০৮ জুলাই ২০২০

একাধিক দেহরক্ষীসহ যুবলীগ নেতা জি কে শামীম আটক

একাধিক দেহরক্ষীসহ যুবলীগ নেতা জি কে শামীম আটক - ছবি : সংগৃহীত

রাজধানীর নিকেতন থেকে যুবলীগের কেন্দ্রীয় নেতা এস এম গোলাম কিবরিয়া ওরফে জি কে শামীমকে একাধিক দেহরক্ষীসহ গ্রেফতার করেছে র‌্যাব। শুক্রবার দুপুরে নিকেতনে শামীমের ব্যাবসায়ীক কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে ৬ দেহরক্ষীসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়।

দেহরক্ষীদের মধ্যে প্রধান দেহরক্ষী শহীদুল মুরাদ কামাল ও জাহিদের পরিচয় পাওয়া গেছে। নিকেতন ৪ নম্বর রোডের ১১৪ নম্বর ভবনে জিকেবি কোম্পানি প্রাইভেট লিমিটেড শামীমের বাণিজ্যিক কার্যালয়। জি কে শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক। একই সাথে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি।

রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীম প্রভাবশালী ঠিকাদার হিসেবেই পরিচিত। গণপূর্ত ভবনের বেশির ভাগ ঠিকাদারি কাজই জি কে শামীম নিয়ন্ত্রণ করেন। শামীম যুবলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সমবায় বিষয়ক সম্পাদক।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার সন্মানদী ইউনিয়নের দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত মো. আফসার উদ্দিন মাস্টারের ছেলে শামীম। আফসার উদ্দিন মাস্টার ছিলেন হরিহরদি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক। তিন ছেলের মধ্যে জি কে শামীম মেজো। বড় ছেলে গোলাম হাবিব নাসিম ঢাকায় জাতীয় পার্টির রাজনীতি করেন। সন্মানদী ইউনিয়নের বাসিন্দারা জানান, প্রাইমারি স্কুল ও হাই স্কুল পাস করার পর তাঁদের গ্রামে দেখা যায়নি। ঢাকার বাসাবো আর সবুজবাগ এলাকায় বড় হয়েছেন। গত জাতীয় নির্বাচনের সময় আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কা নিয়ে নির্বাচনের জন্য প্রচারণাও চালিয়েছিলেন শামীম।

তিনি সবসময় ছয়জন অস্ত্রধারী দেহরক্ষী প্রটেকশন নিয়ে চলেন। সবার হাতেই থাকে শর্টগান। গায়ে বিশেষ সিকিউরিটির পোশাক। তাদের একেকজনের উচ্চতা প্রায় ছয় ফুট। শামীম ছোটখাটো মানুষ হলেও তার ক্ষমতার দাপট আকাশসমান।

গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কিংবা যুবলীগের পার্টি অফিস, বিয়ে বাড়ি কিংবা বন্ধুর বাড়ি, যেখানেই তিনি যান, সঙ্গে থাকে অস্ত্রধারী প্রটোকল বাহিনী। ভারী অস্ত্র নিয়ে ছয়জন নিরাপত্তারক্ষী আগে-পিছে পাহারা দিয়ে তাকে নিয়ে যান। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর অবৈধ অস্ত্রসহ গ্রেপ্তারও হয়েছিলেন জি কে শামীম।

বাসাবো এলাকায় পাঁচটি বাড়ি এবং একাধিক প্লট রয়েছে শমীমের। বাসাবোর কদমতলায় ১৭ নম্বরের পাঁচতলা বাড়িটি জি কে শামীমের। এই বাড়িটি ম্যানেজার হিসেবে দেখাশোনা করেন স্থানীয় ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মো. ইসমাইল হোসেন সর্দার। শামীম কয়েক বছর বাসাবোর ওই বাড়িতে বসবাস করলেও এখন থাকছেন বনানীর ওল্ড ডিওএইচএসে নিজের ফ্ল্যাটে। এবং নিজের কার্যালয় বানিয়ে বসেন নিকেতন এলাকায় একটি ভবনে। বাসাবোতে আরো রয়েছে তিনটি ভবন এবং ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েক শ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।


আরো সংবাদ

চাঞ্চল্যকর তথ্য দিলেন স্ত্রী-স্বামী সহ সিএনজি ছিনতাইকারী চক্র ঈদের আগেই গণস্বাস্থ্যের বিশ্বমানের করোনা আইসিইউ ইউনিটের উদ্বোধন রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানসহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করোনা শনাক্তের পরীক্ষায় ফি আরোপ বৈষম্যমূলক, অমানবিক ও আত্মঘাতী : টিআইবি ল্যাটিন আমেরিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়াল ৩০ লাখ ইউক্রেনে দাবানল : ৬ জনের মৃত্যু প্রবাসী শ্রমিকদের কর্মস্থলে পুনঃনিয়োগে সরকারের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে : প্রধানমন্ত্রী করোনা সংক্রমণ বিস্তার রোধে সকলকে জনযোদ্ধা হিসেবে কাজ করতে হবে : কাদের বাংলাদেশে করোনায় আরো ৪৬ জনের মৃত্যু রাত জেগে ক্লান্ত পেঁচার হা...ই...ম ১১৬ দিন পর আজ মাঠে গড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট

সকল