২৫ নভেম্বর ২০২০

দুই গোয়েন্দার অভিযান

-

তিন.
‘গিরিশ কাপুর?’ ভুরু কুঁচকাল হাশিম।
ফাঁস করে দিয়েছে সুজা। আর গোপন রাখার মানে হয় না। গিরিশের কথা হাশিমকে খুলে বলল রেজা। ভারতীয় তরুণের কিডন্যাপের কাহিনী অবাক করল হাশিমকে। নেডও চোখ বড় বড় করে শুনল।
‘কোথায় নিলো এখন ওকে, বল তো?’ নেডের প্রশ্ন।
‘জানলে তো গিয়ে ধরতামই,’ জবাব দিলো রেজা। ‘তবে যেখানেই নিক, আর তাকে খুঁজে পাওয়া সহজ হবে না। বরং এখানে থাকতে অনেক সহজ ছিল। কিডন্যাপাররাও সাবধান হয়ে গেছে। যারা খুঁজতে যাবে তাদের জন্য বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।’
‘কী করব তাহলে?’ সুজা জিজ্ঞেস করল।
‘কবুতরের সাহায্য নেবো,’ রেজা বলল। ‘ওদের আস্তানা খুঁজে বের করতে চাইলে এখন পোষা কবুতরের বাসা খুঁজতে হবে। এ বাড়িতে কবুতরের বাসা থাকবে ভেবেছিলাম। গিরিশের বাজপাখিটার খাওয়ার জন্য সাধারণ কবুতর তো বটেই, এক আধটা ডাকবহনকারী কবুতরও দেখব আশা করেছিলাম। নেই। তারমানে বাজপাখিটাকে অন্য কিছুর মাংস খাওয়ানো হয়।’
খাবারের কথা মনে পড়তে ফোঁস করে নিঃশ্বাস ফেলল নেড। ‘বাড়ি যাওয়া দরকার। আমার খিদে পেয়েছে।’ হান্টিং লজের রান্নাঘরে ঢুকে খুঁজেটুজে এক বাক্স বিস্কুট নিয়ে এল সে। সবাইকে ভাগ করে দিলো।
রেজার মনে হলো হান্টিং লজে পাহারা রাখা দরকার। গিরিশের কিডন্যাপাররা ফিরে আসতে পারে। সুজাও তার সাথে একমত। নেডদের বাড়িতে পৌঁছেই তাই আগে গোয়েন্দা এরিক জোনসকে ফোন করবে ঠিক করল রেজা। হান্টিং লজটা পাহারার ব্যবস্থা করতে তাকে অনুরোধ করবে। তদন্তের কাজে মাঝে মধ্যে নাসেরকে সহায়তা করে এরিক। রেজা-সুজার সাথেও কয়েকটা কেসে কাজ করেছে।
বিশ্রাম নেয়ার পর আবার বনের ভেতর দিয়ে চলল দলটা। কিছুদূর গিয়ে ঝোপের মধ্যে নড়াচড়া দেখে থামতে বলল রেজা। ডাক দিল, ‘কে ওখানে?’ (চলবে)


আরো সংবাদ