ঢাকা, রবিবার,০৭ জুন ২০২০

যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

হিলারির সাথে কোথায় দেখা হয়েছিল ওসামা বিন লাদেনের?

নয়া দিগন্ত অনলাইন

০২ নভেম্বর ২০১৭,বৃহস্পতিবার, ২২:২২


প্রিন্ট
ওসামা বিন লাদেন হোয়াইট হাউসে আসলেই কি হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন?

ওসামা বিন লাদেন হোয়াইট হাউসে আসলেই কি হিলারি ক্লিন্টনের সঙ্গে ছবি তুলেছিলেন?

রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সোমবার এক চ্যাট শো-তে দাবি করেছেন, ওসামা বিন লাদেন হোয়াইট হাউসে অতিথি হয়ে গিয়েছিলেন।

তিনি ওই টিভি অনুষ্ঠানে আমেরিকান সরকার এবং প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের সময় তদ্বিরকারীদের কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলার সময় ওই ছবির কথা উল্লেখ করেন।


তিনি বলেন, ''মনে আছে হোয়াইট হাউসে ওসামা বিন লাদেনকে আপ্যায়নের সেই অসাধারণ, মাথা-ঘুরানো ছবিগুলোর কথা?"
ওসামা বিন লাদেনের সঙ্গে হিলারি ক্লিন্টনের করমর্দনের এই ছবি গত বছর রাশিয়ার টুইটার অ্যাকাউন্টে দারুণ হিট ছিল।

বিবিসি রিয়ালিটি চেক অনুষ্ঠান বলছে, রাশিয়ার সামাজিক যোগযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার হওয়া এই ছবি 'ভুয়া' বা 'ফেক'। হোয়াইট হাউসে ওসামা বিন লাদেনের কোন ফটো আছে বলে জানা যায় না এবং এ ধরনের অসাধারণ কোনো অনুষ্ঠান কখনও ঘটেছিল বলে কোথাও কোনো ধরনের তথ্য প্রমাণ নেই।

বিবিসির অনুসন্ধানে বলা হচ্ছে ছবিটা অবশ্যই ভুয়া। ২০০৪ সালে মিসেস ক্লিন্টন ভারতীয় সঙ্গীতজ্ঞ শুভাশীষ মুখার্জ্জীর সঙ্গে এই ছবি তুলেছিলেন। সেখানে মুখার্জ্জীর মুখের জায়গায় ওসামা বিন লাদেনের মুখের ছবি বসিয়ে দেয়া হয়েছে।


শিল্পী শুভাশীষ মুখার্জ্জীর সঙ্গে হিলারি ক্লিন্টন
আমেরিকান তথ্য বিশ্লেষণকারী সাইট স্নোপস্ এই ছবিটি বিশ্লেষণ করে বলেছে ফ্রিকিং ডট কম FreakingNews.com নামে একটি ওয়েবসাইটে ফটোশপের একটি প্রতিযোগিতার অংশ ছিল এই ছবিটি।


পার্স টুডে
পাক সরকার থেকে কোনো সাহায্য পাননি লাদেন : সিআইএ দলিল

আল-কায়েদা নেতা ওসামা বিন লাদেন পাকিস্তান সরকারের কাছ থেকে কোনো সাহায্য পাননি বলে মার্কিন কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা বা সিআইএ তার এক দলিলে উল্লেখ করেছে। সিআইএ'র এ দলিল সম্প্রতি প্রকাশ করা হয়েছে। পাকিস্তানের ইংরেজি দৈনিক এক্সপ্রেস ট্রিবিউন এ খবর দিয়েছে।

২০১১ সালের ২ মে পাকিস্তানের সেনা শহর অ্যাবোটাবাদে মার্কিন কমান্ডো বাহিনী সিল-এর গোপন অভিযানে লাদেন মারা গেছেন বলে দাবি করা হয়।

সিআইএ প্রকাশিত দলিলে বলা হচ্ছে- অ্যাবোটাবাদে যে বাড়িতে বিন লাদেন থাকতেন সেখান থেকে সিলের অভিযানের সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও দলিল-দস্তাবেজ উদ্ধার করা হয় কিন্তু পাকিস্তানের সামরিক বাহিনী কিংবা সরকারের কাছ থেকে সহায়তা পাওয়ার বিষয়ে কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

আমেরিকার কমান্ডো বাহিনীর সিলের অভিযানের নিন্দা জানিয়ে সে সময় পাকিস্তান বলেছিল, এ ঘটনার মাধ্যমে আমেরিকা পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব লঙ্ঘন করেছে। অভিযানের সময় লাদেনের বাসভবন থেকে চার লাখ ৪৭ হাজার ফাইল উদ্ধার করা হয়। তবে তাতে পাকিস্তান রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে দেয়া কোনো সহায়তার তথ্য নেই। এছাড়া, অ্যাবোটাবাদে বসবাসের বিষয়ে পাকিস্তানের নিরাপত্তা বাহিনী সহায়তা করেছিল বলে যেসব জল্পনা রয়েছে সে বিষয়েও তেমন কোনো তথ্য নেই।

ধারণা করা হচ্ছে- আগামী কয়েকদিনের মধ্যে এ বিষয়ে আরো নানা তথ্য-উপাত্ত ও বিশ্লেষণ বের হবে। নিউ ইয়র্ক টাইমস বলছে, লাদেনেকে হত্যার দিন পরিচালিত অভিযানে তার এক ঘনিষ্ঠ সহযোগীর মোবাইল উদ্ধার করা হয় যা থেকে হরকাতুল মুজাহিদিন নামে পাকিস্তানে নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি সংগঠনের কয়েকজন নেতার সঙ্গে যোগাযোগের তথ্য পাওয়া গেছে।

 

 

Logo

সম্পাদক : আলমগীর মহিউদ্দিন

প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ

১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত | নয়া দিগন্ত ২০১৫