২৬ মে ২০২০

দুই গোয়েন্দার অভিযান

-

ঊনপঞ্চাশ.
খাওয়ার পর মিনা ফুপু বললেন, ‘এই ঝড়বৃষ্টির মধ্যে আর বাড়ি গিয়ে কাজ নেই। এখানেই থেকে যাও।’
ফ্যাকাশে হয়ে গেল আলিশার মুখ। ‘না, আন্টি, আমাকে যেতেই হবে। বাবার শরীর ভালো না। আমি না গেলে দুশ্চিন্তা করে আরো খারাপ করে ফেলবে।’
‘ফোন করে দাও।’
‘আমাদের মূল বাড়িতে ফোন নেই। একটা ফোনই আছে সারা বাড়িতে, কেয়ারটেকারের ঘরে। কিন্তু ও আমাদের দেখতে পারে না। এই বৃষ্টির মধ্যে আমার কোনো মেসেজ বাবাকে পৌঁছে দেবে না। আপনাদের আন্তরিকতার জন্যে অনেক ধন্যবাদ। আমাকে এখন যেতে হবে।’ উঠে দাঁড়াল আলিশা। ‘ফোনটা কোন ঘরে? ট্যাক্সি ডাকব।’
‘এই ঝড়ের মধ্যে কোনো ট্যাক্সি যাবে না,’ রেজা বলল। ‘সুজা আর আমাকেই গিয়ে দিয়ে আসতে হবে।’ ফুপুর দিকে তাকাল। ‘ভয় পেয়ো না, ফুপু। নিরাপদেই ফিরে আসবে।’
অনিচ্ছাসত্ত্বেও মাথা ঝাঁকালেন মিনা ফুপু। তাঁর অনিচ্ছাটা বুঝতে দিলেন না। কেবল টেবিলের নিচে কোলের ওপর রাখা হাতের মুঠি শক্ত হয়ে গেল।

গাড়ি নিয়ে মেইন রোডে উঠে এলো ওরা। রাস্তা একেবারে নির্জন। গাড়িঘোড়া নেই বললেই চলে। সহজেই শহরের সীমানা ছাড়িয়ে এলো। রাস্তার দুই ধারের বাড়িঘরগুলো এখানে বেশির ভাগই অন্ধকার। ঝড়ের কারণে বিদ্যুৎ নেই।
মাথা ঝাঁকাল সুজা। সামনে চোখ পড়তে চেঁচিয়ে উঠল, ‘ওই দেখো!’
সামনে রোড ব্লক দিয়েছে পুলিশ। ওদের কাছে এসে জানালার কাঁচ নামাল রেজা।
(চলবে)

 


আরো সংবাদ





maltepe evden eve nakliyat knight online indir hatay web tasarım ko cuce Friv gebze evden eve nakliyat buy Instagram likes www.catunited.com buy Instagram likes cheap Adiyaman tutunu