২৯ মে ২০২২, ১৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪২৯, ২৭ শাওয়াল ১৪৪৩
`
নি ত্যো প ন্যা স

আকাশের ওপারে আকাশ

আকাশের ওপারে আকাশ -

একশত.
এদিকে ততক্ষণে দুষ্ট পরীরা চলে এসেছে রিয়াজের কাছাকাছি। সবারই রাগে বিকৃত মুখ।
কিন্তু রিয়াজের পাশে এসে একটু নিরাপদ দূরত্বে সবাই দাঁড়িয়ে পড়ে। তাদের রাগে বিকৃত মৃখ ভয়ে রূপান্তরিত হতে থাকে। রিয়াজ নিজেও ব্যাপার কী বুঝতে পারে না।
একটু পরেই রিয়াজ বুঝতে পারে। রিয়াজের ছায়াটা এসে দাঁড়িয়েছে পাশে। দুপুর গড়িয়ে যাওয়ায় ছোট্ট রিয়াজের ছায়াটা ধীরে ধীরে দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর হচ্ছে। পাশে দাঁড়ানো কিশোরী ছায়াটাও। আগে কোনো দিন ছায়া না দেখা পরীরা এক সাথে দুটো রিয়াজ এবং ছোট বড় হতে থাকা ছায়াদের দেখে হকচকিয়ে গেছে। ভয়ও পেয়েছে।
রিয়াজ এবং কিশোরী ছায়া দুটো হাত ধরাধরি করে হঠাৎ করে রিয়াজকে পেরিয়ে দ্রুত বেগে পরীদের দিকে ছুটে যায়। ওরা ভয় পেয়ে পিছিয়ে আসে। ছায়ারা পরীদের শরীরের ফাঁক গলিয়ে অন্য পাশে যায়। ওরা সাবাই ঘুরে সেদিকে তাকায়। তারপর সবাই নিজেদের দিকে তাকায় এবং হঠাৎ সব একসাথে পড়িমড়ি করে যে যেদিকে পারে ছুটে পালায়।
পরীদের কাণ্ড দেখে রিয়াজ পেট চেপে ধরে হাসিতে ফেটে পড়ে।
রিয়াজের ছায়া পাশে এসে বলে, চল এখন হাসার সময় নয়। এই দুষ্ট পরীরাজ্য থেকে আমাদের বের হতে হবে।
রিয়াজ ইতস্তত করে বলে, কিন্তু এখানে থেকে যে আমার মাকে খুঁজতে হবে।
রিয়াজের ছায়া বলে, মা এখানে নেই। ওই বন্দী রুমে ছাড়া আর কোথাও কোনো মানুষ থাকে না। তার পরেও আমি এর মধ্যে সব পরী রাজ্য খুঁজে দেখে এসেছি।
এত অল্প সময়ের মধ্যে?
ছায়ারা অল্প সময়েই বিশ্ব ঘুরে দেখতে পারে। আমার মনে হয়, মা পৃথিবীতেই আছে। ছায়া রাজ্যের কোথাও মায়ের ছায়া দেখিনি। (চলবে)

 


আরো সংবাদ


premium cement