১৪ আগস্ট ২০২২
`
নি ত্যো প ন্যা স

অদ্ভুত অদল বদল

-

আট.
‘তাহলে কী করব?’
‘ভূতের মন্ত্র পড়ে ঢুকে পড়ো।
‘ও আচ্ছা।’ মুখে ও আচ্ছা বললেও সে দ্বিধায় পড়ে গেল। ভূতের মন্ত্র তো সে জানে না।
গাভু বলল, ‘আমার সাথে পড়ো।
শারাফাত আলী গদিতে বসেছেন। পুরান ঢাকায় তার গদি। তিনি ভুঁড়ি এলিয়ে গদিতে বসে থাকেন। সামনে পুরনো আমলের কালো নকশা করা কাঠের বাক্স। সেই বাক্সে নগদ টাকা। তিনি সুদে টাকা খাটান। আর ঘুষ খান। এক সময় সরকারি চাকরি করতেন। তখন থেকেই তার ঘুষ খাওয়া শুরু। ঘুষ খাওয়ার সাথে সাথেই তিনি বেলুনের মতো ফুলতে থাকেন। একটু করে ঘুষ খান। একটু করে ফোলেন। ঘুষ খেতে খেতে এখন ফুলে ঢোল। চাকরি থেকে অবসর নিয়েছেন। ঘুষের কারবার থেকে অবসর নেননি। এখন ঘুষ এমনি এমনি খান। শখের বসে খান। পাড়ার লোকে তাকে ঘুষখোর শারাফাত নামে চেনে। ছোটরা ছড়া কাটে-
ঘুষখোর শারাফাত
পেট ফুলে চিৎপাত।
গদিতে চিৎপাত হয়ে ছিলেন। সোজা হয়ে বসলে ভুঁড়িতে টান পড়ে। চিৎপাত শুলে বড় আরাম হয়। একটু ঝিমুনিও এসেছিল।
এমন সময় কানের কাছে তার পিএ পিয়ারালী চেঁচাল, ‘স্যার। ও স্যার।’
তিনি ধড়ফড় করে জেগে উঠলেন, ‘কিরে কী হইছে? ডাকাত পড়ছে? ক্যাশ লুট হইছে?’
পিএ একগাল হেসে বলল, ‘না স্যার। ওরকম কিছু হয়নি। হলে ডাকার জন্য আমি থাকতাম না। আগেই পগারপার হতাম। পুলিশের ঝামেলায় কে যায়!’
‘তাহলে ডাকলে কেন? ঘুমটা একটু লেগে এসেছিল।’
(চলবে)

 


আরো সংবাদ


premium cement