মূল্যস্ফীতি ঊর্ধ্বমুখী

অর্থনৈতিক প্রতিবেদক
মাথাচাড়া দিয়েছে মূল্যস্ফীতি। ফলে দেশের সাধারণ মানুষকে বেশি দামে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস কিনতে হচ্ছে। চতুর্থ প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন’১৭) দেশে সাধারণ মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টের ভিত্তিতে হয়েছে ৫ দশমিক ৭২ শতাংশ, যা গত অর্থবছরের (২০১৫-১৬) একই সময়ে ছিল ৫ দশমিক ৫৩। পরিসংখ্যান ব্যুরোর এই তথ্য গতকাল পরিকল্পনামন্ত্রী সাংবাদিকদের জানান। 
রাজধানীর আগারগাঁওয়ে পরিকল্পনা কমিশনের এনইসি সম্মেলন কে একনেক-পরবর্তী সভায় বিবিএসের প্রতিবেদন প্রকাশকালে এ তথ্য জানান পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, তৃতীয় প্রান্তিকের (জানুয়ারি-মার্চ) তুলনায় চতুর্থ প্রান্তিকে দ্রব্য ও সেবার মূল্য বৃদ্ধির কারণে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।
যেসব দ্রব্যের দাম বেড়েছে : খাদ্য আইটেমÑ চাল, গরুর গোশত, খাসির গোশত, শাকসবজি, কাঁচামরিচ, সয়াবিন তেল, চা-পাতা, দুধ ইত্যাদি। খাদ্যবহির্ভূত আইটেমÑ পরিধেয় বস্ত্রাদি, জ্বালানি, বাড়িভাড়া, আসবাবপত্র ও গৃহস্থালি, চিকিৎসাসেবা, পরিবহন ও শিা উপকরণ ইত্যাদি। 
পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রতিবেদন অনুসারে, গ্রামে সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টে মাসিক ভিত্তিতে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ, যা তার আগের অর্থবছরের একই সময় ছিল ৪ দশমিক ৬৬ শতাংশ। শহরের সার্বিক মূল্যস্ফীতি পয়েন্ট টু পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে ৬ দশমিক ১৬ শতাংশ, যা আগের অর্থবছরে ছিল ৭ দশমিক ১৭ শতাংশ। গ্রাম ও শহর উভয় স্থানে জানুয়ারি থেকে মার্চ প্রান্তিকের তুলনায় শেষ প্রান্তিকে মূল্যস্ফীতি বেড়েছে।

 

সম্পাদকঃ আলমগীর মহিউদ্দিন,
প্রকাশক : শামসুল হুদা, এফসিএ
১ আর. কে মিশন রোড, (মানিক মিয়া ফাউন্ডেশন), ঢাকা-১২০৩।
ফোন: ৫৭১৬৫২৬১-৯

Copyright 2015. All rights reserved.