২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
`

ইয়াংগুন জুলোজিক্যাল গার্ডেনস

-


আজ তোমরা জানবে ইয়াংগুন জুলোজিক্যাল গার্ডেনস সম্পর্কে। এখানকার গাছের ছায়ায় ঘাসে ঢাকা ছোট্ট মাঠগুলোয় শিশুরা খেলা করতে পারে। এ চিড়িয়াখানার বিশেষ আকর্ষণ হাতিটানা ও ঘোড়াটানা গাড়ি। লিখেছেন লোপাশ্রী আকন্দ

জানো, মিয়ানমারের সবচেয়ে বড় নগরী ইয়াংগুন? এ নগরে সুন্দর একটি চিড়িয়াখানা আছে। এটি বিশ্বের বড় চিড়িয়াখানাগুলোর একটি। প্রায় ৫৯ দশমিক ২৫ একর জায়গাজুড়ে ছায়াঘেরা পরিবেশে এর অবস্থান। চিড়িয়াখানাটির সরকারি নাম ইয়াংগুন জুলোজিক্যাল গার্ডেনস।
ছায়াময় গাছের নিবিড়তায় মায়াময় পরিবেশে বিভিন্ন জন্তু, পাখি ও সরীসৃপের অবস্থান চিড়িয়াখানাটিকে দিয়েছে ভিন্ন মাত্রা। প্রায় ৩০০ প্রজাতির ১৫ হাজার গাছ রয়েছে এখানে।
এ চিড়িয়াখানায় রয়েছে ৫৯ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ৬০ প্রজাতির পাখি এবং ১৮ প্রজাতির সরীসৃপ। এখানে রয়েছে হাতি, গণ্ডার, উট, বাঘ, সিংহ, হরিণ, বানর, সাপ, কচ্ছপ, কুমির এবং বিভিন্ন ধরনের পাখি।
এখানকার গাছের ছায়ায় ঘাসে ঢাকা ছোট্ট মাঠগুলোয় শিশুরা খেলা করতে পারে। এ চিড়িয়াখানার বিশেষ আকর্ষণ হাতিটানা ও ঘোড়াটানা গাড়ি। এগুলোতে চড়া শিশুদের জন্য মজার ব্যাপার। বড়রাও এতে আনন্দ পায়। হাতি ও ঘোড়ার পিঠে চড়ারও ব্যবস্থা রয়েছে। এ ছাড়া এখানে রোলার-কোস্টারসহ অ্যামিউজমেন্ট পার্ক (প্রমোদ-উপকরণ সংবলিত কক্ষ) রয়েছে। এ পার্ক আন্তর্জাতিক মানের। এ ছাড়া দর্শকদের সুবিধার জন্য এখানে রেস্তোরাঁ এবং ফোনের ব্যবস্থা রয়েছে।
সাধারণ মানুষের আনন্দ-বিনোদন, প্রাণী ও উদ্ভিদ সম্পর্কে ছাত্র ও গবেষকদের জ্ঞান অর্জন ইত্যাদি কাজে এ চিড়িয়াখানা বিশেষ অবদান রাখছে। বন্যপশুপাখির সুরক্ষায় সাধারণ মানুষকে শিক্ষাদান এবং যুক্তি বা উপদেশ দিয়ে তাদেরকে প্ররোচিত করাও এর উদ্দেশ্য।
বিরল প্রজাতির বন্যপ্রাণীর বংশবৃদ্ধি, এগুলোর আচরণের ওপর গবেষণা এবং এ প্রাণীগুলোকে বিস্মৃতি ও বিলোপ থেকে টিকিয়ে রাখাও এ চিড়িয়াখানার লক্ষ্য।
ব্রিটিশ শাসনের যুগে ১৯০৬ সালে ইয়াংগুন জুলোজিক্যাল গার্ডেনস প্রতিষ্ঠিত করা হয়। এ সময় মিয়ানমার ছিল ব্রিটিশ-ভারতের অংশ। আর ইয়াংগুনে ছিল অনেক বাঙালির বসবাস।
Ñওয়েবসাইট অবলম্বনে



আরো সংবাদ