্ত্যক্ত করতো। বিষয়টি নাহিদা তার পিতাকে জানায়। পিতা গিয়াস উদ্দিন রাজন মিয়াকে এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলে রাজন ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে।

এর জের ধরে গত শুক্রবার বিকেলে নাহিদাকে তাদের বাড়ির সামনে থেকে জোর করে একটি অটোরিকশায় তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায় রাজন মিয়া ও তার কয়েকজন সহযোগী। বিষয়টি নাহিদার পিতা রাজন মিয়ার পরিবারকে জানালে নাহিদাকে উদ্ধার করে দেই দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করতে থাকে। পরে গতকাল রোববার নাহিদার পিতা বাদী হয়ে রাজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে পাকুন্দিয়া থানায় একটি মামলা করেন।

পাকুন্দিয়া থানা পুলিশ প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন স্থান খোঁজাখুজি করে তার অবস্থান নিশ্চিত করে। পরে রোববার বিকেলে পাকুন্দিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মদন চন্দ্র সাহার নেতৃত্বে একদল পুলিশ ঢাকার তুরাগ এলাকার একটি বাসা থেকে নাহিদাকে উদ্ধার করে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে রাজন মিয়াকে গ্রেফতার করে পাকুন্দিয়া থানায় নিয়ে আসে।

পাকুন্দিয়া থানার পরিদর্শক(তদন্ত) এসএম শফিকুল ইসলাম জানান, ঘটনায় জড়িত রাজনকে গ্রেফতার করে আজ সোমবার দুপুরে আদালতে পাঠানো হয়েছে। ভিকটিমের জবানবন্দি রেকর্ড ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কিশোরগঞ্জ জেলা শহরে পাঠানো হয়েছে।


আরো সংবাদ