২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
`

কিশমিশ বৃত্তান্ত

কিশমিশ বৃত্তান্ত -

আজ তোমরা জানবে কিশমিশ সম্পর্কে। এ শুকনো আঙুর ফল পানি বা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এসে ফুলে যায় আর এতে পানি প্রবেশ করে। লিখেছেন লোপাশ্রী আকন্দ
কিশমিশ কী? বীজশূন্য ছোট আকারের শুকনো আঙুর। সারা বিশ্বেই এটি কম-বেশি ব্যবহার করা হয়। সুস্বাদু মিষ্টি খাবার হিসেবে এ বিশেষ শুষ্ক ফলটির ব্যবহার মধ্যপ্রাচ্য ও ভারতীয় উপমহাদেশে বেশি বলে ধারণা করা হয়। এ ফল অন্যান্য মিষ্টি খাবারেও ব্যবহারের রেওয়াজ আছে।
প্রাচীনকাল থেকেই শক্তি বা ক্যালরির অনবদ্য উৎস কিশমিশ। এটি হজম সহায়ক, ওজন বৃদ্ধিকারক ও বলকারক খাবার বলে বিশেষজ্ঞদের অভিমত। ফলটি পানি বা তরল পদার্থের সংস্পর্শে এসে ফুলে যায় আর এতে পানি প্রবেশ করে। এ বৈশিষ্ট্যের কারণে কিশমিশ বদহজম ও কোষ্ঠকাঠিন্য বা কোষ্ঠবদ্ধতা উপশমে কাজ করে। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশে ৩ দশমিক ৭ গ্রাম গলন-অযোগ্য আঁশ (ইনসলিউবল ফাইবার) থাকে। এ ফাইবার কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে ও হজমে সহায়ক।
এ শুষ্ক ফলে রয়েছে প্রচুর গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোস। প্রতি ১০০ গ্রাম কিশমিশ প্রায় ২৫০ ক্যালরি ধারণ করে। এ কারণে বেশি মোটা ও ডায়াবেটিক রোগীদের এ ফল খেতে সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়। ১০০ গ্রাম কিশমিশে থাকা লৌহ একজন মানুষের দৈনিক চাহিদার ২৩ শতাংশ পূরণ করতে পারে। এ ফলে থাকা লৌহ রক্তশূন্যতা দূর করতে ভূমিকা রাখে।
কিশমিশ ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক। কারণ এ ফলে রয়েছে কেটেচিন রেচভেরাট্রল নামের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।
কিশমিশে রয়েছে ২৬ শতাংশ শর্করা, ১৫ শতাংশ আঁশ, ৬ শতাংশ আমিষ, চর্বি ১ শতাংশ, পটাশিয়াম ২১ শতাংশ ও লৌহ ১০ শতাংশ। ভিটামিন-বি কমপ্লেক্স ও কপারও রয়েছে এ ফলে। এসব কারণে শক্তি ও ওজন বাড়াতে কিশমিশের জুড়ি মেলা ভার।



আরো সংবাদ